১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪
পর্যালোচনাঃ ক- দলীলটি জালঃ
নূরী ভাইয়েরা এই কথাগুলোকে জনসাধারণের কাছে এত বেশী বর্ণনা করে যে, সাধারণ মানুষ শোনে শোনে তা প্রায় মুখস্ত করে ফেলেছে এবং বিশ্বাস করে ফেলেছে যে, এটি নবীর হাদীস।
পাঠক বৃন্দ! আসলে এটি হাদীস নয়। কিছু লোক নবীর হাদীস বলে প্রচার করেছে মাত্র। সে কারণে না তো প্রাচীন আর না বর্তমান যুগের কোন মুহাদ্দিস হাদিসটির সনদ বা সূত্র খোঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ এটি একটি মুখে মুখে প্রচলিত সনদ বিহীন হাদীস।
হ্যাঁ, মুহাদ্দেসীনদের মধ্যে কেউ কেউ এমন কিছু পুস্তক রচনা করেছেন, যার মধ্যে জাল, যঈফ ও বানোয়াট-কাল্পনিক এবং হাদীসের নামে প্রচলিত মানুষের মুখের কথা প্রভৃতির সমাহার ঘটিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুহাদ্দেস যেমন (১) ভারত বর্ষের বিশিষ্ট আলেম আবুল হাসানাত আব্দুল হাই লখনৌভী। তিনি রচনা করেছেনঃ‘‘ আল্ আছার আল্ মারফূআহ্ ফিল্ আখবারিল মাউযূআ’’। (২) ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আল্ আজলূনী। তাঁর রচিত গ্রন্থের নামঃ ‘‘ কাশ্ ফুল খাফা ওয়া মুযীলুল ইল্ বাস আম্মাশ্ তাহারা মিনাল আহাদীস্ আলা আলসিনাতিন্নাস’’। এই সমস্ত বরেণ্য উলামায়ে কিরামগণ উপুরোল্লিখিত হাদীসটি অন্যান্য জাল বা মাউযূ হাদীসের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় বইয়ের প্রথম খন্ড পৃষ্ঠা নং ২৬৫ হাদীস নং ৮২৭ দ্রষ্টব্য। তিনি এই জাল হাদীসটি আব্দুর রাজ্জাক বিন উমর আদ্ দিমাশ্কীর সনদ হতে বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনু হাজার আসকালানী ‘তাকরীবুত্ তাহযীব’ গ্রন্থে আব্দুর রাজ্জাককে ‘মাত্রূক’ বা প্রত্যাখ্যাত বলেছেন। [ মাউযূ আউর মুনকার রিওয়ায়েত,পৃঃ নং ২৮৪]
বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মুহাদ্দিস শাইখ নাসেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) তাঁর স্বর্ন গ্রন্থ ‘‘সিল্ সিলাতুল্ আহাদীছ আস্ স্বহীহায়’’ (সহীহ হাদীস সিরিজ) ৪৫৮ নম্বর হাদীসের বর্ণনার সময় উপরে বর্ণিত হাদীসটি বাতিল বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ফলকথাঃ- হাদীসটি জাল। আর জাল হাদীস শরীয়তের কোন বিধানের কখনই দলীল হতে পারেনা। বিশেষ করে তা যদি আক্কীদাহ সম্পর্কীয় হয় তাহলে তো কখনই গ্রহণীয় নয়।
পাঠক বৃন্দ! আসলে এটি হাদীস নয়। কিছু লোক নবীর হাদীস বলে প্রচার করেছে মাত্র। সে কারণে না তো প্রাচীন আর না বর্তমান যুগের কোন মুহাদ্দিস হাদিসটির সনদ বা সূত্র খোঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। অর্থাৎ এটি একটি মুখে মুখে প্রচলিত সনদ বিহীন হাদীস।
হ্যাঁ, মুহাদ্দেসীনদের মধ্যে কেউ কেউ এমন কিছু পুস্তক রচনা করেছেন, যার মধ্যে জাল, যঈফ ও বানোয়াট-কাল্পনিক এবং হাদীসের নামে প্রচলিত মানুষের মুখের কথা প্রভৃতির সমাহার ঘটিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুহাদ্দেস যেমন (১) ভারত বর্ষের বিশিষ্ট আলেম আবুল হাসানাত আব্দুল হাই লখনৌভী। তিনি রচনা করেছেনঃ‘‘ আল্ আছার আল্ মারফূআহ্ ফিল্ আখবারিল মাউযূআ’’। (২) ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আল্ আজলূনী। তাঁর রচিত গ্রন্থের নামঃ ‘‘ কাশ্ ফুল খাফা ওয়া মুযীলুল ইল্ বাস আম্মাশ্ তাহারা মিনাল আহাদীস্ আলা আলসিনাতিন্নাস’’। এই সমস্ত বরেণ্য উলামায়ে কিরামগণ উপুরোল্লিখিত হাদীসটি অন্যান্য জাল বা মাউযূ হাদীসের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। দ্বিতীয় বইয়ের প্রথম খন্ড পৃষ্ঠা নং ২৬৫ হাদীস নং ৮২৭ দ্রষ্টব্য। তিনি এই জাল হাদীসটি আব্দুর রাজ্জাক বিন উমর আদ্ দিমাশ্কীর সনদ হতে বর্ণনা করেছেন। এবং ইবনু হাজার আসকালানী ‘তাকরীবুত্ তাহযীব’ গ্রন্থে আব্দুর রাজ্জাককে ‘মাত্রূক’ বা প্রত্যাখ্যাত বলেছেন। [ মাউযূ আউর মুনকার রিওয়ায়েত,পৃঃ নং ২৮৪]
বিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট মুহাদ্দিস শাইখ নাসেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) তাঁর স্বর্ন গ্রন্থ ‘‘সিল্ সিলাতুল্ আহাদীছ আস্ স্বহীহায়’’ (সহীহ হাদীস সিরিজ) ৪৫৮ নম্বর হাদীসের বর্ণনার সময় উপরে বর্ণিত হাদীসটি বাতিল বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ফলকথাঃ- হাদীসটি জাল। আর জাল হাদীস শরীয়তের কোন বিধানের কখনই দলীল হতে পারেনা। বিশেষ করে তা যদি আক্কীদাহ সম্পর্কীয় হয় তাহলে তো কখনই গ্রহণীয় নয়।