১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৯
পিঁপড়ার জীবনধারা ও যোগাযোগ
কোরআনের নিম্নোক্ত আয়াতটি মনোযোগের সাথে ভাবা যাক–
وَ حُشِرَ لِسُلَیۡمٰنَ جُنُوۡدُہٗ مِنَ الۡجِنِّ وَ الۡاِنۡسِ وَ الطَّیۡرِ فَہُمۡ یُوۡزَعُوۡنَ . حَتّٰۤی اِذَاۤ اَتَوۡا عَلٰی وَادِ النَّمۡلِ ۙ قَالَتۡ نَمۡلَۃٌ یّٰۤاَیُّہَا النَّمۡلُ ادۡخُلُوۡا مَسٰکِنَکُمۡ ۚ لَا یَحۡطِمَنَّکُمۡ سُلَیۡمٰنُ وَ جُنُوۡدُہٗ ۙ وَ ہُمۡ لَا یَشۡعُرُوۡنَ
অর্থ : সোলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে সমবেত করা হয়েছিল। জ্বীন, মানুষ এবং পাখিদের থেকে আর তাদের কুচকাওয়াজ করানো হলো। তারপর যখন তারা পিপীলিকা অধ্যুষিত উপত্যকায় পৌঁছল, তখন এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের ঘরে প্রবেশ কর। অন্যথায় সোলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষে ফেলবে। (সূরা আন নামল :১৭-১৮)
অতীতে কেউ হয়তো এই বলে কোরআনের প্রতি উপহাস করে থাকতে পারে যে, কোরআন যাদুকরী বা রূপকথার কাহিনীর বই, যাতে পিঁপড়ার পরস্পরের কথা এবং উন্নত বার্তা বিনিময়ের বিষয়ে উল্লেখ আছে। সাম্প্রতিককালে গবেষণায় পিঁপড়ার জীবনধারা সম্পর্কে কিছু বাস্তবতা জানা গেছে, যেগুলো মানুষের পূর্বে জানা ছিল না।
গবেষণায় বলা হয়েছে মানুষের জীবনধারার সাথে যে সকল প্রাণী ও কীটপতঙ্গের অধিকতর মিল রয়েছে, তা হল পিঁপড়া। পিঁপড়া সম্পর্কে নিচের তথ্যগুলো থেকে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা যায়।
ক. মানুষের মত পিঁপড়ারা তাদের মৃতদেহকে কবরস্থ করে।
খ. পিঁপড়াদের মধ্যে উন্নত পর্যায়ের শ্রম বিভাজন পদ্ধতি রয়েছে। পূর্ণমাত্রায় তাদের মধ্যে মহা ব্যবস্থাপক, তত্ত্বাবধায়ক, সর্দার, শ্রমিক ইত্যাদি রয়েছে।
গ. মাঝে মাঝে তারা খোশগল্প করতে একত্রিত হয়।
ঘ. নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য তাদের রয়েছে উন্নত যোগাযোগ পদ্ধতি।
ঙ. দ্রব্য বিনিময়ের জন্য তারা নিয়মিত বাজার বানায়।
চ. শীতকালে দীর্ঘ সময়ের জন্য তারা খাদ্যশস্য জমা করে রাখে এবং খাদ্যশস্য যদি অঙ্কুরিত হয়, তাহলে তারা শিকড় কেটে দেয়; মনে হয়, তারা এটা বুঝতে পারে যে, খাদ্যশস্যকে অঙ্কুরিত অবস্থায় রেখে দিলে তা পচে যাবে। যদি তাদের মজুদকৃত শস্যদানা বৃষ্টিতে ভিজে যায়, তাহলে এগুলোকে রৌদ্রে শুকাতে বাইরে নিয়ে যায় এবং শুকানোর পর পুনরায় ভেতরে নিয়ে আসে। মনে হয় তারা এটাও জানে যে, আর্দ্রতার কারণে শস্যদানায় মুকুল বের হতে পারে, ফলে শস্যদানার পচন হতে পারে।
