১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
প্রবৃত্তির অনুকরণ জ্ঞান-বুদ্ধি হারা হওয়ার কারণ:
মানুষ যখন তার প্রবৃত্তির পুজা করে, তখন সে জ্ঞান-বুদ্ধি হারা হয়। তার জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পেতে থাকে।
মুতাছিম বিল্লাহ একসময় আবি ইসহাক আল মুসিলিকে বলেছিলেন, হে আবু ইসহাক যখন কোন ব্যক্তি তার প্রবৃত্তিকে সহযোগিতা করে, তখন তার চিন্তা, ফিকির ও বুদ্ধি লোপ পায়।
[প্রবৃত্তিকে সহযোগীতা করার অর্থ হল প্রবৃত্তির চাহিদা অনুযায়ী চলা। মন যা চায় তা করা এবং মনে বিরোধিাত না করা। আর মানুষ যখন তার মনে যা চায় তা করে তখন তার জ্ঞান বুদ্ধি লোপ পাবে এবং ধীরে ধীরে সে জ্ঞান শূন্য হবে।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম রহ. বলেন, আমার শাইখ ইব্ন তাইমিয়্যাহ রহ. কে বলতে শুনেছি- যখন কোন ব্যক্তি টাকা পয়সা নগদ পরিশোধ করতে খেয়ানত করে, আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তার থেকে আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের মারেফাতকে চিনিয়ে নেয়, অথবা আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তাকে ভুলে যায়। এ কথা শোনে আমার শেখ তাকে বলল, অনুরূপ পরিণতি তাদের হবে যারা শরীয়তের মাসলা-মাসায়েল বিষয়ে আল্লাহ রাব্বূল আলামীন ও তার রাসূলের খিয়ানত করে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তার রাসূলের খেয়ানত হল, আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশ নিষেধের খেয়ানত করা এবং আল্লাহ ও তার রাসূল যে সব কথা বলে নাই বা কোন কাজকে তারা আমাদের করা বা বর্জন করার নির্দেশ দেন নাই, আমরা যদি এমন কোন কথা বা কাজ আমাদের নিজের থেকে বলে তাদের কথা বলে চালিয়ে দেই বা আমাদের নিজেদের কোন কর্ম ও প্রণীত বিধানকে আল্লাহ ও রাসূলের কর্ম ও বিধান বলে চালিয়ে দেই, তবে তাকেই খিয়ানত বলা হয়। [এ ধরনের খিয়ানত খুবই মারাত্মক। যারা এ ধরনের খিয়ানত করে তাদের মত বড় জালিম দুনিয়াতে আর কেউ হতে পারে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের বড় জালিম বলে আখ্যায়িত করেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় বাণীতে এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যারোপ করল সে যেন আখেরাতের জীবনে তার ঠিকানা হিসেবে জাহান্নামকে বেছে নেয়। সুতরাং, এ ধরনের খিয়ানত থেকে আমাদের সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে।]
ইসলামী শরীয়ত বিষয়ে যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তার ইলম ও জ্ঞানকে ছিনিয়ে নেবে। লোকটি ঈমান থেকে এমন ভাবে বের হয়ে আসবে সে টেরও পাবেনা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ ধরনের লোকের দৃষ্টান্ত দিয়ে তাঁর রাসূলকে বলেন,
﴿ وَٱتۡلُ عَلَيۡهِمۡ نَبَأَ ٱلَّذِيٓ ءَاتَيۡنَٰهُ ءَايَٰتِنَا فَٱنسَلَخَ مِنۡهَا فَأَتۡبَعَهُ ٱلشَّيۡطَٰنُ فَكَانَ مِنَ ٱلۡغَاوِينَ ١٧٥ وَلَوۡ شِئۡنَالَرَفَعۡنَٰهُ بِهَا وَلَٰكِنَّهُۥٓ أَخۡلَدَ إِلَى ٱلۡأَرۡضِ وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُۚ فَمَثَلُهُۥ كَمَثَلِ ٱلۡكَلۡبِ إِن تَحۡمِلۡ عَلَيۡهِ يَلۡهَثۡ أَوۡ تَتۡرُكۡهُ يَلۡهَثۚ ذَّٰلِكَ مَثَلُ ٱلۡقَوۡمِ ٱلَّذِينَ كَذَّبُواْ بَِٔايَٰتِنَاۚ فَٱقۡصُصِ ٱلۡقَصَصَ لَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ١٧٦﴾ [ سورة الأعراف : 175-176 [.
