১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
আবার কখনো সময় অন্তরের দিকে নিসবত করে প্রবৃত্তির নিন্দা করে বিভিন্ন প্রমাণাদি আবর্তিত:
যেমন- হুযাইফা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,
« تُعْرَضُ الفِتنَُ عَلَى القُلُوبِ كَالحَصِيرِ عُوداً عُوداً، فَأَيّ قَلْبٍ أُشْرِبَهَا نُكِتَ فِيهِ نُكْتةٌ سَوْدَاءُ، وَأَيُّ قَلْبٍ أَنْكَرَهَا نُكتَِ فيِهِ نُكْتةٌ بَيْضَاءُ، حَتىَّ تَصِيرَ عَلَى قَلْبَيْنِ : عَلَى أَبْيَضَ مِثلِْ الصَّفَا، فَلَا تَضرُّهُ فتِنْةٌ مَا دَامَتِ السَّمَاوَاتُ وَالأَرْضُ، وَالآخَرُ أَسْوَدُ مُرْبَادّاً كَالكُوزِ مُجَخِّياً، لَا يَعْرِفُ مَعْرُوفاً وَلَا يُنْكرُ مُنكْراً إِلَّا مَا أُشْرِبَ مِنْ هَوَا هَ »
মানবাত্মার উপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা-ফাসাদ এমনভাবে গেঁথে দেয়া হবে, যেমনভাবে চাটাইতে একটির পর একটি করে পাতা গেঁথে দেয়া হয়। কোন অন্তরে যখন ফিতনা অনুপ্রবেশ করে, তখন তার অন্তরের মধ্যে কালো একটি দাগ পড়ে যায়। আর যখন কোন অন্তর ফিতনাকে গ্রহণ না করে, তখন তার অন্তরে একটি সাদা দাগ দেয়া হয়। সর্বশেষ মানবাত্মা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক- ধবধবে সাদা অন্তর, যা ধবধবে সাদা পাথরের মত। যতদিন পর্যন্ত আসমান যমীন স্বীয় স্থানে বহাল থাকবে কোন প্রকার ফিতনা-ফাসাদ তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। এখানে প্রবৃত্তিকে অন্তরের দিক নিসবত করা হয়েছে [মুসলিম: ১৪৪]।
অর্থাৎ এ হাদিসে মানুষের খারাপ আমল ও ভালো আমলের চালক হিসেবে অন্তরকে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মানুষের ভালো বা খারাপ আমলের উদ্রেক প্রথমে অন্তরেই হয়ে থাকে। যখন একজন মানুষ তার অন্তরে ভালো কাজকে স্থান দেবে তখন সে হবে সফল। আর যখন মানুষ তার অন্তরে খারাপ বা মন্দ আমলকে স্থান দেবে তখন সে হবে অক্ষম বা দূর্বল।
« تُعْرَضُ الفِتنَُ عَلَى القُلُوبِ كَالحَصِيرِ عُوداً عُوداً، فَأَيّ قَلْبٍ أُشْرِبَهَا نُكِتَ فِيهِ نُكْتةٌ سَوْدَاءُ، وَأَيُّ قَلْبٍ أَنْكَرَهَا نُكتَِ فيِهِ نُكْتةٌ بَيْضَاءُ، حَتىَّ تَصِيرَ عَلَى قَلْبَيْنِ : عَلَى أَبْيَضَ مِثلِْ الصَّفَا، فَلَا تَضرُّهُ فتِنْةٌ مَا دَامَتِ السَّمَاوَاتُ وَالأَرْضُ، وَالآخَرُ أَسْوَدُ مُرْبَادّاً كَالكُوزِ مُجَخِّياً، لَا يَعْرِفُ مَعْرُوفاً وَلَا يُنْكرُ مُنكْراً إِلَّا مَا أُشْرِبَ مِنْ هَوَا هَ »
মানবাত্মার উপর বিভিন্ন ধরনের ফিতনা-ফাসাদ এমনভাবে গেঁথে দেয়া হবে, যেমনভাবে চাটাইতে একটির পর একটি করে পাতা গেঁথে দেয়া হয়। কোন অন্তরে যখন ফিতনা অনুপ্রবেশ করে, তখন তার অন্তরের মধ্যে কালো একটি দাগ পড়ে যায়। আর যখন কোন অন্তর ফিতনাকে গ্রহণ না করে, তখন তার অন্তরে একটি সাদা দাগ দেয়া হয়। সর্বশেষ মানবাত্মা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক- ধবধবে সাদা অন্তর, যা ধবধবে সাদা পাথরের মত। যতদিন পর্যন্ত আসমান যমীন স্বীয় স্থানে বহাল থাকবে কোন প্রকার ফিতনা-ফাসাদ তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। এখানে প্রবৃত্তিকে অন্তরের দিক নিসবত করা হয়েছে [মুসলিম: ১৪৪]।
অর্থাৎ এ হাদিসে মানুষের খারাপ আমল ও ভালো আমলের চালক হিসেবে অন্তরকে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মানুষের ভালো বা খারাপ আমলের উদ্রেক প্রথমে অন্তরেই হয়ে থাকে। যখন একজন মানুষ তার অন্তরে ভালো কাজকে স্থান দেবে তখন সে হবে সফল। আর যখন মানুষ তার অন্তরে খারাপ বা মন্দ আমলকে স্থান দেবে তখন সে হবে অক্ষম বা দূর্বল।