১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
চতুর্থ: প্রবৃত্তির পূজারীদের সাথে যে ধরনের আচরণ করা দরকার তা পালন করা হতে বিরত থাকা:
যারা প্রবৃত্তির পূজা করে ঘুরে বেড়ায়, তাদের প্রতি সমাজের মানুষের একটি বড় দায়িত্ব হল, তারা তাদেরকে ভালো পথে আনার চেষ্টা করবে এবং বিপথগামী হতে রক্ষা করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাবে। কারণ, ভালো কাজের আদেশ ও খারাপ কাজ হতে নিষেধ করার দায়িত্ব পালনে অবহেলা মানুষকে প্রবৃত্তির পূজারি বানিয়ে দেয়। আর মানুষ যখন ভালো কাজের আদেশ ও খারাপ কাজ হতে নিষেধ করার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তখন প্রবৃত্তির পূজারী যারা তাদের শয়তানি, হঠকারিতা ও অপরাধ প্রবণতা আরও বহুগুণে বেড়ে যায়। তারা কোন অপরাধকে আর অপরাধ মনে করে না। যে কোন ধরনের অপরাধ করতে তারা কাউকে পরওয়া বা ভয় করে না। তারা অন্যায় অপরাধ করতে করতে তাদের স্বভাব নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি ধীরে ধীরে তাদের প্রবৃত্তি তাদের অন্তরে স্থান করে নেয় এবং তাদের চলা ফেরা ও যাবতীয় কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ তাদের প্রবৃত্তিই করতে থাকে। মানবিক কোন গুণ তাদের মধ্যে আর অবশিষ্ট থাকে না। তাদের মধ্যে পাশবিক চরিত্র ও জীব-জন্তুর চরিত্রই প্রভাব বিস্তার করে। এ কারণেই ইসলাম মানুষকে ভালো কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করা নির্দেশ দেন। আল্লাহ রাব্বূল আলামীন বলেন,
وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةٞ يَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَيۡرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ١٠٤ [ سورة العمران : 104 [.
“আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল হয়, যারা কল্যাণের প্রতি আহ্বান করবে, ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম”। [আল-ইমরান, আয়াত: ১০৪]
আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, সমাজে একটি জামাত থাকতে হবে যারা মানুষকে ভালো কাজের আদেশ ও খারাপ কাজ হতে বারণ করার দায়িত্ব পালন করে। আর যারা এ দায়িত্ব পালন করবে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারাই হল, সফল। সমাজে যখন এ ধরনের দায়িত্বশীল লোক থাকবে তখন সমাজিক অপরাধ কমে যাবে এবং প্রবৃত্তির অনুসারীরা ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে যাবে। তবে যারা মানুষকে ভালো কাজের দিকে আহ্বান করবে তাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কিভাবে তারা মানুষকে অন্যায় অনাচার থেকে ফিরাবে। শুধুমাত্র ক্ষমতার ডাণ্ডা দিয়ে মানুষকে থামিয়ে রাখা যায় না। মানুষের অন্তরে খারাপ বা বন্দ কাজের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করতে হবে। মানুষকে ওয়াজ নসিহত ও সুন্দর কথা বলে এবং উত্তম বিতর্ক দ্বারা বুঝাতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার মূলনীতি আলোচনা করে আল্লাহ রাব্বূল আলামীন আরও বলেন,
﴿ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ وَجَٰدِلۡهُم بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعۡلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعۡلَمُ بِٱلۡمُهۡتَدِينَ ١٢٥﴾ [ سورة النحل : 125 [.
“তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভাল করেই জানেন”। [সূরা নাহাল, আয়াত: ১২৫]
আল্লাহ রাব্বূল আলামীন আরও বলেন,
﴿أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُ ٱللَّهُ مَا فِي قُلُوبِهِمۡ فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُل لَّهُمۡ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ قَوۡلَۢا بَلِيغٗا ٦٣﴾ [ سورة النساء : 63 [.