“আর তুমি তাদের উপর সে ব্যক্তির সংবাদ পাঠ কর, যাকে আমি আমার আয়াতসমূহ দিয়েছিলাম। অতঃপর সে তা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং শয়তান তার পেছনে লেগেছিল। ফলে সে বিপথগামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল। আর আমি ইচ্ছা করলে উক্ত নিদর্শনাবলীর মাধ্যমে তাকে অবশ্যই উচ্চ মর্যাদা দিতাম, কিন্তু সে পৃথিবীর প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। সুতরাং তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে কুকুরের মত। যদি তার উপর বোঝা চাপিয়ে দাও তাহলে সে জিহ্বা বের করে হাঁপাবে অথবা যদি তাকে ছেড়ে দাও তাহলেও সে জিহ্বা বের করে হাঁপাবে। এটি হচ্ছে সে কওমের দৃষ্টান্ত যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে। অতএব তুমি কাহিনী বর্ণনা কর, যাতে তারা চিন্তা করে”। [আল-আরাফ, আয়াত: ১৭৫-১৭৬]
[আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বনী ইসলাঈলের একজন লোকের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন। আল্লাহ তাকে তার আয়াতসমূহের জ্ঞান দান করেছিল। কিন্তু সে আল্লাহর দেয়া জ্ঞান কাজে লাগাতে পারেনি। সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। শয়তানের ধোকায় পড়ে সে আল্লাহর স্মরণ হতে গাফেল হয়ে যায় এবং পার্থিব জগতের প্রতি সে ঝুঁকে পড়ে। আল্লাহ তা’আলা তার সম্পর্কে বলেন, তার দৃষ্টান্ত হল, কুকুরের মত। যে কুকুর ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে জিহবা বের করে হাপাতে থাকে। আল্লাহ তা’আলা তার রাসূলকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, আপনি আপনার কওমদের নিকট এ ঘটনা বর্ণনা করেন। যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ না করে। আর সামান্য পার্থিব সুবিধা হাসিলের জন্য তারা যাতে আল্লাহর আয়াতসমূহের বিরোধিতা না করে।]
কতক আলেমগণ বলেন, চারটি জিনিষের মধ্যে কুফরি নিহিত থাকে। এক- অতিরিক্ত রাগ, দুই-প্রবৃত্তি, তিন- অধিক আগ্রহ, চার-ভীতি। আর আমি নিজেই এ চারটির পরিণতি স্বচক্ষে দেখেছি। আমি দেখলাম এক ব্যক্তি খুব রাগান্বিত হল, অতঃপর সে তার মাকে হত্যা করল। আর এক ব্যক্তি একজন মেয়ের প্রেমে পড়ে খৃষ্টান হয়ে গেল। কারণ, তার প্রতি তার আগ্রহ এত প্রবল ছিল, সে তার ঈমান আমল সবকিছু ভূলে গেল।
এক লোক বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করা অবস্থায় একজন সুন্দর নারীকে দেখে তার পাশে গিয়ে তাওয়াফ করতে আরম্ভ করে। তারপর সে বলল,
أَْهَوى هَوى الدِّينِ وَاللَّذَّاتُ تُعْجِبُنيِ
فَكيْفَ لِي بهَوَى اللَّذَّاتِ وَالدِّينِ
“আমি দ্বীনকে মহব্বত করি। কিন্তু প্রবৃত্তির সাধ আমাকে অভিভুত করল। আমি বুঝতে পারছিনা প্রবৃত্তির সাধ আর দ্বীনের সাধ হতে কোনটিকে প্রাধান্য দেব”।
তার কথা শোনে রমণীটি বলল, তুমি যে কোন একটি ছাড়, তাহলে অপরটি অবশ্যই পাবে। প্রবৃত্তি ও দ্বীন একসাথে একত্র করতে পারবে না।
[যার প্রবৃত্তি মানুষের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার করে, তার কাছে আল্লাহর ঘরও তুচ্ছ হয়ে যায়। সে আল্লাহর ঘরের সামনে গিয়েও অপকর্ম করতে দ্বিধাবোধ করে না।] আল্লাহ আমাদের এ ধরনের পরিণতি হতে হেফাজত করুন! আমীন!
মুতাছিম বিল্লাহ একসময় আবি ইসহাক আল মুসিলিকে বলেছিলেন, হে আবু ইসহাক যখন কোন ব্যক্তি তার প্রবৃত্তিকে সহযোগিতা করে, তখন তার চিন্তা, ফিকির ও বুদ্ধি লোপ পায়।
[প্রবৃত্তিকে সহযোগীতা করার অর্থ হল প্রবৃত্তির চাহিদা অনুযায়ী চলা। মন যা চায় তা করা এবং মনে বিরোধিাত না করা। আর মানুষ যখন তার মনে যা চায় তা করে তখন তার জ্ঞান বুদ্ধি লোপ পাবে এবং ধীরে ধীরে সে জ্ঞান শূন্য হবে।]
আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম রহ. বলেন, আমার শাইখ ইব্ন তাইমিয়্যাহ রহ. কে বলতে শুনেছি- যখন কোন ব্যক্তি টাকা পয়সা নগদ পরিশোধ করতে খেয়ানত করে, আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তার থেকে আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের মারেফাতকে চিনিয়ে নেয়, অথবা আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তাকে ভুলে যায়। এ কথা শোনে আমার শেখ তাকে বলল, অনুরূপ পরিণতি তাদের হবে যারা শরীয়তের মাসলা-মাসায়েল বিষয়ে আল্লাহ রাব্বূল আলামীন ও তার রাসূলের খিয়ানত করে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তার রাসূলের খেয়ানত হল, আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশ নিষেধের খেয়ানত করা এবং আল্লাহ ও তার রাসূল যে সব কথা বলে নাই বা কোন কাজকে তারা আমাদের করা বা বর্জন করার নির্দেশ দেন নাই, আমরা যদি এমন কোন কথা বা কাজ আমাদের নিজের থেকে বলে তাদের কথা বলে চালিয়ে দেই বা আমাদের নিজেদের কোন কর্ম ও প্রণীত বিধানকে আল্লাহ ও রাসূলের কর্ম ও বিধান বলে চালিয়ে দেই, তবে তাকেই খিয়ানত বলা হয়। [এ ধরনের খিয়ানত খুবই মারাত্মক। যারা এ ধরনের খিয়ানত করে তাদের মত বড় জালিম দুনিয়াতে আর কেউ হতে পারে না। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের বড় জালিম বলে আখ্যায়িত করেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় বাণীতে এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যারোপ করল সে যেন আখেরাতের জীবনে তার ঠিকানা হিসেবে জাহান্নামকে বেছে নেয়। সুতরাং, এ ধরনের খিয়ানত থেকে আমাদের সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে।]
ইসলামী শরীয়ত বিষয়ে যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, আল্লাহ রাব্বূল আলামীন তার ইলম ও জ্ঞানকে ছিনিয়ে নেবে। লোকটি ঈমান থেকে এমন ভাবে বের হয়ে আসবে সে টেরও পাবেনা। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এ ধরনের লোকের দৃষ্টান্ত দিয়ে তাঁর রাসূলকে বলেন,
﴿ وَٱتۡلُ عَلَيۡهِمۡ نَبَأَ ٱلَّذِيٓ ءَاتَيۡنَٰهُ ءَايَٰتِنَا فَٱنسَلَخَ مِنۡهَا فَأَتۡبَعَهُ ٱلشَّيۡطَٰنُ فَكَانَ مِنَ ٱلۡغَاوِينَ ١٧٥ وَلَوۡ شِئۡنَالَرَفَعۡنَٰهُ بِهَا وَلَٰكِنَّهُۥٓ أَخۡلَدَ إِلَى ٱلۡأَرۡضِ وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُۚ فَمَثَلُهُۥ كَمَثَلِ ٱلۡكَلۡبِ إِن تَحۡمِلۡ عَلَيۡهِ يَلۡهَثۡ أَوۡ تَتۡرُكۡهُ يَلۡهَثۚ ذَّٰلِكَ مَثَلُ ٱلۡقَوۡمِ ٱلَّذِينَ كَذَّبُواْ بَِٔايَٰتِنَاۚ فَٱقۡصُصِ ٱلۡقَصَصَ لَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ ١٧٦﴾ [ سورة الأعراف : 175-176 [.
“আর তুমি তাদের উপর সে ব্যক্তির সংবাদ পাঠ কর, যাকে আমি আমার আয়াতসমূহ দিয়েছিলাম। অতঃপর সে তা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল এবং শয়তান তার পেছনে লেগেছিল। ফলে সে বিপথগামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল। আর আমি ইচ্ছা করলে উক্ত নিদর্শনাবলীর মাধ্যমে তাকে অবশ্যই উচ্চ মর্যাদা দিতাম, কিন্তু সে পৃথিবীর প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। সুতরাং তার দৃষ্টান্ত হচ্ছে কুকুরের মত। যদি তার উপর বোঝা চাপিয়ে দাও তাহলে সে জিহ্বা বের করে হাঁপাবে অথবা যদি তাকে ছেড়ে দাও তাহলেও সে জিহ্বা বের করে হাঁপাবে। এটি হচ্ছে সে কওমের দৃষ্টান্ত যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছে। অতএব তুমি কাহিনী বর্ণনা কর, যাতে তারা চিন্তা করে”। [আল-আরাফ, আয়াত: ১৭৫-১৭৬]
[আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বনী ইসলাঈলের একজন লোকের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন। আল্লাহ তাকে তার আয়াতসমূহের জ্ঞান দান করেছিল। কিন্তু সে আল্লাহর দেয়া জ্ঞান কাজে লাগাতে পারেনি। সে প্রবৃত্তির অনুসরণ করল। শয়তানের ধোকায় পড়ে সে আল্লাহর স্মরণ হতে গাফেল হয়ে যায় এবং পার্থিব জগতের প্রতি সে ঝুঁকে পড়ে। আল্লাহ তা’আলা তার সম্পর্কে বলেন, তার দৃষ্টান্ত হল, কুকুরের মত। যে কুকুর ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে জিহবা বের করে হাপাতে থাকে। আল্লাহ তা’আলা তার রাসূলকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, আপনি আপনার কওমদের নিকট এ ঘটনা বর্ণনা করেন। যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ না করে। আর সামান্য পার্থিব সুবিধা হাসিলের জন্য তারা যাতে আল্লাহর আয়াতসমূহের বিরোধিতা না করে।]
কতক আলেমগণ বলেন, চারটি জিনিষের মধ্যে কুফরি নিহিত থাকে। এক- অতিরিক্ত রাগ, দুই-প্রবৃত্তি, তিন- অধিক আগ্রহ, চার-ভীতি। আর আমি নিজেই এ চারটির পরিণতি স্বচক্ষে দেখেছি। আমি দেখলাম এক ব্যক্তি খুব রাগান্বিত হল, অতঃপর সে তার মাকে হত্যা করল। আর এক ব্যক্তি একজন মেয়ের প্রেমে পড়ে খৃষ্টান হয়ে গেল। কারণ, তার প্রতি তার আগ্রহ এত প্রবল ছিল, সে তার ঈমান আমল সবকিছু ভূলে গেল।
এক লোক বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করা অবস্থায় একজন সুন্দর নারীকে দেখে তার পাশে গিয়ে তাওয়াফ করতে আরম্ভ করে। তারপর সে বলল,
أَْهَوى هَوى الدِّينِ وَاللَّذَّاتُ تُعْجِبُنيِ
فَكيْفَ لِي بهَوَى اللَّذَّاتِ وَالدِّينِ
“আমি দ্বীনকে মহব্বত করি। কিন্তু প্রবৃত্তির সাধ আমাকে অভিভুত করল। আমি বুঝতে পারছিনা প্রবৃত্তির সাধ আর দ্বীনের সাধ হতে কোনটিকে প্রাধান্য দেব”।
তার কথা শোনে রমণীটি বলল, তুমি যে কোন একটি ছাড়, তাহলে অপরটি অবশ্যই পাবে। প্রবৃত্তি ও দ্বীন একসাথে একত্র করতে পারবে না।
[যার প্রবৃত্তি মানুষের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার করে, তার কাছে আল্লাহর ঘরও তুচ্ছ হয়ে যায়। সে আল্লাহর ঘরের সামনে গিয়েও অপকর্ম করতে দ্বিধাবোধ করে না।] আল্লাহ আমাদের এ ধরনের পরিণতি হতে হেফাজত করুন! আমীন!