১
ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব
লেখকঃ ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
আন্তধর্ম সংলাপ বিষয়ে ইসলামের অবস্থান
কিছু ধর্মের লোক আছে যারা অন্যধর্মের লোকদের সঙ্গে আলোচনা করতে ভয় পায়। বর্তমানে যাকে ‘আন্তধর্ম সংলাপ’ বলা হয় একে তারা এক ধরনের পরাজয় বলে মনে করে। এটি ঠিক নয়। সাধারণত আন্তধর্ম সংলাপ অথবা সঠিক শব্দে বললে ধর্মীয় প্রতিনিধিদের পারস্পরিক আলোচনা চার ধরনের হতে পারে [চীনী, আল-ইসলাম ওয়াল-হিওয়ার।]:
সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ধর্মের শুদ্ধতার স্বীকৃতি সংক্রান্ত পারস্পরিক আলোচনা। এটি প্রচারধর্মী সকল ধর্মেই যেমন ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মে প্রত্যাখ্যানযোগ্য। এর মধ্যে সরাসরি উভয় ধর্মকে প্রচলনের সবধরণের যৌথ প্রচেষ্টাই অন্তর্ভুক্ত। যদিও তা হয় উভয় পক্ষের অনিচ্ছায়।
বাস্তবে এসব ধর্মের অস্তিত্ব সম্পর্কে, ধর্মীয় বিরোধ থেকে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে, এসব মতবিরোধ নিরসনের উপায়ে পৌঁছার জন্য যদ্বারা সবপক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যৌথ ব্যাপারগুলোতে ফলপ্রসূ সহযোগিতা বাস্তবায়িত হবে- সে বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা। ইসলাম এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। এর কারণ পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রত্যেক ধর্মের লোকের অন্যকে নিজ ধর্ম সম্পর্কে তা দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ বাস্তবায়নে সক্ষম সে বিষয়ে নিশ্চিত করার চেষ্টা। আমরা যদি সকল নবী-রাসূলের দাওয়াতী চেষ্টা সম্পর্কে চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাই দাওয়াতের উদ্যোগ ছিল মূলত এ ধরনের আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ। আর এটি সকল নবী-রাসূল এবং সত্যের প্রতি আহ্বানকারী সবার দায়িত্ব। সুতরাং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নানা ধর্মের প্রতিনিধি ও অনুসারীর সঙ্গে সংলাপ-আলোচনা মূলত প্রত্যেকের বিশ্বাসকে সত্য প্রমাণ করার এক দারুণ উপলক্ষ। এটি সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে অন্যের ধর্মের সত্যতা নিয়ে ভাবার চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে প্রাত্যহিক জীবনে চলমান বিভিন্ন লেনদেনের মাধ্যমে পারস্পরিক স্বতস্ফূর্ত আলোচনা। এতে উভয় পক্ষ ঐচ্ছিক বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাচনিক বা শারীরিক ভাষা ব্যবহার করেন।
সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ধর্মের শুদ্ধতার স্বীকৃতি সংক্রান্ত পারস্পরিক আলোচনা। এটি প্রচারধর্মী সকল ধর্মেই যেমন ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মে প্রত্যাখ্যানযোগ্য। এর মধ্যে সরাসরি উভয় ধর্মকে প্রচলনের সবধরণের যৌথ প্রচেষ্টাই অন্তর্ভুক্ত। যদিও তা হয় উভয় পক্ষের অনিচ্ছায়।
বাস্তবে এসব ধর্মের অস্তিত্ব সম্পর্কে, ধর্মীয় বিরোধ থেকে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে, এসব মতবিরোধ নিরসনের উপায়ে পৌঁছার জন্য যদ্বারা সবপক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং যৌথ ব্যাপারগুলোতে ফলপ্রসূ সহযোগিতা বাস্তবায়িত হবে- সে বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা। ইসলাম এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। এর কারণ পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রত্যেক ধর্মের লোকের অন্যকে নিজ ধর্ম সম্পর্কে তা দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ বাস্তবায়নে সক্ষম সে বিষয়ে নিশ্চিত করার চেষ্টা। আমরা যদি সকল নবী-রাসূলের দাওয়াতী চেষ্টা সম্পর্কে চিন্তা করি তাহলে দেখতে পাই দাওয়াতের উদ্যোগ ছিল মূলত এ ধরনের আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ। আর এটি সকল নবী-রাসূল এবং সত্যের প্রতি আহ্বানকারী সবার দায়িত্ব। সুতরাং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নানা ধর্মের প্রতিনিধি ও অনুসারীর সঙ্গে সংলাপ-আলোচনা মূলত প্রত্যেকের বিশ্বাসকে সত্য প্রমাণ করার এক দারুণ উপলক্ষ। এটি সংলাপে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে অন্যের ধর্মের সত্যতা নিয়ে ভাবার চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি করে।
বিভিন্ন ধর্মের লোকদের সঙ্গে প্রাত্যহিক জীবনে চলমান বিভিন্ন লেনদেনের মাধ্যমে পারস্পরিক স্বতস্ফূর্ত আলোচনা। এতে উভয় পক্ষ ঐচ্ছিক বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাচনিক বা শারীরিক ভাষা ব্যবহার করেন।