১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
দ্বিতীয় দলীলঃ মক্কার মুশরেকদের উক্তিঃ
নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) যে মানুষ ছিলেন সেটা মক্কার মুশরিকরাও বলত ও বিশ্বাস রাখত । তাঁকে ও বিগত আম্বিয়াগণকে কাফেরদের অবিশ্বাস করার কারণও ছিল এটি যে, তাঁরা সকলে ছিলেন তাদের মতই মানুষ। তারা বলত আমাদের মত মানুষ আবার নবী কিভাবে হয়? তারা সেই সময় যা বলেছিল, আল্লাহ কুরআনে তা বর্ণনা করেন। এরূপ কয়েকটি উক্তি নিুে বর্ণনা করা হলঃ
১-( و ما مَنَعَ النَّاسَ أن يُؤمنوا إذ جَاءَهم الهُدى إلآ أن قَالوا أبعثَ اللهُ بشَراً رَسولاً ) الإسراء /৯৪
অনুবাদঃ (আল্লাহ কি মানুষকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হিদায়েত।) [ইসরা/৯৪]
২- ( ما هذا إلا بشرُ مثلكم يأكل ممّا تأكلون منه و يشربُ ممّا تشربون، ولئن أطعتم بشراً مثلكم إنّكم إذاً لخاسرون ) المؤمنون /৩৩-৩৪
অনুবাদঃ তারা বলতঃ (এ তো তোমাদের মতই একজন মানুষ। তোমরা যা খাও সে তাই খায় এবং তোমরা যা পান কর, সেও তাই পান করে। যদি তোমরা তোমাদের মতই একজন মানুষের আনুগত্য কর,তবে তোমরা নিশ্চিত রূপেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ) [আল মুমেনূন/৩৩-৩৪]
৩- ( وما أرسلنا قبلك من المرسلين إلا إنّهم ليأكلون الطعام و يمشون فى الأسواق ) الفرقان /২০
অনুবাদঃ ( আপনার পূর্বে যত রাসূল প্রেরণ করেছি, তারা সবাই খাদ্য গ্রহণ করত এবং হাটে-বাজারে চলা ফেরা করত। ) [আল ফুরকান/২০]
বর্ণিত আয়াত সমূহে বলা হয়েছে যে, বিগত উম্মতের লোকেরা তাদের নবীগণকে অস্বীকার করেছিল এ বলে যে, তোমরা আমাদের মতই মানুষ। একই ভাবে আমাদের নবী (সাঃ) এর বেলাও কাফেরে কুরাইশরা বলেছিলঃ তুমি তো আমাদের মতই মানুষ। যদি আল্লাহ কোন ফেরেশতাকে নবী করে পাঠাতেন তো আমরা ঈমান আনতাম। তখন আল্লাহ তারঁ রাসূল (সাঃ) কে বলতে বলেন যে, আমার পূর্বে যেসব নবীগণ এসেছেন তারাও তো মানুষ ছিলেন, খাবার খেতেন, হাটে-বাজারে বেড়াতেন। তোমরা তাদের বিশ্বাস কর। তবে আমাকে কেন অস্বীকার কর? অর্থাৎ মুহাম্মদ (সাঃ) যদি তাদের মত মানুষ না হয়ে নূরের তৈরী ফেরেশতার মত হতেন, তাহলে তাদের ঈমান আনতে কোন বাধা ছিলনা। তাদের ঈমান আনতে যা বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তা হল মুহাম্মদ (সাঃ) এর মানুষ হওয়া। বুঝা গেল, সেই যুগের কাফেররাও নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে তাদের মত মানুষ মনে করত। কিন্তু বর্তমান যুগের কিছু অবুঝ মুসলমান তাদের চেয়েও যেন বেশী বুঝল।
১-( و ما مَنَعَ النَّاسَ أن يُؤمنوا إذ جَاءَهم الهُدى إلآ أن قَالوا أبعثَ اللهُ بشَراً رَسولاً ) الإسراء /৯৪
অনুবাদঃ (আল্লাহ কি মানুষকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন? তাদের এই উক্তিই মানুষকে ঈমান আনয়ন থেকে বিরত রাখে, যখন তাদের নিকট আসে হিদায়েত।) [ইসরা/৯৪]
২- ( ما هذا إلا بشرُ مثلكم يأكل ممّا تأكلون منه و يشربُ ممّا تشربون، ولئن أطعتم بشراً مثلكم إنّكم إذاً لخاسرون ) المؤمنون /৩৩-৩৪
অনুবাদঃ তারা বলতঃ (এ তো তোমাদের মতই একজন মানুষ। তোমরা যা খাও সে তাই খায় এবং তোমরা যা পান কর, সেও তাই পান করে। যদি তোমরা তোমাদের মতই একজন মানুষের আনুগত্য কর,তবে তোমরা নিশ্চিত রূপেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ) [আল মুমেনূন/৩৩-৩৪]
৩- ( وما أرسلنا قبلك من المرسلين إلا إنّهم ليأكلون الطعام و يمشون فى الأسواق ) الفرقان /২০
অনুবাদঃ ( আপনার পূর্বে যত রাসূল প্রেরণ করেছি, তারা সবাই খাদ্য গ্রহণ করত এবং হাটে-বাজারে চলা ফেরা করত। ) [আল ফুরকান/২০]
বর্ণিত আয়াত সমূহে বলা হয়েছে যে, বিগত উম্মতের লোকেরা তাদের নবীগণকে অস্বীকার করেছিল এ বলে যে, তোমরা আমাদের মতই মানুষ। একই ভাবে আমাদের নবী (সাঃ) এর বেলাও কাফেরে কুরাইশরা বলেছিলঃ তুমি তো আমাদের মতই মানুষ। যদি আল্লাহ কোন ফেরেশতাকে নবী করে পাঠাতেন তো আমরা ঈমান আনতাম। তখন আল্লাহ তারঁ রাসূল (সাঃ) কে বলতে বলেন যে, আমার পূর্বে যেসব নবীগণ এসেছেন তারাও তো মানুষ ছিলেন, খাবার খেতেন, হাটে-বাজারে বেড়াতেন। তোমরা তাদের বিশ্বাস কর। তবে আমাকে কেন অস্বীকার কর? অর্থাৎ মুহাম্মদ (সাঃ) যদি তাদের মত মানুষ না হয়ে নূরের তৈরী ফেরেশতার মত হতেন, তাহলে তাদের ঈমান আনতে কোন বাধা ছিলনা। তাদের ঈমান আনতে যা বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তা হল মুহাম্মদ (সাঃ) এর মানুষ হওয়া। বুঝা গেল, সেই যুগের কাফেররাও নবী মুহাম্মদ (সাঃ) কে তাদের মত মানুষ মনে করত। কিন্তু বর্তমান যুগের কিছু অবুঝ মুসলমান তাদের চেয়েও যেন বেশী বুঝল।