১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
নবী (সাঃ) তাঁর ব্যাপারে বাড়াবাড়ি নিষেধ করেছেন।
আসলে প্রত্যেক বিষয়ে বাড়াবাড়ি অপছন্দনীয়। বিশেষ করে তা যদি শরিয়তের ব্যাপারে হয়, তাহলে সেটা চরম অপরাধ এবং জঘণ্য কাজ। বিগত উম্মতেরা তাদের নবীদের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করার কারণে কাফের ও মুশরিক হয়ে গেছে, যেমন নাসারা বা খৃষ্টানরা তাদের নবী ঈসা (আঃ) কে আল্লাহর সন্তান বলেছে। অন্যদিকে ইহুদীরা উযাইরকে আল্লাহর পুত্র বলে আখ্যা দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা তাদের এই জঘণ্য ধারণার ব্যাপারে বলেনঃ-
( و قَالتِ اليهُودُ عُزَيرٌ ابنُ اللهِ وَ قَالتِ النَّصارَى المَسِيحُ ابنُ اللهِ ذلِك قَولُهم بِأفوَاهِهم يُضَاهِؤنَ قَولَ الذينَ كَفَرُوامِن قَبلُ، قَاتَلَهُم اللهُ أنّى يُؤفَكُون ) التوبة /৩০
অর্থঃ- (ইহুদীরা বলে, উযাইর আল্লাহর পুত্র এবং নাসারারা বলেঃ মসীহ আল্লাহর পুত্র। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা। এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত কথা বলে। আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন্ উল্টা পথে চলে যাচ্ছে।) [সূরা তওবা-৩০]
নবী (সাঃ) বিগত উম্মতের এই প্রকারের বাড়াবাড়ি লক্ষ্য করেছিলেন এবং নিজ উম্মতের মধ্যেও তার আশংকা করেছিলেন। তাই তিনি উম্মতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেনঃ
” لا تُطرُونى كما أطرتِ النصارى ابن مريم إنّما أنا عبدٌ فقولواعبدُ الله و رسوله ” متفق عليه
অর্থঃ- ‘‘তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, যেমন নাসারারা মরিয়মের পুত্রের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে। নিঃসন্দেহে আমি হচ্ছি আব্দ বা দাস। তাই তোমরা বল আল্লাহর বান্দা বা দাস এবং তাঁর রাসূল।’’ [ বুখারী,মুসলিম ]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ
” إيّاكم والغُلُوّ، فإنّما أُهلِكَ من كانَ قبلكم الغلوّ “ - البخارى -
অর্থঃ ‘‘ অতিরঞ্জন হতে সাবধান! কারণ অতিরঞ্জনই বিগত উম্মতকে ধংস করেছে।’’ [ বুখারী ]
প্রিয় নবীর এই ইরশাদকে পড়লে এটাই জানা যায় যে, তিনি তার প্রিয় উম্মতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন: বিগত উম্মতেরা বিশেষ করে খৃষ্টানরা, তাদের নবী ঈসা (আঃ) এর ব্যাপারে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে। আর এই সম্মানই তাদের পথ ভ্রষ্টের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তারা বলেছে ঈসা (আঃ) হচ্ছেন আল্লাহর পুত্র। তাই তোমরা আমার ব্যাপারে ঐরূপ কথা বলনা। আমাকে আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল বলে ডাকবে। নবীজীকে কি বলে ডাকতে হবে, তাঁর কতখানি প্রশংসা করতে হবে, তিনি নিজেই তা বলে গেছেন। কিন্তু আজ তার উম্মতের একটি দল বাড়াবাড়ি করে চলেছে। তারা বলছে: নবীকে আল্লাহ তার নূর দিয়েসৃষ্টি করেছেন এবং তাঁকে সৃষ্টি না করলে আসমান-যমীন জন্নাত-জাহান্নাম কিছুই তৈরী করা হতনা।
নবীজী আল্লাহর নূরের তৈরী, এই মত বা ধারণার মাধ্যমে এটাই প্রমাণ হয়, যে মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহরই একটি অংশ। এই আকীদাহ বা বিশ্বাস এবং খৃষ্টানদের আকীদাহ যে, ঈসা আল্লাহর পুত্র, দুটির মধ্যে কি আসলে কোন পার্থক্য আছে? একজন আল্লাহর সন্তান আর একজন আল্লাহর সত্তার নূরের। আল্লাহ যেন আমাদের বুঝার সুমতি দেন! আমীন!
