১
ফিতনাতুত-তাকফীর
লেখকঃ শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
ইমাম আহলে সুন্নাত আহমাদ বিন হাম্বল (রহ) (মৃত : ২৪১ হি :)
قال اسْماعيل بن سعد فى ’’ سؤلات ابن هانى ‘‘ (২/১৯২) سألت احْمد : ﴿وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ الله فَأُوْلَئِكَ هُمُ الكافرون﴾ : فما هذا الكفر؟ قال : كفر لا يَخرج من الْملة
‘‘ইসামঈল বিন সা‘দ তাঁর ‘‘সুওয়ালাতে ইবনু হানী’’ (২/১৯২)-এ বলেন, ইমাম আহমাদ (রহ)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল ‘‘যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী হুকুম জারি করে না তারা কাফির’’ (সূরা মায়িদাহ : ৪৪) আয়াতটিতে কুফরের উদ্দেশ্য কী? তিনি (রহ) বললেন : এই কুফর মিল্লাত থেকে বহিষ্কার করে না।’’
ولَما سئل ابو داؤد الْسجستانى فى ’’ سؤالاته ‘‘ ( صـ١١٤ ) عن هذه الاية، أجابه يقول طاوس و عطاء الْمتقدمين
‘‘যখন আবূ দাউদ সিজিস্তানীকে নিজের ‘সুওয়ালাত’-এ (পৃ. ১১৪) আলোচ্য আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, তিনি (রহ) জবাবে বললেন : ইমাম আহমাদ (রহ) তাউস ও আতা‘র (থেকে) পূর্বে উল্লিখিত বক্তব্য উল্লেখ করেন।’’
وذكره شيخ الاسلام بن تيمية فى ’’ مُجمع الفتوى ‘‘ (٧/ ٢٥٤ ) وتلميذه ابن قيم حكم ’’ تارك الصلاة ‘‘ ( صـ ٥٩-٦٠ ) : ان الإمام اَحْمد رحمه الله سئل عن الكفر الْمذكور في آية الْحكم، فقال : ’’ كفر لا ينقل عن الْملة، مثل الإيْمان بعضه دون بعض، فكذلك الْكفر، حتى يَجزى، من ذلك أمر لا يَختلف فيه ‘‘ ـ
শায়খুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া (রহ) তাঁর ‘মাজমাউল ফাতাওয়া’’ (৭/২৫৪)-তে এবং তাঁর ছাত্র হাফিয ইবনুল ক্বাইয়েম (রহ) ‘তারকুস সালাতে’ (পৃ. ৫৯-৬০) বর্ণনা করেছেন : ইমাম আহমাদ (রহ)-কে আলোচ্য আয়াতে তাহক্বীম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন : ‘‘এটি এমন কুফর যা মিল্লাত থেকে খারিজ করে না। যেভাবে ঈমানের (শাখাগুলো) কোনটি কোনটির থেকে কমবেশি হয়। অনুরূপভাবে কুফরও যতক্ষণ না তা জায়েয মনে করে। এভাবে ঐ ব্যক্তি এমন কুফরের অধিকারী হয় যে ব্যাপারে কোন ইখতিলাফ নেই।’’
‘‘ইসামঈল বিন সা‘দ তাঁর ‘‘সুওয়ালাতে ইবনু হানী’’ (২/১৯২)-এ বলেন, ইমাম আহমাদ (রহ)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল ‘‘যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী হুকুম জারি করে না তারা কাফির’’ (সূরা মায়িদাহ : ৪৪) আয়াতটিতে কুফরের উদ্দেশ্য কী? তিনি (রহ) বললেন : এই কুফর মিল্লাত থেকে বহিষ্কার করে না।’’
ولَما سئل ابو داؤد الْسجستانى فى ’’ سؤالاته ‘‘ ( صـ١١٤ ) عن هذه الاية، أجابه يقول طاوس و عطاء الْمتقدمين
‘‘যখন আবূ দাউদ সিজিস্তানীকে নিজের ‘সুওয়ালাত’-এ (পৃ. ১১৪) আলোচ্য আয়াতটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, তিনি (রহ) জবাবে বললেন : ইমাম আহমাদ (রহ) তাউস ও আতা‘র (থেকে) পূর্বে উল্লিখিত বক্তব্য উল্লেখ করেন।’’
وذكره شيخ الاسلام بن تيمية فى ’’ مُجمع الفتوى ‘‘ (٧/ ٢٥٤ ) وتلميذه ابن قيم حكم ’’ تارك الصلاة ‘‘ ( صـ ٥٩-٦٠ ) : ان الإمام اَحْمد رحمه الله سئل عن الكفر الْمذكور في آية الْحكم، فقال : ’’ كفر لا ينقل عن الْملة، مثل الإيْمان بعضه دون بعض، فكذلك الْكفر، حتى يَجزى، من ذلك أمر لا يَختلف فيه ‘‘ ـ
শায়খুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া (রহ) তাঁর ‘মাজমাউল ফাতাওয়া’’ (৭/২৫৪)-তে এবং তাঁর ছাত্র হাফিয ইবনুল ক্বাইয়েম (রহ) ‘তারকুস সালাতে’ (পৃ. ৫৯-৬০) বর্ণনা করেছেন : ইমাম আহমাদ (রহ)-কে আলোচ্য আয়াতে তাহক্বীম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন : ‘‘এটি এমন কুফর যা মিল্লাত থেকে খারিজ করে না। যেভাবে ঈমানের (শাখাগুলো) কোনটি কোনটির থেকে কমবেশি হয়। অনুরূপভাবে কুফরও যতক্ষণ না তা জায়েয মনে করে। এভাবে ঐ ব্যক্তি এমন কুফরের অধিকারী হয় যে ব্যাপারে কোন ইখতিলাফ নেই।’’