ওরা হল সে সব লোক, যাদের অন্তরে কি আছে আল্লাহ তা জানেন। সুতরাং তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও এবং তাদেরকে সদুপদেশ দাও। আর তাদেরকে তাদের নিজদের ব্যাপারে মর্মস্পর্শী কথা বল। [সূরা নিসা, আয়াত: ৬৩]
আর যখন মানুষ অন্যায় ও অপরাধকে প্রতিহত করতে অভ্যস্ত হয়, তখন তাদের দ্বারা কোন প্রকার অন্যায় সংঘটিত হয় না এবং যারা প্রবৃত্তির পূজারী তাদের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায় না। আর তাদের চলার পথে কোন প্রকার হোঁচট খেতে হয় না।
وَلۡتَكُن مِّنكُمۡ أُمَّةٞ يَدۡعُونَ إِلَى ٱلۡخَيۡرِ وَيَأۡمُرُونَ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَيَنۡهَوۡنَ عَنِ ٱلۡمُنكَرِۚ وَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ١٠٤ [ سورة العمران : 104 [.
“আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল হয়, যারা কল্যাণের প্রতি আহ্বান করবে, ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম”। [আল-ইমরান, আয়াত: ১০৪]
আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, সমাজে একটি জামাত থাকতে হবে যারা মানুষকে ভালো কাজের আদেশ ও খারাপ কাজ হতে বারণ করার দায়িত্ব পালন করে। আর যারা এ দায়িত্ব পালন করবে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারাই হল, সফল। সমাজে যখন এ ধরনের দায়িত্বশীল লোক থাকবে তখন সমাজিক অপরাধ কমে যাবে এবং প্রবৃত্তির অনুসারীরা ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে যাবে। তবে যারা মানুষকে ভালো কাজের দিকে আহ্বান করবে তাদের জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কিভাবে তারা মানুষকে অন্যায় অনাচার থেকে ফিরাবে। শুধুমাত্র ক্ষমতার ডাণ্ডা দিয়ে মানুষকে থামিয়ে রাখা যায় না। মানুষের অন্তরে খারাপ বা বন্দ কাজের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করতে হবে। মানুষকে ওয়াজ নসিহত ও সুন্দর কথা বলে এবং উত্তম বিতর্ক দ্বারা বুঝাতে হবে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ হতে নিষেধ করার মূলনীতি আলোচনা করে আল্লাহ রাব্বূল আলামীন আরও বলেন,
﴿ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ وَجَٰدِلۡهُم بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعۡلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعۡلَمُ بِٱلۡمُهۡتَدِينَ ١٢٥﴾ [ سورة النحل : 125 [.
“তুমি তোমরা রবের পথে হিকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে আহ্বান কর এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সাথে বিতর্ক কর। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভাল করেই জানেন”। [সূরা নাহাল, আয়াত: ১২৫]
আল্লাহ রাব্বূল আলামীন আরও বলেন,
﴿أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَعۡلَمُ ٱللَّهُ مَا فِي قُلُوبِهِمۡ فَأَعۡرِضۡ عَنۡهُمۡ وَعِظۡهُمۡ وَقُل لَّهُمۡ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ قَوۡلَۢا بَلِيغٗا ٦٣﴾ [ سورة النساء : 63 [.
ওরা হল সে সব লোক, যাদের অন্তরে কি আছে আল্লাহ তা জানেন। সুতরাং তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও এবং তাদেরকে সদুপদেশ দাও। আর তাদেরকে তাদের নিজদের ব্যাপারে মর্মস্পর্শী কথা বল। [সূরা নিসা, আয়াত: ৬৩]
আর যখন মানুষ অন্যায় ও অপরাধকে প্রতিহত করতে অভ্যস্ত হয়, তখন তাদের দ্বারা কোন প্রকার অন্যায় সংঘটিত হয় না এবং যারা প্রবৃত্তির পূজারী তাদের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায় না। আর তাদের চলার পথে কোন প্রকার হোঁচট খেতে হয় না।