১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
প্রবৃত্তির বিরোধিতা দ্বারা জান্নাত লাভ হয়:
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿ فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧ وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا ٣٨ فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٣٩ وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ ٤٠ فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٤١ ﴾ [ سورة النازعات : 37-41 [.
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়, নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল। আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে, নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল। [সূরা আন-নাযেয়াত, আয়াত: ৩৭-৪১]
যে ব্যক্তি নফসের বিরোধিতা করে এবং প্রবৃত্তির চাহিদাকে প্রতিহত করতে গিয়ে ধৈর্য ধারণ করে, কিয়ামতের দিন তাকে উত্তম বিনিময় দেয়া হবে। তাদের জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে এবং জান্নাতে তাদের দেয়া হবে সুন্দর ও আনন্দদায়ক জীবন। আর তা হল, তারা যে দুনিয়াতে ধৈর্য ধারণ করেছিল তার বিনিময়। আল্লাহ রাব্বূল আলামীন বলেন,
﴿ وَجَزَىٰهُم بِمَا صَبَرُواْ جَنَّةٗ وَحَرِيرٗا ١٢ ﴾ [ سورة الإنسان : 12 [.
“আর তারা যে ধৈর্যধারণ করেছিল তার পরিণামে তিনি তাদেরকে জান্নাত ও রেশমী বস্ত্রের পুরস্কার প্রদান করবেন”। [সূরা আল-ইনসান, আয়াত: ১২]
আবু সুলাইমান আদ-দারানী রহ. বলেন, অর্থাৎ, তারা তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ না করে, ধৈর্য ধারণ করে।
وَآفَةُ العَقْلِ الهَوَى فَمَنْ عَلَا
عَلَى هَوَاهُ عَقْلُه فَقَدْ نَجَا
একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধির জন্য বড় বিপদ হল, তার প্রবৃত্তি। যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তির উপর বিজয়ী হবে, কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ পরিণতি হতে নাজাত লাভ:
﴿ فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧ وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا ٣٨ فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٣٩ وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ ٤٠ فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٤١ ﴾ [ سورة النازعات : 37-41 [.
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়, নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল। আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে, নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল। [সূরা আন-নাযেয়াত, আয়াত: ৩৭-৪১]
যে ব্যক্তি নফসের বিরোধিতা করে এবং প্রবৃত্তির চাহিদাকে প্রতিহত করতে গিয়ে ধৈর্য ধারণ করে, কিয়ামতের দিন তাকে উত্তম বিনিময় দেয়া হবে। তাদের জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে এবং জান্নাতে তাদের দেয়া হবে সুন্দর ও আনন্দদায়ক জীবন। আর তা হল, তারা যে দুনিয়াতে ধৈর্য ধারণ করেছিল তার বিনিময়। আল্লাহ রাব্বূল আলামীন বলেন,
﴿ وَجَزَىٰهُم بِمَا صَبَرُواْ جَنَّةٗ وَحَرِيرٗا ١٢ ﴾ [ سورة الإنسان : 12 [.
“আর তারা যে ধৈর্যধারণ করেছিল তার পরিণামে তিনি তাদেরকে জান্নাত ও রেশমী বস্ত্রের পুরস্কার প্রদান করবেন”। [সূরা আল-ইনসান, আয়াত: ১২]
আবু সুলাইমান আদ-দারানী রহ. বলেন, অর্থাৎ, তারা তাদের প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ না করে, ধৈর্য ধারণ করে।
وَآفَةُ العَقْلِ الهَوَى فَمَنْ عَلَا
عَلَى هَوَاهُ عَقْلُه فَقَدْ نَجَا
একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধির জন্য বড় বিপদ হল, তার প্রবৃত্তি। যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তির উপর বিজয়ী হবে, কিয়ামত দিবসের ভয়াবহ পরিণতি হতে নাজাত লাভ: