১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
প্রত্যেক বস্তুর ছায়া আছে হাদীস থেকে প্রমাণ
জাবের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাঃ) কে নামাযের সময় সূচী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে। নবী (সাঃ) তাকে বলেনঃ আমাদের সাথে নামায পড়। নবী (সাঃ) যোহরের নামায আদায় করেন যখন সূর্য মধ্য আকাশ থেকে ঢলে পড়ে। আর আসরের সম্পর্কে বলেনঃ
” والعصر حين كان فيئُ كل شئٍ مثله ” النسائ،وأبوداؤد
‘‘আর আসরের নামায আদায় করেন, যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া নিজ বরাবর হয়।’’ তারপর বাকি নামাযের বর্ণনা দেয়া হয়।
[ নাসাঈ, আল্ মাওয়াকীত, আবূ দাউদ, আস্ স্বালাত]
এই হাদীসে দেখা যায় নবী (সাঃ) আসরের নামায পড়েন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া নিজ বরাবর হয়। বুঝা গেল, প্রত্যেক বস্তুরই ছায়া আছে। তাই যদি কেউ বলে যে, নবী (সাঃ) এর ছায়া ছিলনা, তাহলে সেটা ভুল ধারণা। এও বুঝা যায় যে, যদি নবী (সাঃ) এর ছায়া না হত, তাহলে তাঁর বলার দরকার ছিল যে, আমি ব্যতীত প্রত্যেক বস্তুর ছায়া যখন তার বরাবর হবে, তখন আসরের নামায পড়বে। কিন্তু তিনি (সাঃ) তা বলেননি, যা দ্বারা প্রমাণ হয়, তাঁর ছায়া ছিল।
” والعصر حين كان فيئُ كل شئٍ مثله ” النسائ،وأبوداؤد
‘‘আর আসরের নামায আদায় করেন, যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া নিজ বরাবর হয়।’’ তারপর বাকি নামাযের বর্ণনা দেয়া হয়।
[ নাসাঈ, আল্ মাওয়াকীত, আবূ দাউদ, আস্ স্বালাত]
এই হাদীসে দেখা যায় নবী (সাঃ) আসরের নামায পড়েন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া নিজ বরাবর হয়। বুঝা গেল, প্রত্যেক বস্তুরই ছায়া আছে। তাই যদি কেউ বলে যে, নবী (সাঃ) এর ছায়া ছিলনা, তাহলে সেটা ভুল ধারণা। এও বুঝা যায় যে, যদি নবী (সাঃ) এর ছায়া না হত, তাহলে তাঁর বলার দরকার ছিল যে, আমি ব্যতীত প্রত্যেক বস্তুর ছায়া যখন তার বরাবর হবে, তখন আসরের নামায পড়বে। কিন্তু তিনি (সাঃ) তা বলেননি, যা দ্বারা প্রমাণ হয়, তাঁর ছায়া ছিল।