১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
আরো কয়েকটি ঠুন্কো সংশয়
প্রতিপক্ষের ভাইয়েরা বর্ণিত দলীল প্রমাণ ছাড়াও আরো কিছু কাল্পনিক যুক্তি ও কেচ্ছা কাহিনী দ্বারা জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করে থাকে। সে সমস্ত যুক্তি-তর্ক মূলতঃ কোনো দলীল নয় এবং তেমন গুরুত্বপূর্ণও নয়। তাই সেই সমস্ত সংশয়ের বর্ণনা এবং পর্যালোচনা করা অনুচিত মনে করলাম। তার পরেও দু’একটি কাল্পনিক চিন্তা ধারার উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি।
* তারা বলেনঃ নবীজী যদি নূরের তৈরী না হতেন, তাহলে মেরাজের সময় আল্লাহর একেবারে নিকটবর্তী কিভাবে হলেন? অন্যদিকে মুসা (আঃ) যখন আল্লাহর দর্শন কামনা করেন, তখন মহান আল্লাহ নিজ সত্তার বিন্দু মাত্র প্রকাশ করতেই পাহাড় ফেটে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। মূসা নবী অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
উত্তরে বলা যেতে পারে যে, আদম (আঃ) কে আল্লাহ নিজ হাতে তৈরী করেন। কিন্তু তিনি কি পুড়ে গেছিলেন ? না। কথা হল, আল্লাাহ যদি চান তাহলে তার নূর দ্বারা কাউকে জালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে পারেন। আবার কারো জন্যে তা মধুময় চিরশান্তির করে দিতে পারেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য তাই করে দেন। এমন নয় যে, নূরের তৈরী হতে হবে তার পরেই আল্লাহর কাছে যেতে পারবে। তাছাড়া প্রমাণ আছে যে, যখন নবী (সাঃ) কে মেরাজে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন ফেরেশতা তাঁর বক্ষ বিদীর্ণ করে , জমজমের পানি দ্বারা অন্তর ধৌত করেন। সেই সময় হয়তঃ ফেরেশতাগণ এমন কিছু ক্ষমতা নবী (সাঃ) এর বক্ষে ঢুকিয়ে দেন যে কারণে তিনি সপ্ত আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার সাথে কথোপকথন করতে সক্ষম হন।
* নূরের নবী প্রমাণে আবার কেউ বলেনঃ একদিন মা আয়েশা কাঁথা সেলাই করছিলেন। হঠাৎ সুই হারিয়ে ফেলেন। অন্ধকার ঘর। এমন সময় নবী (সাঃ) এর শরীর থেকে নূর দিপ্ত হয় এবং সুই কুড়িয়ে নেন।
প্রথমতঃ এটি একটি নিছক কাল্পনিক বা নিজের তৈরীকৃত কেচ্ছা মাত্র। সহীহ সীরাত বা হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই। দ্বিতীয়তঃ তিনি (সাঃ) নূরের হওয়ার কারণে অন্ধকারে যদি সুই খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে শুধু সেই রাতেই আলো হল কেন? নূরের হলে তো সবসময় আলো হওয়ার কথা।
নবী (সাঃ) নূরের তৈরী একথা প্রমাণ করার জন্য এ ধরণের আরো অনেক আজগুবি, অবাস্তব ও উদ্ভট কিচ্ছা-কাহিনীর অবতারনা করতে দেখা যায়। যে গুলোর না তো সহীহ প্রমাণ আছে, আর না হাত পা আছে, আর না আছে ঐতিহাসিক সত্যতা। তাদের প্রতিউত্তরে পুস্তকটিতে যা কিছু বর্ণনা করা হল, আশা করি বিবেকবান ভাইদের জন্য যথেষ্ট।
* তারা বলেনঃ নবীজী যদি নূরের তৈরী না হতেন, তাহলে মেরাজের সময় আল্লাহর একেবারে নিকটবর্তী কিভাবে হলেন? অন্যদিকে মুসা (আঃ) যখন আল্লাহর দর্শন কামনা করেন, তখন মহান আল্লাহ নিজ সত্তার বিন্দু মাত্র প্রকাশ করতেই পাহাড় ফেটে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। মূসা নবী অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
উত্তরে বলা যেতে পারে যে, আদম (আঃ) কে আল্লাহ নিজ হাতে তৈরী করেন। কিন্তু তিনি কি পুড়ে গেছিলেন ? না। কথা হল, আল্লাাহ যদি চান তাহলে তার নূর দ্বারা কাউকে জালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিতে পারেন। আবার কারো জন্যে তা মধুময় চিরশান্তির করে দিতে পারেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য তাই করে দেন। এমন নয় যে, নূরের তৈরী হতে হবে তার পরেই আল্লাহর কাছে যেতে পারবে। তাছাড়া প্রমাণ আছে যে, যখন নবী (সাঃ) কে মেরাজে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন ফেরেশতা তাঁর বক্ষ বিদীর্ণ করে , জমজমের পানি দ্বারা অন্তর ধৌত করেন। সেই সময় হয়তঃ ফেরেশতাগণ এমন কিছু ক্ষমতা নবী (সাঃ) এর বক্ষে ঢুকিয়ে দেন যে কারণে তিনি সপ্ত আকাশ পেরিয়ে আল্লাহ তাআলার সাথে কথোপকথন করতে সক্ষম হন।
* নূরের নবী প্রমাণে আবার কেউ বলেনঃ একদিন মা আয়েশা কাঁথা সেলাই করছিলেন। হঠাৎ সুই হারিয়ে ফেলেন। অন্ধকার ঘর। এমন সময় নবী (সাঃ) এর শরীর থেকে নূর দিপ্ত হয় এবং সুই কুড়িয়ে নেন।
প্রথমতঃ এটি একটি নিছক কাল্পনিক বা নিজের তৈরীকৃত কেচ্ছা মাত্র। সহীহ সীরাত বা হাদীসে এর কোন প্রমাণ নেই। দ্বিতীয়তঃ তিনি (সাঃ) নূরের হওয়ার কারণে অন্ধকারে যদি সুই খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে শুধু সেই রাতেই আলো হল কেন? নূরের হলে তো সবসময় আলো হওয়ার কথা।
নবী (সাঃ) নূরের তৈরী একথা প্রমাণ করার জন্য এ ধরণের আরো অনেক আজগুবি, অবাস্তব ও উদ্ভট কিচ্ছা-কাহিনীর অবতারনা করতে দেখা যায়। যে গুলোর না তো সহীহ প্রমাণ আছে, আর না হাত পা আছে, আর না আছে ঐতিহাসিক সত্যতা। তাদের প্রতিউত্তরে পুস্তকটিতে যা কিছু বর্ণনা করা হল, আশা করি বিবেকবান ভাইদের জন্য যথেষ্ট।