১
ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব
লেখকঃ ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
ইসলামী রাষ্ট্র কি ব্যাভিচারীর বেত্রাঘাত দণ্ড বাতিল করতে পারে?
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ٱلزَّانِيَةُ وَٱلزَّانِي ۡلِدُواْ كُلَّ وَٰحِدٖ مِّنۡهُمَا مِاْئَةَ جَلۡدَةٖۖ وَلَا تَأۡخُذۡكُم بِهِمَا رَأۡفَةٞ فِي دِينِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۖ وَلۡيَشۡهَدۡ عَذَابَهُمَا طَآئِفَةٞ مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ ٢﴾ [ النور : ٢ ]
“ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশ’টি করে বেত্রাঘাত কর। আর যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনে থাক তবে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে পেয়ে না বসে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের আযাব প্রত্যক্ষ করে”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ০২]
অতএব যখন কোনো ইসলামী রাষ্ট্র ব্যভিচারের দণ্ড কার্যকর করে তখন তা তার একটি দায়িত্বই পালন করে মাত্র। কোনো রাষ্ট্রের অধিকার নেই একটি জাতি বা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যে বিধান পালন করে, তা বাতিল করে দেয়।
আমরা যদি অনিয়ন্ত্রিত যৌন সম্পর্কের কুফল বিশ্লেষণ করি, তবে দেখতে পাই যে, তা নানাবিধ জটিল রোগের জন্ম দিচ্ছে এবং সমাজে বহুবিধ সমস্যার সৃষ্টি করছে। যেমন, গৃহহীন হওয়া, অপরাধচক্রে জড়িয়ে যাওয়া, ভ্রুণ হত্যার অপরাধে লিপ্ত হওয়া, দাম্পত্য কলহ ও পরিবারিক সম্পর্কচ্ছেদের ঘটনা বৃদ্ধি ইত্যাদি। এ জন্যই ইসলাম যৌন সম্পর্ককে শরী‘আতের বিবিধ শর্তের বেড়াজালে বেঁধে দিয়েছে, যা মানুষের জৈবিক চাহিদা পূর্ণ করবে ঠিক কিন্তু তার দায়-দায়িত্ব ও ফলাফল বহনের সঙ্গে। ফলে সমাজের ভারসাম্যে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না আবার অধিকারগুলোও থাকবে সুরক্ষিত। বিশেষত নিরীহ শিশুদের অধিকার, যারা কোনো প্রতিরোধ করতে পারে না। এতে করে মায়ের ওপর সব বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হবে না। শিশুরা তাদের দেখাশুনা এবং যত্ন করার লোকও পাবে। নারী-পুরুষ উভয়কে নিতে হবে দায়িত্ব। বাস্তবে যেমন দেখা যায়, পুরুষ এমনভাবে চলে যেন কিছুই ঘটেনি। সে তার দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ায়। তারপর দায়িত্ব যত গিয়ে পড়ে শুধু নারীর কোমল কাঁধে। অতএব যেসব সংগঠন, ঘোষণা ও আইন যৌন সম্পর্ক স্বাধীনতার প্রতি আহ্বান জানায় তারা মূলত পুরুষ কর্তৃক নারীদের সবচে মন্দ ব্যবহারেরই বৈধতার প্রবক্তা।
এমনকি গর্ভনিরোধক নানা পদ্ধতি অবলম্বনের পরও সমস্যা ভিন্নভাবে উপস্থিত হয়। আর তা হলো, নারীদের সহজাত মাতৃত্বের বাসনা অতৃপ্ত থেকে যায়। পৃথিবীতে মানবজীবনের চলার পথ কণ্টকাকীর্ণ হয় এবং এর ভারসাম্য বিনষ্ট হয়। এই ভারসাম্যে বিঘ্নেরই অংশ হিসেবে সমাজে বয়োবৃদ্ধের হার বৃদ্ধি পায়। এটি যেকোনো সমাজের জন্যই সামাজিক ও অর্থনৈতিক কুফল বয়ে আনে।
অনুরূপ মানুষের স্বভাব বিরুদ্ধ অবৈধ সম্পর্ক স্বভাব বিরুদ্ধতা হেতুই হত্যার মতো অপরাধ সংগঠনের পরিবেশ সৃষ্টি করে। আর নারীর অধিকার ও নিষ্পাপ শিশু, যাদের রয়েছে বাঁচার অধিকার- তাদের হক রক্ষার্থে এবং দায়িত্বহীন পুরুষরা যাতে যৌথ দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বাঁচতে না পারে সেজন্যই ইসলাম জৈবিক সম্পর্ক স্থাপনে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে।
