১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
সলাতে ‘আ-মীন’ জোরে না আসেত্ম বলতে হবে
যেহরী সালাতে ইমামের সূরা ফাতিহা পাঠ শেষে ইমাম-মুক্তাদী সকলে জোরে আমীন বলবে। হাদীসে এসেছে,
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ - إِذَا قَرَأَ ﴿ وَلاَ الضَّآلِّينَ﴾ قَالَ ﴿ اٰمِينَ ﴾ . وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهٗ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ যখন ‘ওয়ালায্যো-লস্নীন’ পাঠ করতেন, তখন উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলতেন। [আবু দাউদ, হা/৯৩৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৬২; ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৫; নাসাঈ, হা/৯৩২; তিরমিযী, হা/২৪৮।]
এ হাদীস থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, রাসূলুলস্নাহ ﷺ নিজে শব্দ করে আমীন বলেছেন। সুতরাং নবী করীম ﷺ নির্দেশিত পথ অনুসরণ করাই আমাদের জন্য শ্রেয়।
এজন্য ইমাম বুখারী (রহ.) তার ‘‘সহীহ বুখারী’’ কিতাবে এভাবে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন,
بَابُ جَهْرِ الْإِمَامِ بِالتَّأْمِيْنِ . وَقَالَ عَطَاءٌ : اٰمِيْنَ دُعَاءٌ أَمَّنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ ، وَمَنْ وَرَاءَهُ حَتّٰى إِنَّ لِلْمَسْجِدِ لَلَجَّةً
ইমাম উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ। আত্বা বলেন, আমীন হলো দু‘আ। ইবনে যুবাইর এবং তার পেছনের লোকেরা এমন জোরে আমীন বলতেন যাতে মসজিদ গুঞ্জরিত হয়ে উঠত। [বুখারী তালীক্ব ১/১০৭ পৃঃ, হা/৭৮০; ফাৎহুল বারী, হা/৭৮০-৮১ ‘সশব্দে আমীন বলা’ অনুচ্ছেদ- ১১১।]
তারপর তিনি নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন -
بَابٌ جَهَرَ الْمَأمُوْمِ بِالتَّأمِيْنِ
অর্থাৎ মুক্তাদীর উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ।
নীরবে আ-মীন বলার হাদীসসমূহের বিশেস্নষণ:
নীরবে আ-মীন বলার পক্ষে যে বর্ণনা এসেছে তা দলীলের জন্য উপযুক্ত নয়। হাদীস বিশারদগণের নিকট নিম্নস্বরে আমীন বলার হাদীসটি মুযত্বারিব অর্থাৎ যার সনদ ও মতনে নাম ও শব্দগত ভুল রয়েছে। উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলার হাদীস এসব ত্রম্নটি থেকে মুক্ত হওয়ার কারণে এর উপর আমল করাই উত্তম। [দার কুতনী, হা/১২৫৬; আর রাওয়াতুন নাদিয়াহ ১/২৭২; আন নাওলুল আওত্বার ৩/৭৫।]
তাছাড়া উপরের আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, ইয়াহুদিরা মুসলিমদের আমীন শব্দ শুনতে পায় এবং এ কারণে তারা হিংসা করে। সুতরাং এখন যদি উচ্চৈঃস্বরে আমীন না বলা হয় তবে তারা শুনবে কী করে? আর না শুনতে পেলে হিংসা করবে কী করে? অতএব উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলাই সুন্নাত।
অপর হাদীসে বলা হয়েছে যে, ইমাম যখন আমীন বলেন তখন তোমরা আমীন বলো। এতে অতি সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, ইমামকে জোরে আমীন বলতে হবে। তাহলেই মুক্তাদীরা ইমামের আমীন শুনতে পাবে এবং তারা ইমামের সাথে আমীন বলবে। এখন যদি ইমাম আসেত্ম আমীন বলেন, তাহলে মুক্তাদীরা তা শুনতে পাবে না। এতে করে সবার আমীন একসাথে হবে না এবং সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হতে হবে। তাই সহীহ হাদীসের উপর আমল করার লক্ষ্যে ইমাম এবং মুক্তাদী সকলেরই জোরে আমীন বলা উচিত।
عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ - إِذَا قَرَأَ ﴿ وَلاَ الضَّآلِّينَ﴾ قَالَ ﴿ اٰمِينَ ﴾ . وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهٗ
ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ যখন ‘ওয়ালায্যো-লস্নীন’ পাঠ করতেন, তখন উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলতেন। [আবু দাউদ, হা/৯৩৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৮৮৬২; ইবনে মাজাহ, হা/৮৫৫; নাসাঈ, হা/৯৩২; তিরমিযী, হা/২৪৮।]
এ হাদীস থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, রাসূলুলস্নাহ ﷺ নিজে শব্দ করে আমীন বলেছেন। সুতরাং নবী করীম ﷺ নির্দেশিত পথ অনুসরণ করাই আমাদের জন্য শ্রেয়।
এজন্য ইমাম বুখারী (রহ.) তার ‘‘সহীহ বুখারী’’ কিতাবে এভাবে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন,
بَابُ جَهْرِ الْإِمَامِ بِالتَّأْمِيْنِ . وَقَالَ عَطَاءٌ : اٰمِيْنَ دُعَاءٌ أَمَّنَ ابْنُ الزُّبَيْرِ ، وَمَنْ وَرَاءَهُ حَتّٰى إِنَّ لِلْمَسْجِدِ لَلَجَّةً
ইমাম উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ। আত্বা বলেন, আমীন হলো দু‘আ। ইবনে যুবাইর এবং তার পেছনের লোকেরা এমন জোরে আমীন বলতেন যাতে মসজিদ গুঞ্জরিত হয়ে উঠত। [বুখারী তালীক্ব ১/১০৭ পৃঃ, হা/৭৮০; ফাৎহুল বারী, হা/৭৮০-৮১ ‘সশব্দে আমীন বলা’ অনুচ্ছেদ- ১১১।]
তারপর তিনি নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন -
بَابٌ جَهَرَ الْمَأمُوْمِ بِالتَّأمِيْنِ
অর্থাৎ মুক্তাদীর উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলা অনুচ্ছেদ।
নীরবে আ-মীন বলার হাদীসসমূহের বিশেস্নষণ:
নীরবে আ-মীন বলার পক্ষে যে বর্ণনা এসেছে তা দলীলের জন্য উপযুক্ত নয়। হাদীস বিশারদগণের নিকট নিম্নস্বরে আমীন বলার হাদীসটি মুযত্বারিব অর্থাৎ যার সনদ ও মতনে নাম ও শব্দগত ভুল রয়েছে। উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলার হাদীস এসব ত্রম্নটি থেকে মুক্ত হওয়ার কারণে এর উপর আমল করাই উত্তম। [দার কুতনী, হা/১২৫৬; আর রাওয়াতুন নাদিয়াহ ১/২৭২; আন নাওলুল আওত্বার ৩/৭৫।]
তাছাড়া উপরের আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, ইয়াহুদিরা মুসলিমদের আমীন শব্দ শুনতে পায় এবং এ কারণে তারা হিংসা করে। সুতরাং এখন যদি উচ্চৈঃস্বরে আমীন না বলা হয় তবে তারা শুনবে কী করে? আর না শুনতে পেলে হিংসা করবে কী করে? অতএব উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলাই সুন্নাত।
অপর হাদীসে বলা হয়েছে যে, ইমাম যখন আমীন বলেন তখন তোমরা আমীন বলো। এতে অতি সহজেই বুঝা যাচ্ছে যে, ইমামকে জোরে আমীন বলতে হবে। তাহলেই মুক্তাদীরা ইমামের আমীন শুনতে পাবে এবং তারা ইমামের সাথে আমীন বলবে। এখন যদি ইমাম আসেত্ম আমীন বলেন, তাহলে মুক্তাদীরা তা শুনতে পাবে না। এতে করে সবার আমীন একসাথে হবে না এবং সওয়াব থেকেও বঞ্চিত হতে হবে। তাই সহীহ হাদীসের উপর আমল করার লক্ষ্যে ইমাম এবং মুক্তাদী সকলেরই জোরে আমীন বলা উচিত।