১
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি
লেখকঃ শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
খ- উপাদানের কারণে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ, ইবলিসের যুক্তিঃ-
আমরা বেশীর ভাগ মানুষই জানি যে, আল্লাহ তাআলা আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাগণকে সিজদা করতে আদেশ করেন। সমস্ত ফেরেশতা আদেশ পালন করতঃ সিজদা করেন। কিন্তু ইবলিস শয়তান সিজদা করতে অস্বীকার করে এবং যুক্তি পেশ করে। যুক্তিটি আল্লাহ তাআলা কুরআনে বর্ণনা করেনঃ
( قا لَ أنَا خيرٌ منه خلقتنى مِن نارٍ و خلقته من طين ) الأعراف /১২
অনুবাদঃ (ইবলিস বলে আমি তার (আদম) থেকে উত্তম। আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর ওকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।) [সূরা আরাফ/ ১২]
ইবলিস শয়তানের ধারণা, আগুন মাটির চেয়ে উত্তম। কিন্তু আসলে তার ধারণা কি ঠিক? প্রকৃতপক্ষে আগুন কি মাটির তুলনায় উত্তম? ভেবে দেখলে আগুন নয় মাটিই উত্তম। কারণ আগুনের স্বভাবে রয়েছে ক্রোধ, রাগ, জ্বালা, যন্ত্রণা, অহংকার এবং দাম্ভিকতা। আর সে কারণেই সে আদমের কাছে মাথা নত করেনি। যেমন তার স্বভাব হচ্ছে নিজের কাছাকাছি বস্তুকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া। অন্যদিকে মাটির স্বভাবে রয়েছে বিনয়, নম্রতা, আত্মসমর্পণ এবং আনুগত্য। আর এ কারণেই আদম সন্তান আনুগত্য করে চলেছে। ভুল-ত্র“টির সময় আত্মসমর্পণ করছে তার রবের নিকটে। মাটির স্বভাবে রয়েছে বৃদ্ধির ক্ষমতা, ধংসের নয়। তাই তার গর্ভ থেকে জম্ম নেয় হাজার হাজার উদ্ভিদ। সবুজ রঙ্গে রঙ্গানর ক্ষমতা আছে তার মধ্যে। পক্ষান্তরে এই সব কিছুকে ধংস করার ক্ষমতা রাখে আগুন। আরো এক ধাপ এগিয়ে দেখলে দেখা যায়, আল্লাহ জাহান্নামে যে ভয়ঙ্কর আযাবের বর্ণনা দিয়েছেন, তা হচ্ছে আগুনের আযাব। যদি আগুন মাটির চেয়ে ভালই হত, তাহলে মনে হয় জাহান্নামে আগুন দ্বারা নয় মাটি দ্বারা শাস্তি দেয়া হত।
মোটকথা, সৃষ্টি জগতের কোন উপাদান কারো অপেক্ষা অতিরিক্ত মর্যাদা রাখে, এই ধারণার সূচনা হয় ইবলিস শয়তান থেকে। তাই যদি কোন ভাই ধারণা করে যে, নূরের সৃষ্টি হলেই মর্যাদাবান হবে, নচেৎ নয়। তাহলে তার ধারণা সঠিক নয়। কারণ সব উপাদানের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ। হ্যাঁ, যে কারণে কোন উপাদান বা বস্তু মর্যাদা লাভ করে , তাহল তার গুণগত বৈশিষ্ট। প্রিয় নবী (সাঃ) এর মধ্যে যে গুণাবলী ছিল, সৃষ্টিকুলের উপর শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য তাই যথেষ্ট ছিল। নূরের তৈরী বলেই যে তিনি শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিলেন এমন কথা নয়।
( قا لَ أنَا خيرٌ منه خلقتنى مِن نارٍ و خلقته من طين ) الأعراف /১২
অনুবাদঃ (ইবলিস বলে আমি তার (আদম) থেকে উত্তম। আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন আর ওকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।) [সূরা আরাফ/ ১২]
ইবলিস শয়তানের ধারণা, আগুন মাটির চেয়ে উত্তম। কিন্তু আসলে তার ধারণা কি ঠিক? প্রকৃতপক্ষে আগুন কি মাটির তুলনায় উত্তম? ভেবে দেখলে আগুন নয় মাটিই উত্তম। কারণ আগুনের স্বভাবে রয়েছে ক্রোধ, রাগ, জ্বালা, যন্ত্রণা, অহংকার এবং দাম্ভিকতা। আর সে কারণেই সে আদমের কাছে মাথা নত করেনি। যেমন তার স্বভাব হচ্ছে নিজের কাছাকাছি বস্তুকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া। অন্যদিকে মাটির স্বভাবে রয়েছে বিনয়, নম্রতা, আত্মসমর্পণ এবং আনুগত্য। আর এ কারণেই আদম সন্তান আনুগত্য করে চলেছে। ভুল-ত্র“টির সময় আত্মসমর্পণ করছে তার রবের নিকটে। মাটির স্বভাবে রয়েছে বৃদ্ধির ক্ষমতা, ধংসের নয়। তাই তার গর্ভ থেকে জম্ম নেয় হাজার হাজার উদ্ভিদ। সবুজ রঙ্গে রঙ্গানর ক্ষমতা আছে তার মধ্যে। পক্ষান্তরে এই সব কিছুকে ধংস করার ক্ষমতা রাখে আগুন। আরো এক ধাপ এগিয়ে দেখলে দেখা যায়, আল্লাহ জাহান্নামে যে ভয়ঙ্কর আযাবের বর্ণনা দিয়েছেন, তা হচ্ছে আগুনের আযাব। যদি আগুন মাটির চেয়ে ভালই হত, তাহলে মনে হয় জাহান্নামে আগুন দ্বারা নয় মাটি দ্বারা শাস্তি দেয়া হত।
মোটকথা, সৃষ্টি জগতের কোন উপাদান কারো অপেক্ষা অতিরিক্ত মর্যাদা রাখে, এই ধারণার সূচনা হয় ইবলিস শয়তান থেকে। তাই যদি কোন ভাই ধারণা করে যে, নূরের সৃষ্টি হলেই মর্যাদাবান হবে, নচেৎ নয়। তাহলে তার ধারণা সঠিক নয়। কারণ সব উপাদানের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ। হ্যাঁ, যে কারণে কোন উপাদান বা বস্তু মর্যাদা লাভ করে , তাহল তার গুণগত বৈশিষ্ট। প্রিয় নবী (সাঃ) এর মধ্যে যে গুণাবলী ছিল, সৃষ্টিকুলের উপর শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য তাই যথেষ্ট ছিল। নূরের তৈরী বলেই যে তিনি শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিলেন এমন কথা নয়।