১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
প্রবৃত্তি ধ্বংসাত্মক বিষয় সমূহের একটি:
প্রবৃত্তি মানুষকে ধ্বংস করে তার জীবনকে কুলসিত করে। যারা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে তাদের ধ্বংস নিশ্চিত। এ জন্য রাসূল সা. প্রবৃত্তিকে ধ্বংসাত্মক বিষয় বলে আখ্যায়িত করেন। আনাস রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« ثَلَاثٌ مُهْلِكَاتٌ شُحٌّ مُطَاعٌ، وَهَوىً مُتَّبَعٌ، وَإِعْجَابُ المَرْءِ بِنَفْسِهِ »
“তিনটি জিনিষ মানুষকে নিশ্চিত ধ্বংস করে- এক-কৃপণতা যার অনুকরণ করা হয়। দুই- নফসের চাহিদা যার অনুকরণ করা হয়। তিন-মানুষ যখন তার নিজের বিষয়ে অধিক খুশি বা উদাসীন হয়”।
ওহাব ইব্ন মুনাব্বেহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, দ্বীনের উপর চলার জন্য সবচেয়ে অধিক উপকারী বস্তু হল, দুনিয়া হতে বিমুখ থাকা। আর দ্বীনের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক হল, প্রবৃত্তির অনুসরণ করা। আর প্রবৃত্তির অনুসরণ বলতে যা বুঝায়, তা হল, ধন-সম্পদ ও পার্থিব ইজ্জত লাভের আকাঙ্ক্ষা করা। আর মালের মহব্বতের বহি:প্রকাশ হল, হারামকে হালাল করা। আর যে বান্দা হারামকে হালাল করে তার উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ক্ষুব্ধ হয়। আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের ক্ষোভ এমন একটি রোগ এর কোন ঔষধ নাই একমাত্র আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের সন্তুষ্টি ছাড়া। আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের সন্তুষ্টি এমন একটি প্রতিষেধক কোন রোগ তার কাছে আসতেই পারে না। আর যে ব্যক্তি তার প্রভুর সন্তুষ্টি কামনা করে, সে অবশ্যই তার নফসকে নাখোশ করে। যখন কোন ব্যক্তি দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করে ছেড়ে দেয়, হতে পারে এমন একটি দিন আসবে সেদিন তার মধ্যে দ্বীনের কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। [দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করা একজন বান্দার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। যখন কোন বান্দা দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করে, তখন সে তা করতে চায়না। এভাবে যখন সে দ্বীনের একটি কাজকে ছেড়ে দেয়, তখন সে আরো অনেক আমল ছেড়ে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে সে দ্বীন হতে দূরে সরে যায়। আর যখন কোন বান্দা দ্বীন হতে দূরে সরে যায়, তখন তার মধ্যে কুফরী ও বদ্বীন স্থান করে নেয়।
« ثَلَاثٌ مُهْلِكَاتٌ شُحٌّ مُطَاعٌ، وَهَوىً مُتَّبَعٌ، وَإِعْجَابُ المَرْءِ بِنَفْسِهِ »
“তিনটি জিনিষ মানুষকে নিশ্চিত ধ্বংস করে- এক-কৃপণতা যার অনুকরণ করা হয়। দুই- নফসের চাহিদা যার অনুকরণ করা হয়। তিন-মানুষ যখন তার নিজের বিষয়ে অধিক খুশি বা উদাসীন হয়”।
ওহাব ইব্ন মুনাব্বেহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, দ্বীনের উপর চলার জন্য সবচেয়ে অধিক উপকারী বস্তু হল, দুনিয়া হতে বিমুখ থাকা। আর দ্বীনের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক হল, প্রবৃত্তির অনুসরণ করা। আর প্রবৃত্তির অনুসরণ বলতে যা বুঝায়, তা হল, ধন-সম্পদ ও পার্থিব ইজ্জত লাভের আকাঙ্ক্ষা করা। আর মালের মহব্বতের বহি:প্রকাশ হল, হারামকে হালাল করা। আর যে বান্দা হারামকে হালাল করে তার উপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ক্ষুব্ধ হয়। আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের ক্ষোভ এমন একটি রোগ এর কোন ঔষধ নাই একমাত্র আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের সন্তুষ্টি ছাড়া। আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের সন্তুষ্টি এমন একটি প্রতিষেধক কোন রোগ তার কাছে আসতেই পারে না। আর যে ব্যক্তি তার প্রভুর সন্তুষ্টি কামনা করে, সে অবশ্যই তার নফসকে নাখোশ করে। যখন কোন ব্যক্তি দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করে ছেড়ে দেয়, হতে পারে এমন একটি দিন আসবে সেদিন তার মধ্যে দ্বীনের কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। [দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করা একজন বান্দার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। যখন কোন বান্দা দ্বীনের কোন কাজকে কঠিন মনে করে, তখন সে তা করতে চায়না। এভাবে যখন সে দ্বীনের একটি কাজকে ছেড়ে দেয়, তখন সে আরো অনেক আমল ছেড়ে দেয়। তারপর ধীরে ধীরে সে দ্বীন হতে দূরে সরে যায়। আর যখন কোন বান্দা দ্বীন হতে দূরে সরে যায়, তখন তার মধ্যে কুফরী ও বদ্বীন স্থান করে নেয়।