১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
কখনো সময় প্রবৃত্তির অনুসরণ হতে নিষেধ করার সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়:
যেমন, আল্লাহ রাব্বূল আলামীন বলেন,
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُونُواْ قَوَّٰمِينَ بِٱلۡقِسۡطِ شُهَدَآءَ لِلَّهِ وَلَوۡ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمۡ أَوِ ٱلۡوَٰلِدَيۡنِ وَٱلۡأَقۡرَبِينَۚ إِن يَكُنۡ غَنِيًّا أَوۡ فَقِيرٗا فَٱللَّهُ أَوۡلَىٰ بِهِمَاۖ فَلَا تَتَّبِعُواْ ٱلۡهَوَىٰٓ أَن تَعۡدِلُواْۚ وَإِن تَلۡوُۥٓاْ أَوۡ تُعۡرِضُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا ١٣٥﴾
[ سورة النساء :135 [.
হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে- পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা এড়িয়ে যাও তবে আল্লাহ তোমরা যা কর সে বিষয়ে সম্যক অবগত। [সূরা নিসা, আয়াত: ১৩৫] আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরও বলেন,
﴿ يَٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلۡنَٰكَ خَلِيفَةٗ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱحۡكُم بَيۡنَ ٱلنَّاسِ بِٱلۡحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلۡهَوَىٰ فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُمۡ عَذَابٞ شَدِيدُۢ بِمَا نَسُواْ يَوۡمَ ٱلۡحِسَابِ ٢٦ ﴾ [ سورة ص : 26[.
(হে দাঊদ), নিশ্চয় আমি তোমাকে যমীনে খলীফা বানিয়েছি, অতএব তুমি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার কর আর প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয় তাদের জন্য কঠিন আযাব রয়েছে। কারণ তারা হিসাব দিবসকে ভুলে গিয়েছিল। [সূরা সাদ, আয়াত: ২৬]
উল্লেখিত আয়াতদ্বয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানবজাতিকে সম্বোধন করে বলেন, তোমরা তোমাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। তোমরা মানুষের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কর। প্রবৃত্তির অনুসরণ করে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ করা হতে বিরত থেকো না। যারা ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হতে বিরত থাকে তারা আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং গোমরাহ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর যারা গোমরাহ হবে তাদের আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কঠিন শাস্তি দেবেন। তাদের শাস্তি দেয়ার কারণ হিসেবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, তারা আখেরাত সম্পর্কে ভূলে গিয়েছিল, তাই তাদের শাস্তি অবধারিত হয়েছে।
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُونُواْ قَوَّٰمِينَ بِٱلۡقِسۡطِ شُهَدَآءَ لِلَّهِ وَلَوۡ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمۡ أَوِ ٱلۡوَٰلِدَيۡنِ وَٱلۡأَقۡرَبِينَۚ إِن يَكُنۡ غَنِيًّا أَوۡ فَقِيرٗا فَٱللَّهُ أَوۡلَىٰ بِهِمَاۖ فَلَا تَتَّبِعُواْ ٱلۡهَوَىٰٓ أَن تَعۡدِلُواْۚ وَإِن تَلۡوُۥٓاْ أَوۡ تُعۡرِضُواْ فَإِنَّ ٱللَّهَ كَانَ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٗا ١٣٥﴾
[ سورة النساء :135 [.
হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে- পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা এড়িয়ে যাও তবে আল্লাহ তোমরা যা কর সে বিষয়ে সম্যক অবগত। [সূরা নিসা, আয়াত: ১৩৫] আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরও বলেন,
﴿ يَٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلۡنَٰكَ خَلِيفَةٗ فِي ٱلۡأَرۡضِ فَٱحۡكُم بَيۡنَ ٱلنَّاسِ بِٱلۡحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلۡهَوَىٰ فَيُضِلَّكَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَضِلُّونَ عَن سَبِيلِ ٱللَّهِ لَهُمۡ عَذَابٞ شَدِيدُۢ بِمَا نَسُواْ يَوۡمَ ٱلۡحِسَابِ ٢٦ ﴾ [ سورة ص : 26[.
(হে দাঊদ), নিশ্চয় আমি তোমাকে যমীনে খলীফা বানিয়েছি, অতএব তুমি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার কর আর প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয় তাদের জন্য কঠিন আযাব রয়েছে। কারণ তারা হিসাব দিবসকে ভুলে গিয়েছিল। [সূরা সাদ, আয়াত: ২৬]
উল্লেখিত আয়াতদ্বয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানবজাতিকে সম্বোধন করে বলেন, তোমরা তোমাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। তোমরা মানুষের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কর। প্রবৃত্তির অনুসরণ করে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ করা হতে বিরত থেকো না। যারা ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা হতে বিরত থাকে তারা আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত হয়ে পড়ে এবং গোমরাহ লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর যারা গোমরাহ হবে তাদের আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কঠিন শাস্তি দেবেন। তাদের শাস্তি দেয়ার কারণ হিসেবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, তারা আখেরাত সম্পর্কে ভূলে গিয়েছিল, তাই তাদের শাস্তি অবধারিত হয়েছে।