১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
‘‘নূরূন মিন্ নূরিল্লাহ’’ শেরেকী আক্কীদাহ
নবীজী আল্লাহর নূরের মধ্য থেকে একটি নূর বা তাঁকে আল্লাহ তাআলা নিজ নূর দিয়ে তৈরী করেছেন এই ধারণাটির মধ্যে রয়েছে কয়েকটি অনৈসলামিক মুশরেকী আক্কীদাহ বা বিশ্বাস। নিুে বিষয়টির বিবরণ দেয়া হলঃ
খৃষ্টানেরা হযরত ঈসা (আঃ) কে আল্লাহর পুত্র হিসাবে বিশ্বাস করে। আল্লাহ কুরআনে বহু স্থানে খৃষ্টানদের এই ভ্রান্ত আকীদার প্রতিবাদ করে বলেছেন যে, আল্লাহর সহধর্মিনী নেই। পিতা নেই। মাতা নেই। পুত্র সন্তানও নেই। তিনি এক অদ্বিতীয়। আল্লাহ তাআলা সূরা ইখলাসে বলেনঃ ( হে নবী তুমি বলে দাও, তিনি আল্লাহ একক। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জম্ম দেননি এবং কেউ তাকে জম্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই। ) কথাগুলো কত সুন্দর, কত স্পষ্ট। তিনি কাউকে জম্ম দেননি এবং কেউ তাকে জম্ম দেয়নি। এখন যদি কেউ বলে যে, মুহাম্মদ (সাঃ) কে আল্লাহ নিজ নূর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, তাহলে তার কথা কি কুরআনী এই বাণীর বিপরীত নয়? অন্যদিকে নাসারারা যখন বলল, ঈসা আল্লাহর পুত্র, তখন তারা মুশরিক কাফের ইসলাম বহির্ভূত দল। আর যখন অনুরূপ কথা নামধারী কিছু মুসলিম বললঃ ‘নবী হচ্ছেন আল্লাহর নূর’। প্রথমে আল্লাহ নিজ নূর দ্বারা নবীর নূরকে সৃষ্টি করেন তারপর সমগ্র পৃথিবীকে সেই নূর দ্বারা সৃষ্টি করেন, তাহলে তারা ইসলাম বহির্ভূত দল নয়। এই আকীদার লোকেরাই আবার দাবী করছে, তারাই নাকি সুন্নী দল। মুসলিম উম্মার অন্যান্য ভাইদের জোর গলায় কাফের বলে ফতোয়াবাজী করতেও দ্বিধা করছেনা।
আল্লাহ প্রথমে নবীর নূরকে সৃষ্টি করেছেন। পরে সেই নূর দ্বারা সারা জাহান তৈরী করেছেন। ধারণাটি হিন্দুইজমের আকীদার সাথেও যথেষ্ট মিল রাখে। তাদের বিশ্বাস, ইশ্বর প্রথমে ব্রম্মা বা পরমাত্মাকে সৃষ্টি করে। তার পর পরমাত্মা থেকে সমস্ত আত্মা তথা সারা বিশ্বকে সৃষ্টি করে।
এরপরেও কি আমরা এই আকীদাহ রাখব? আল্লাহর কাছে জিকির">দু’আ করি যেন, তিনি নিজ করূণায় এই পুস্তক দ্বারা পথভ্রষ্ট ভাইদের সঠিক পথের দিশা দেন। আমীন!
খৃষ্টানেরা হযরত ঈসা (আঃ) কে আল্লাহর পুত্র হিসাবে বিশ্বাস করে। আল্লাহ কুরআনে বহু স্থানে খৃষ্টানদের এই ভ্রান্ত আকীদার প্রতিবাদ করে বলেছেন যে, আল্লাহর সহধর্মিনী নেই। পিতা নেই। মাতা নেই। পুত্র সন্তানও নেই। তিনি এক অদ্বিতীয়। আল্লাহ তাআলা সূরা ইখলাসে বলেনঃ ( হে নবী তুমি বলে দাও, তিনি আল্লাহ একক। আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জম্ম দেননি এবং কেউ তাকে জম্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই। ) কথাগুলো কত সুন্দর, কত স্পষ্ট। তিনি কাউকে জম্ম দেননি এবং কেউ তাকে জম্ম দেয়নি। এখন যদি কেউ বলে যে, মুহাম্মদ (সাঃ) কে আল্লাহ নিজ নূর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, তাহলে তার কথা কি কুরআনী এই বাণীর বিপরীত নয়? অন্যদিকে নাসারারা যখন বলল, ঈসা আল্লাহর পুত্র, তখন তারা মুশরিক কাফের ইসলাম বহির্ভূত দল। আর যখন অনুরূপ কথা নামধারী কিছু মুসলিম বললঃ ‘নবী হচ্ছেন আল্লাহর নূর’। প্রথমে আল্লাহ নিজ নূর দ্বারা নবীর নূরকে সৃষ্টি করেন তারপর সমগ্র পৃথিবীকে সেই নূর দ্বারা সৃষ্টি করেন, তাহলে তারা ইসলাম বহির্ভূত দল নয়। এই আকীদার লোকেরাই আবার দাবী করছে, তারাই নাকি সুন্নী দল। মুসলিম উম্মার অন্যান্য ভাইদের জোর গলায় কাফের বলে ফতোয়াবাজী করতেও দ্বিধা করছেনা।
আল্লাহ প্রথমে নবীর নূরকে সৃষ্টি করেছেন। পরে সেই নূর দ্বারা সারা জাহান তৈরী করেছেন। ধারণাটি হিন্দুইজমের আকীদার সাথেও যথেষ্ট মিল রাখে। তাদের বিশ্বাস, ইশ্বর প্রথমে ব্রম্মা বা পরমাত্মাকে সৃষ্টি করে। তার পর পরমাত্মা থেকে সমস্ত আত্মা তথা সারা বিশ্বকে সৃষ্টি করে।
এরপরেও কি আমরা এই আকীদাহ রাখব? আল্লাহর কাছে জিকির">দু’আ করি যেন, তিনি নিজ করূণায় এই পুস্তক দ্বারা পথভ্রষ্ট ভাইদের সঠিক পথের দিশা দেন। আমীন!