১
ফিতনাতুত-তাকফীর
লেখকঃ শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
শায়খ আব্দুর রহমান বিন নাসির সা‘দী (রহ) (মৃত : ১৩০৭ হি :)
قال فى تيسر الكريْم الرحْمن (٢/ ٢٩٦-٢٩٧ ) فالْحكم بغير ما أنزل الله من أعمال أهل الكفر، وقد يكون كفرا ينقل عن الْملة، وذلك إذا اعتقد حله وجوازه . وقد يكون كبيْرة من كبائر الذنوب، ومن أعمال الكفر قد استحق من فعله العذاب الشديد . .... قال ابن عباس : كفر دون كفر، وظلم دون ظلم، وفسق دون فسق، فهو ظلم أكبر، عند استحلاله، وعظيمة كبيرة عند فعله غير مستحل له .
শায়খ আব্দুর রহমান নাসির আস-সা‘দী (রহ) তাঁর ‘‘তায়সীরুল কারীমির রহমান’’ (২/২৯৬-৯৭)-এ বলেন : ‘‘আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী হুকুম জারি না করাটা কাফিরদের আমল। কখনো এই কুফর মিল্লাত (দ্বীন) থেকে বহিষ্কার করে, যখন আক্বীদার দিক থেকে তা হালাল হওয়া জায়েয করে। কখনো বড় পাপ যা ক্ববীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। এটা তখনই আমলী কুফর হয় যখন সে এর মাধ্যমে কঠিন আযাব হওয়ার যোগ্য মনে করে।....
ইবনু আব্বাস (রা) বলেন : (কখনো এটা) কুফরের থেকে কম কুফর, (কখনো) যুলুমের থেকে কম যুলুম, আবার (কখনো) ফিসক্বের থেকে কম ফিসক্ব। হালাল গণ্য করাটা সর্বোচ্চ যুলুম (শিরক অর্থে)। পক্ষান্তরে হালাল গণ্য না করাটা কবীরা গোনাহর অন্তর্ভূক্ত।’’
পূর্বাপর আলোচনাতে প্রমাণিত হল, আহলে সুন্নাতের স্বীকৃত আলেমদের ‘হুকুম বি গয়রি মা-আনঝালাল্লাহ’-এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে ইজমা‘ হয়েছে।
শায়খ আব্দুর রহমান নাসির আস-সা‘দী (রহ) তাঁর ‘‘তায়সীরুল কারীমির রহমান’’ (২/২৯৬-৯৭)-এ বলেন : ‘‘আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী হুকুম জারি না করাটা কাফিরদের আমল। কখনো এই কুফর মিল্লাত (দ্বীন) থেকে বহিষ্কার করে, যখন আক্বীদার দিক থেকে তা হালাল হওয়া জায়েয করে। কখনো বড় পাপ যা ক্ববীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। এটা তখনই আমলী কুফর হয় যখন সে এর মাধ্যমে কঠিন আযাব হওয়ার যোগ্য মনে করে।....
ইবনু আব্বাস (রা) বলেন : (কখনো এটা) কুফরের থেকে কম কুফর, (কখনো) যুলুমের থেকে কম যুলুম, আবার (কখনো) ফিসক্বের থেকে কম ফিসক্ব। হালাল গণ্য করাটা সর্বোচ্চ যুলুম (শিরক অর্থে)। পক্ষান্তরে হালাল গণ্য না করাটা কবীরা গোনাহর অন্তর্ভূক্ত।’’
পূর্বাপর আলোচনাতে প্রমাণিত হল, আহলে সুন্নাতের স্বীকৃত আলেমদের ‘হুকুম বি গয়রি মা-আনঝালাল্লাহ’-এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে ইজমা‘ হয়েছে।