﴿ٱلزَّانِيَةُ وَٱلزَّانِي ۡلِدُواْ كُلَّ وَٰحِدٖ مِّنۡهُمَا مِاْئَةَ جَلۡدَةٖۖ وَلَا تَأۡخُذۡكُم بِهِمَا رَأۡفَةٞ فِي دِينِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۖ وَلۡيَشۡهَدۡ عَذَابَهُمَا طَآئِفَةٞ مِّنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ ٢﴾ [ النور : ٢ ]
“ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশ’টি করে বেত্রাঘাত কর। আর যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনে থাক তবে আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে পেয়ে না বসে। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের আযাব প্রত্যক্ষ করে”। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ০২]
অতএব যখন কোনো ইসলামী রাষ্ট্র ব্যভিচারের দণ্ড কার্যকর করে তখন তা তার একটি দায়িত্বই পালন করে মাত্র। কোনো রাষ্ট্রের অধিকার নেই একটি জাতি বা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যে বিধান পালন করে, তা বাতিল করে দেয়।
আমরা যদি অনিয়ন্ত্রিত যৌন সম্পর্কের কুফল বিশ্লেষণ করি, তবে দেখতে পাই যে, তা নানাবিধ জটিল রোগের জন্ম দিচ্ছে এবং সমাজে বহুবিধ সমস্যার সৃষ্টি করছে। যেমন, গৃহহীন হওয়া, অপরাধচক্রে জড়িয়ে যাওয়া, ভ্রুণ হত্যার অপরাধে লিপ্ত হওয়া, দাম্পত্য কলহ ও পরিবারিক সম্পর্কচ্ছেদের ঘটনা বৃদ্ধি ইত্যাদি। এ জন্যই ইসলাম যৌন সম্পর্ককে শরী‘আতের বিবিধ শর্তের বেড়াজালে বেঁধে দিয়েছে, যা মানুষের জৈবিক চাহিদা পূর্ণ করবে ঠিক কিন্তু তার দায়-দায়িত্ব ও ফলাফল বহনের সঙ্গে। ফলে সমাজের ভারসাম্যে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না আবার অধিকারগুলোও থাকবে সুরক্ষিত। বিশেষত নিরীহ শিশুদের অধিকার, যারা কোনো প্রতিরোধ করতে পারে না। এতে করে মায়ের ওপর সব বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হবে না। শিশুরা তাদের দেখাশুনা এবং যত্ন করার লোকও পাবে। নারী-পুরুষ উভয়কে নিতে হবে দায়িত্ব। বাস্তবে যেমন দেখা যায়, পুরুষ এমনভাবে চলে যেন কিছুই ঘটেনি। সে তার দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ায়। তারপর দায়িত্ব যত গিয়ে পড়ে শুধু নারীর কোমল কাঁধে। অতএব যেসব সংগঠন, ঘোষণা ও আইন যৌন সম্পর্ক স্বাধীনতার প্রতি আহ্বান জানায় তারা মূলত পুরুষ কর্তৃক নারীদের সবচে মন্দ ব্যবহারেরই বৈধতার প্রবক্তা।
এমনকি গর্ভনিরোধক নানা পদ্ধতি অবলম্বনের পরও সমস্যা ভিন্নভাবে উপস্থিত হয়। আর তা হলো, নারীদের সহজাত মাতৃত্বের বাসনা অতৃপ্ত থেকে যায়। পৃথিবীতে মানবজীবনের চলার পথ কণ্টকাকীর্ণ হয় এবং এর ভারসাম্য বিনষ্ট হয়। এই ভারসাম্যে বিঘ্নেরই অংশ হিসেবে সমাজে বয়োবৃদ্ধের হার বৃদ্ধি পায়। এটি যেকোনো সমাজের জন্যই সামাজিক ও অর্থনৈতিক কুফল বয়ে আনে।
অনুরূপ মানুষের স্বভাব বিরুদ্ধ অবৈধ সম্পর্ক স্বভাব বিরুদ্ধতা হেতুই হত্যার মতো অপরাধ সংগঠনের পরিবেশ সৃষ্টি করে। আর নারীর অধিকার ও নিষ্পাপ শিশু, যাদের রয়েছে বাঁচার অধিকার- তাদের হক রক্ষার্থে এবং দায়িত্বহীন পুরুষরা যাতে যৌথ দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বাঁচতে না পারে সেজন্যই ইসলাম জৈবিক সম্পর্ক স্থাপনে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে।