১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
প্রথমত: আখিরাতের ক্ষতি:
আখেরাতের ক্ষতি সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বূল আলামীন কুরআনে কারীমে এরশাদ করেন,
﴿فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧ وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا ٣٨ فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٣٩ وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ ٤٠ فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٤١﴾ [ سورة النازعات : 37-41 [.
“সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়, নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল। আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে, নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল”। [সূরা আন-নাযেয়াত, আয়াত: ৩৭-৪১]
আল্লামা শা‘বী রহ. বলেন, প্রবৃত্তিকে নাম করণের কারণই হল, সে মানুষকে তার কু-কর্মের দ্বারা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।
আবু দারদা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
« من كان الأجوفان همّه خسر ميزانه يوم القيامة »
“ যার উদ্দেশ্য হবে দুটি পেটের চাহিদা পূরণ করা কিয়ামতের দিন তার আমলের পাল্লা দুর্বল হবে”।
এখানে দুটি পেটের চাহিদা দ্বারা উদ্দেশ্য হল, পেটের চাহিদা আর যৌবনের চাহিদা।
কিয়ামতের দিন প্রবৃত্তির পূজারীদের তুমি দেখবে, তারা দুনিয়াতে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করার কারণে পাগলের মত চট-পট করতে থাকবে এবং কিয়ামতের দিন যারা আল্লাহর আযাব হতে নাজাত পাবে তাদের অন্তর্ভুক্ত হতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাবে। দুনিয়াতে তারা প্রবৃত্তির পূজারীদের সাথে যেভাবে চলাফেরা করত অনুরূপভাবে তারা কিয়ামতের দিন যারা নাজাত পাবে তাদের সাথে নাজাত পাওয়ার জন্য উঠবস করবে এবং তাদের সাথে থাকতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাবে। কিন্তু সেদিন তাদের চেষ্টা কোন কাজে আসবে না।
আল্লামা মুহাম্মদ ইব্ন আবুল ওয়ারদ রহ. বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য এমন একটি দিবস আছে, যেদিন প্রবৃত্তির পূজারীরা তাদের অপকর্মের পরিণতি হতে কোন ক্রমেই বাঁচতে পারবে না। আর কিয়ামতের দিন সবচেয়ে অধিক চটপট কারী হল, সেই লোক, যে দুনিয়াতে তার যৌবনের চাহিদা মেটাতে অধিক ব্যস্ত থাকত। আখেরাতের প্রতি তার কোন আগ্রহ ছিল না।
আল্লামা আতা রহ. বলেন, যার প্রবৃত্তি তার জ্ঞানের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং যার ধৈর্যের উপর তার অধৈর্য প্রাধান্য পায়, সে কিয়ামতের দিন বঞ্চনার মুখোমুখি হবে। অর্থাৎ, জাহান্নামে প্রবেশ করবে এবং আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন সে বড় ধরনের অপমান ও অপদস্ত হবে।
আল্লামা ইবরাহিম ইব্ন আদহম রহ. বলেন, প্রবৃত্তি মানুষকে অসুস্থ বানিয়ে দেয় আর আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের ভয় ও তাকওয়া মানুষকে সুস্থতা দেয়। একটি কথা মনে রাখবে, তোমার প্রবৃত্তি তোমার অন্তর থেকে সব কিছুই দূর করতে পারবে যখন তুমি ভয় করবে সে সত্বাকে যার সম্পর্কে তুমি বিশ্বাস কর যে সে তোমাকে সবসময় দেখছে।
﴿فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧ وَءَاثَرَ ٱلۡحَيَوٰةَ ٱلدُّنۡيَا ٣٨ فَإِنَّ ٱلۡجَحِيمَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٣٩ وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ ٤٠ فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِيَ ٱلۡمَأۡوَىٰ ٤١﴾ [ سورة النازعات : 37-41 [.
“সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়, নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল। আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে, নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল”। [সূরা আন-নাযেয়াত, আয়াত: ৩৭-৪১]
আল্লামা শা‘বী রহ. বলেন, প্রবৃত্তিকে নাম করণের কারণই হল, সে মানুষকে তার কু-কর্মের দ্বারা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।
আবু দারদা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
« من كان الأجوفان همّه خسر ميزانه يوم القيامة »
“ যার উদ্দেশ্য হবে দুটি পেটের চাহিদা পূরণ করা কিয়ামতের দিন তার আমলের পাল্লা দুর্বল হবে”।
এখানে দুটি পেটের চাহিদা দ্বারা উদ্দেশ্য হল, পেটের চাহিদা আর যৌবনের চাহিদা।
কিয়ামতের দিন প্রবৃত্তির পূজারীদের তুমি দেখবে, তারা দুনিয়াতে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করার কারণে পাগলের মত চট-পট করতে থাকবে এবং কিয়ামতের দিন যারা আল্লাহর আযাব হতে নাজাত পাবে তাদের অন্তর্ভুক্ত হতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাবে। দুনিয়াতে তারা প্রবৃত্তির পূজারীদের সাথে যেভাবে চলাফেরা করত অনুরূপভাবে তারা কিয়ামতের দিন যারা নাজাত পাবে তাদের সাথে নাজাত পাওয়ার জন্য উঠবস করবে এবং তাদের সাথে থাকতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাবে। কিন্তু সেদিন তাদের চেষ্টা কোন কাজে আসবে না।
আল্লামা মুহাম্মদ ইব্ন আবুল ওয়ারদ রহ. বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য এমন একটি দিবস আছে, যেদিন প্রবৃত্তির পূজারীরা তাদের অপকর্মের পরিণতি হতে কোন ক্রমেই বাঁচতে পারবে না। আর কিয়ামতের দিন সবচেয়ে অধিক চটপট কারী হল, সেই লোক, যে দুনিয়াতে তার যৌবনের চাহিদা মেটাতে অধিক ব্যস্ত থাকত। আখেরাতের প্রতি তার কোন আগ্রহ ছিল না।
আল্লামা আতা রহ. বলেন, যার প্রবৃত্তি তার জ্ঞানের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং যার ধৈর্যের উপর তার অধৈর্য প্রাধান্য পায়, সে কিয়ামতের দিন বঞ্চনার মুখোমুখি হবে। অর্থাৎ, জাহান্নামে প্রবেশ করবে এবং আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন সে বড় ধরনের অপমান ও অপদস্ত হবে।
আল্লামা ইবরাহিম ইব্ন আদহম রহ. বলেন, প্রবৃত্তি মানুষকে অসুস্থ বানিয়ে দেয় আর আল্লাহ রাব্বূল আলামীনের ভয় ও তাকওয়া মানুষকে সুস্থতা দেয়। একটি কথা মনে রাখবে, তোমার প্রবৃত্তি তোমার অন্তর থেকে সব কিছুই দূর করতে পারবে যখন তুমি ভয় করবে সে সত্বাকে যার সম্পর্কে তুমি বিশ্বাস কর যে সে তোমাকে সবসময় দেখছে।