وَ حُشِرَ لِسُلَیۡمٰنَ جُنُوۡدُہٗ مِنَ الۡجِنِّ وَ الۡاِنۡسِ وَ الطَّیۡرِ فَہُمۡ یُوۡزَعُوۡنَ . حَتّٰۤی اِذَاۤ اَتَوۡا عَلٰی وَادِ النَّمۡلِ ۙ قَالَتۡ نَمۡلَۃٌ یّٰۤاَیُّہَا النَّمۡلُ ادۡخُلُوۡا مَسٰکِنَکُمۡ ۚ لَا یَحۡطِمَنَّکُمۡ سُلَیۡمٰنُ وَ جُنُوۡدُہٗ ۙ وَ ہُمۡ لَا یَشۡعُرُوۡنَ
অর্থ : সোলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে সমবেত করা হয়েছিল। জ্বীন, মানুষ এবং পাখিদের থেকে আর তাদের কুচকাওয়াজ করানো হলো। তারপর যখন তারা পিপীলিকা অধ্যুষিত উপত্যকায় পৌঁছল, তখন এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের ঘরে প্রবেশ কর। অন্যথায় সোলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষে ফেলবে। (সূরা আন নামল :১৭-১৮)
অতীতে কেউ হয়তো এই বলে কোরআনের প্রতি উপহাস করে থাকতে পারে যে, কোরআন যাদুকরী বা রূপকথার কাহিনীর বই, যাতে পিঁপড়ার পরস্পরের কথা এবং উন্নত বার্তা বিনিময়ের বিষয়ে উল্লেখ আছে। সাম্প্রতিককালে গবেষণায় পিঁপড়ার জীবনধারা সম্পর্কে কিছু বাস্তবতা জানা গেছে, যেগুলো মানুষের পূর্বে জানা ছিল না।
গবেষণায় বলা হয়েছে মানুষের জীবনধারার সাথে যে সকল প্রাণী ও কীটপতঙ্গের অধিকতর মিল রয়েছে, তা হল পিঁপড়া। পিঁপড়া সম্পর্কে নিচের তথ্যগুলো থেকে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা যায়।
ক. মানুষের মত পিঁপড়ারা তাদের মৃতদেহকে কবরস্থ করে।
খ. পিঁপড়াদের মধ্যে উন্নত পর্যায়ের শ্রম বিভাজন পদ্ধতি রয়েছে। পূর্ণমাত্রায় তাদের মধ্যে মহা ব্যবস্থাপক, তত্ত্বাবধায়ক, সর্দার, শ্রমিক ইত্যাদি রয়েছে।
গ. মাঝে মাঝে তারা খোশগল্প করতে একত্রিত হয়।
ঘ. নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য তাদের রয়েছে উন্নত যোগাযোগ পদ্ধতি।
ঙ. দ্রব্য বিনিময়ের জন্য তারা নিয়মিত বাজার বানায়।
চ. শীতকালে দীর্ঘ সময়ের জন্য তারা খাদ্যশস্য জমা করে রাখে এবং খাদ্যশস্য যদি অঙ্কুরিত হয়, তাহলে তারা শিকড় কেটে দেয়; মনে হয়, তারা এটা বুঝতে পারে যে, খাদ্যশস্যকে অঙ্কুরিত অবস্থায় রেখে দিলে তা পচে যাবে। যদি তাদের মজুদকৃত শস্যদানা বৃষ্টিতে ভিজে যায়, তাহলে এগুলোকে রৌদ্রে শুকাতে বাইরে নিয়ে যায় এবং শুকানোর পর পুনরায় ভেতরে নিয়ে আসে। মনে হয় তারা এটাও জানে যে, আর্দ্রতার কারণে শস্যদানায় মুকুল বের হতে পারে, ফলে শস্যদানার পচন হতে পারে।