( و قَالتِ اليهُودُ عُزَيرٌ ابنُ اللهِ وَ قَالتِ النَّصارَى المَسِيحُ ابنُ اللهِ ذلِك قَولُهم بِأفوَاهِهم يُضَاهِؤنَ قَولَ الذينَ كَفَرُوامِن قَبلُ، قَاتَلَهُم اللهُ أنّى يُؤفَكُون ) التوبة /৩০
অর্থঃ- (ইহুদীরা বলে, উযাইর আল্লাহর পুত্র এবং নাসারারা বলেঃ মসীহ আল্লাহর পুত্র। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা। এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত কথা বলে। আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন্ উল্টা পথে চলে যাচ্ছে।) [সূরা তওবা-৩০]
নবী (সাঃ) বিগত উম্মতের এই প্রকারের বাড়াবাড়ি লক্ষ্য করেছিলেন এবং নিজ উম্মতের মধ্যেও তার আশংকা করেছিলেন। তাই তিনি উম্মতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেনঃ
” لا تُطرُونى كما أطرتِ النصارى ابن مريم إنّما أنا عبدٌ فقولواعبدُ الله و رسوله ” متفق عليه
অর্থঃ- ‘‘তোমরা আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, যেমন নাসারারা মরিয়মের পুত্রের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করেছে। নিঃসন্দেহে আমি হচ্ছি আব্দ বা দাস। তাই তোমরা বল আল্লাহর বান্দা বা দাস এবং তাঁর রাসূল।’’ [ বুখারী,মুসলিম ]
তিনি (সাঃ) আরো বলেনঃ
” إيّاكم والغُلُوّ، فإنّما أُهلِكَ من كانَ قبلكم الغلوّ “ - البخارى -
অর্থঃ ‘‘ অতিরঞ্জন হতে সাবধান! কারণ অতিরঞ্জনই বিগত উম্মতকে ধংস করেছে।’’ [ বুখারী ]
প্রিয় নবীর এই ইরশাদকে পড়লে এটাই জানা যায় যে, তিনি তার প্রিয় উম্মতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন: বিগত উম্মতেরা বিশেষ করে খৃষ্টানরা, তাদের নবী ঈসা (আঃ) এর ব্যাপারে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে। আর এই সম্মানই তাদের পথ ভ্রষ্টের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তারা বলেছে ঈসা (আঃ) হচ্ছেন আল্লাহর পুত্র। তাই তোমরা আমার ব্যাপারে ঐরূপ কথা বলনা। আমাকে আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল বলে ডাকবে। নবীজীকে কি বলে ডাকতে হবে, তাঁর কতখানি প্রশংসা করতে হবে, তিনি নিজেই তা বলে গেছেন। কিন্তু আজ তার উম্মতের একটি দল বাড়াবাড়ি করে চলেছে। তারা বলছে: নবীকে আল্লাহ তার নূর দিয়েসৃষ্টি করেছেন এবং তাঁকে সৃষ্টি না করলে আসমান-যমীন জন্নাত-জাহান্নাম কিছুই তৈরী করা হতনা।
নবীজী আল্লাহর নূরের তৈরী, এই মত বা ধারণার মাধ্যমে এটাই প্রমাণ হয়, যে মোহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহরই একটি অংশ। এই আকীদাহ বা বিশ্বাস এবং খৃষ্টানদের আকীদাহ যে, ঈসা আল্লাহর পুত্র, দুটির মধ্যে কি আসলে কোন পার্থক্য আছে? একজন আল্লাহর সন্তান আর একজন আল্লাহর সত্তার নূরের। আল্লাহ যেন আমাদের বুঝার সুমতি দেন! আমীন!