১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
১০. চিকিৎসাবিজ্ঞান মধু মানুষের জন্য আরোগ্যকারী
মৌমাছিরা বিভিন্ন প্রকারের ফুল এবং ফলের রস শোষণ করে এবং নিজের শরীরের মধ্যে মধু তৈরির পর তা মোম কোষে জমা করে। মাত্র কয়েক শতাব্দী পূর্বে মানুষ জানতে পারে যে, মধু মৌমাছির পেট থেকে তৈরি হয়। অথচ বাস্তব সত্যটি ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কোরআনের নিন্মোক্ত আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে : ‘অতঃপর প্রত্যেক ফল থেকে আহার কর, এরপর তোমার প্রতিপালকের (শিখানো) সহজ পদ্ধতি অনুসরণ কর।
یَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِہَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُہٗ فِیۡہِ شِفَآءٌ لِّلنَّاس
অর্থ : তাদের পেট থেকে বেরিয়ে আসে একটি পানীয়, বিচিত্র যার বর্ণ, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগমুক্তি। (সূরা নাহল : ৬৯)
বর্তমানে আমরা জানি যে, মধুর রোগ নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটা লঘু জীবাণুনাশক জাতীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ানরা তাদের ক্ষত শুকানোর জন্য মধু ব্যবহার করত। ক্ষতস্থানে আর্দ্রতা থাকলে সামান্য পরিমাণ ক্ষত স্থান নিরাময় হয়। মধুর ঘনত্বের কারণে ক্ষতস্থানে কোন ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।
যদি কোন ব্যক্তি কোন গাছের ফলের এলার্জি রোগে ভোগে, তাহলে তাকে ঐ গাছ থেকে আহরিত মধু পান করালে তার এলার্জি প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মধুতে ফল শর্করা বা ফ্রুকটোজ (Fructose) এবং ভিটামিন k (কে) রয়েছে।
মধুর উৎস বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোরআনে বর্ণিত জ্ঞান, কোরআন নাযিলের কয়েক শতাব্দী পরে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন।
یَخۡرُجُ مِنۡۢ بُطُوۡنِہَا شَرَابٌ مُّخۡتَلِفٌ اَلۡوَانُہٗ فِیۡہِ شِفَآءٌ لِّلنَّاس
অর্থ : তাদের পেট থেকে বেরিয়ে আসে একটি পানীয়, বিচিত্র যার বর্ণ, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগমুক্তি। (সূরা নাহল : ৬৯)
বর্তমানে আমরা জানি যে, মধুর রোগ নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটা লঘু জীবাণুনাশক জাতীয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ানরা তাদের ক্ষত শুকানোর জন্য মধু ব্যবহার করত। ক্ষতস্থানে আর্দ্রতা থাকলে সামান্য পরিমাণ ক্ষত স্থান নিরাময় হয়। মধুর ঘনত্বের কারণে ক্ষতস্থানে কোন ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।
যদি কোন ব্যক্তি কোন গাছের ফলের এলার্জি রোগে ভোগে, তাহলে তাকে ঐ গাছ থেকে আহরিত মধু পান করালে তার এলার্জি প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মধুতে ফল শর্করা বা ফ্রুকটোজ (Fructose) এবং ভিটামিন k (কে) রয়েছে।
মধুর উৎস বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোরআনে বর্ণিত জ্ঞান, কোরআন নাযিলের কয়েক শতাব্দী পরে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন।