১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
প্রিয় নবীর প্রকৃত সম্মান
প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আল্লাহ তাআলা অনেক সম্মানে ভূষিত করেন। কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর দানকৃত সম্মানের উর্ধ্বে সম্মান দিতে চায়, তাহলে সেটা আসল সম্মান নয় বরং এটা হবে আল্লাহর উপর বাড়াবাড়ি। নিুে কুরআন ও হাদীসে প্রমাণিত বিশেষ কয়েকটি সম্মানের বর্ণনা দেয়া হলঃ-
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
( مَا كَانَ مُحمدٌ أبَا أحَدٍ مِن رِّجَالِكُم ولكِنْ رَسُولَ اللهِ و خَاتَمَ النَّبِيِّين ) الأحزاب /৪০
অনুবাদঃ- (মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।) [আল্ আহযাব/ ৪০]
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ‘‘ আমার এবং বিগত নবীদের উদাহারণ তার মত, যে একটি সুন্দর প্রাসাদ নির্মাণ করল। কিন্তু একটি ইটের স্থান ছেড়ে দিল। মানুষেরা সেই প্রসাদটিকে ঘুরে ফিরে দেখে এবং তার সৌন্দর্যে মোহিত হয়। তবে সবাই বলে যদি সেই ইটটি লাগান হত তো কতই না সুন্দর লাগত! নবী (সা:) বলেনঃ আমিই সেই ইট, আমিই নবীগণের মধ্যে শেষ নবী।’’ [বুখারী, কিতাবুল মানাকীর, হাদীস নং ৩৫৩৫]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ ‘‘ অন্যান্য নবীদের তুলনায় আমাকে ছয়টি বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আমাকে জাওয়ামেউল- কালেম (অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থ) দান করা হয়েছে। আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। (অর্থাৎ শত্র“কুল আমার ভয়ে ভীত সস্ত্রস্ত হয়ে পড়ে ) আমার উম্মতের জন্য গনীমতের সম্পদ হালাল করা হয়েছে। সারা পৃথিবীর মাটি পবিত্র এবং মসজিদে পরিণত করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র মানব জাতির উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমার আগমনের মাধ্যমে নবীগণের আবির্ভাব সমাপ্ত হয়েছে।’’ [মুসলিম, কিতাবুল মাসাজিদ, হাদীস নং ১১৬৭]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ- ‘‘ কিয়ামত দিবসে আমি হ্ব আদম সন্তানদের প্রধান। আর এতে গর্বের কিছু নেই এবং আমার হাতে থাকবে প্রশংসার ঝান্ডা এতেও অহংকারের কিছু নেই।’’ [ তিরমিযী, আবওয়াবুত তাফসীর, সূরা বনী ইসরাইল, হাদীস নং ৩৩৫৭]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ‘‘ কিয়ামত দিবসে আমিই আদম সন্তানের প্রধান। আমিই কবর হতে প্রথমে উঠব। আমিই হব প্রথমে সুপারিশকারী এবং আমারই সুপারিশ প্রথমে কবূল করা হবে।’’ [মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়েল, হাদীস নং ৫৮৯৯]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ‘‘ আল্লাহ তাআলা ইসমাঈল (আঃ) এর সন্তান হতে কিনানা গোত্রকে নির্বাচন করেছেন। আর কিনানা গোত্র হতে কুরাইশ গোত্রকে নির্বাচন করেছেন। আর কুরাইশ গোত্র হতে বানু হাশেমকে নির্বাচন করেছেন এবং বানু হাশেম হতে আমাকে নির্বাচন করেছেন।’’ [মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়েল, হাদীস নং ৫৮৯৭]
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
( مَا كَانَ مُحمدٌ أبَا أحَدٍ مِن رِّجَالِكُم ولكِنْ رَسُولَ اللهِ و خَاتَمَ النَّبِيِّين ) الأحزاب /৪০
অনুবাদঃ- (মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।) [আল্ আহযাব/ ৪০]
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ‘‘ আমার এবং বিগত নবীদের উদাহারণ তার মত, যে একটি সুন্দর প্রাসাদ নির্মাণ করল। কিন্তু একটি ইটের স্থান ছেড়ে দিল। মানুষেরা সেই প্রসাদটিকে ঘুরে ফিরে দেখে এবং তার সৌন্দর্যে মোহিত হয়। তবে সবাই বলে যদি সেই ইটটি লাগান হত তো কতই না সুন্দর লাগত! নবী (সা:) বলেনঃ আমিই সেই ইট, আমিই নবীগণের মধ্যে শেষ নবী।’’ [বুখারী, কিতাবুল মানাকীর, হাদীস নং ৩৫৩৫]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ ‘‘ অন্যান্য নবীদের তুলনায় আমাকে ছয়টি বিষয়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আমাকে জাওয়ামেউল- কালেম (অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থ) দান করা হয়েছে। আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। (অর্থাৎ শত্র“কুল আমার ভয়ে ভীত সস্ত্রস্ত হয়ে পড়ে ) আমার উম্মতের জন্য গনীমতের সম্পদ হালাল করা হয়েছে। সারা পৃথিবীর মাটি পবিত্র এবং মসজিদে পরিণত করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র মানব জাতির উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমার আগমনের মাধ্যমে নবীগণের আবির্ভাব সমাপ্ত হয়েছে।’’ [মুসলিম, কিতাবুল মাসাজিদ, হাদীস নং ১১৬৭]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ- ‘‘ কিয়ামত দিবসে আমি হ্ব আদম সন্তানদের প্রধান। আর এতে গর্বের কিছু নেই এবং আমার হাতে থাকবে প্রশংসার ঝান্ডা এতেও অহংকারের কিছু নেই।’’ [ তিরমিযী, আবওয়াবুত তাফসীর, সূরা বনী ইসরাইল, হাদীস নং ৩৩৫৭]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ‘‘ কিয়ামত দিবসে আমিই আদম সন্তানের প্রধান। আমিই কবর হতে প্রথমে উঠব। আমিই হব প্রথমে সুপারিশকারী এবং আমারই সুপারিশ প্রথমে কবূল করা হবে।’’ [মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়েল, হাদীস নং ৫৮৯৯]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ‘‘ আল্লাহ তাআলা ইসমাঈল (আঃ) এর সন্তান হতে কিনানা গোত্রকে নির্বাচন করেছেন। আর কিনানা গোত্র হতে কুরাইশ গোত্রকে নির্বাচন করেছেন। আর কুরাইশ গোত্র হতে বানু হাশেমকে নির্বাচন করেছেন এবং বানু হাশেম হতে আমাকে নির্বাচন করেছেন।’’ [মুসলিম, কিতাবুল ফাযায়েল, হাদীস নং ৫৮৯৭]