১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪১
শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির অনুভূতি
বিকাশমান মানব ভ্রূণের সর্বপ্রথম শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের উদ্ভব ঘটে। ভ্রূণ ২৮তম সপ্তাহের পর হতে শব্দ শুনতে পায়। পরবর্তীতে দর্শন ইন্দ্রিয় বিকাশ লাভ করে এবং ২৮তম সপ্তাহ পরে রেটিনা বা অক্ষিপট আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়।
ভ্রূণে ইন্দ্রিয়ের বিকাশ সম্পর্কিত কোরআনের নিম্নের আয়াতটি লক্ষ করা যাক :
وَ جَعَلَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ
অর্থ : আর তোমাদেরকে কান, চোখ ও অন্তর প্রদান করেন। (সূরা সাজদাহ : ৯)
وَ ہُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡشَاَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ ؕ قَلِیۡلًا مَّا تَشۡکُرُوۡنَ
অর্থ : আর তিনিই তোমাদের কান, চোখ ও অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন। তোমরা অতি অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাক। (সূরা মুমিনূন : ৭৮)
اِنَّا خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اَمۡشَاجٍ ٭ۖ نَّبۡتَلِیۡہِ فَجَعَلۡنٰہُ سَمِیۡعًۢا بَصِیۡرًا
অর্থ : নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে তাকে পরীক্ষা করার জন্য। এজন্য তাকে করেছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অধিকারী। (সূরা আদদাহার :২)
এ সকল আয়াতে দৃষ্টিশক্তির পূর্বে শ্রবণশক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এভাবে আধুনিক ভ্রূণ বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সাথে কোরআনের বর্ণনা পরিপূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভ্রূণে ইন্দ্রিয়ের বিকাশ সম্পর্কিত কোরআনের নিম্নের আয়াতটি লক্ষ করা যাক :
وَ جَعَلَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ
অর্থ : আর তোমাদেরকে কান, চোখ ও অন্তর প্রদান করেন। (সূরা সাজদাহ : ৯)
وَ ہُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡشَاَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ ؕ قَلِیۡلًا مَّا تَشۡکُرُوۡنَ
অর্থ : আর তিনিই তোমাদের কান, চোখ ও অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন। তোমরা অতি অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাক। (সূরা মুমিনূন : ৭৮)
اِنَّا خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اَمۡشَاجٍ ٭ۖ نَّبۡتَلِیۡہِ فَجَعَلۡنٰہُ سَمِیۡعًۢا بَصِیۡرًا
অর্থ : নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে তাকে পরীক্ষা করার জন্য। এজন্য তাকে করেছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তির অধিকারী। (সূরা আদদাহার :২)
এ সকল আয়াতে দৃষ্টিশক্তির পূর্বে শ্রবণশক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এভাবে আধুনিক ভ্রূণ বিজ্ঞানের আবিষ্কারের সাথে কোরআনের বর্ণনা পরিপূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।