hadith book logo

সূরা ফাতিহা

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১১

‘বিসমিলস্নাহ’ আলস্নাহর নামে শুরম্ন

সূরা তাওবা ব্যতীত কুরআন মাজীদের প্রতিটি সূরার শুরম্নতে পার্থক্যকারী হিসাবে ‘বিসমিলস্নাহ’ লিখিত ও পঠিত হয়। এতে রয়েছে ৪টি শব্দ ও ১৯টি বর্ণ। এমনিভাবে বই ও চিঠি-পত্রের শুরম্নতে বরকত হাসিলের উদ্দেশ্যেও ‘বিসমিলস্নাহ’ লেখা সম্পর্কে উম্মতের ঐক্যমত রয়েছে। তবে মূলত একটি হচ্ছে সূরা নামলের ৩০ নং আয়াতের অংশ বিশেষ, যা সুলায়মান (আঃ) সাবার রাণী বিলকীসের নিকট লিখিত পত্রের শুরম্নতে লিখেছিলেন। আর আয়াতটি হলো,

﴿قَالَتْ يَاۤ اَيُّهَا الْمَلَاُ اِنِّۤيْ اُلْقِيَ اِلَيَّ كِتَابٌ كَرِيْمٌ اِنَّهٗ مِنْ سُلَيْمَانَ وَاِنَّهٗ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ﴾

সে (নারী) বলল, হে পরিষদবর্গ! আমাকে এক সম্মানিত পত্র দেয়া হয়েছে। নিশ্চয় এটা সুলায়মানের নিকট হতে আগত এবং এটা পরম করম্নণাময় ও অতি দয়ালু আলস্নাহর নামে শুরম্ন করা হয়েছে। (সূরা নামল ২৭ঃ ৩০)

এমনিভাবে আলস্নাহ তা‘আলা নবী নূহ (আঃ)-কে তার জাহাজে উঠার সময় বলেছিলেন,

﴿اِرْكَبُوْا فِيْهَا بِسْمِ اللهِ﴾

তোমরা এতে আলস্নাহর নামে আরোহণ করো। (সূরা হুদ ১১ঃ ৪১)

আরবের মুশরিকরা সকল কাজের শুরম্নতে তাদের দেব-দেবীর নাম নিত। যেমন ‘বিসমিল-লাতে ওয়াল ওযযা’ (লাত ও ওযযার নামে), তার প্রতিবাদে কুরআনের প্রথম আয়াত নাযিল হয় ‘ইক্বরা বিসমি রবিবকালস্নাযী খালাকা’ বলে। অর্থাৎ ‘তুমি পাঠ করো তোমার প্রভুর নামে, যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’। পরবর্তীতে সকল শুভ কাজের শুরম্নতে ‘বিসমিলস্নাহ’ বলার সুন্নাত জারি হয় এবং আলস্নাহর হুকুমে কুরআনের প্রত্যেক সূরার শুরম্নতে ‘বিসমিলস্নাহ’ লেখা হয়।