১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
رَبٌّ (রবব) শব্দের অর্থ
رَبٌّ (রবব) শব্দটি صِفَةِ مُشَبَّهَةٌ এর ছিগা। এর অর্থ হচ্ছে- প্রতিপালক, মালিক, প্রভু, মনিব, লালন-পালনকারী ইত্যাদি। আবার এ শব্দটি تَرْبِيِةٌ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো, কোন বস্ত্তকে পর্যায়ক্রমে পরিপূর্ণ করে তোলা। সুতরাং رَبٌّ (রবব) বলতে ঐ সত্তাকে বুঝানো হয়, যিনি কোন জিনিসকে তার মঙ্গলের দিকে দৃষ্টি রেখে পর্যায়ক্রমে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দেন।
رَبٌّ (রবব) শব্দটির حَقِيْقِىْ (হাকীকী) তথা মূল অর্থের দিকে লক্ষ্য করলে رَبٌّ (রবব) বলতে কেবল আলস্নাহকেই বুঝানো হয়। কেননা তিনিই হচ্ছে সারা পৃথিবীর একমাত্র রব এবং এটি হচ্ছে তার একটি গুণবাচক নাম। আর رَبٌّ (রবব) শব্দটির مَجَازِ অর্থের দিকে লক্ষ্য করলে বান্দার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যেমন - رَبُّ الْمَالِ (রাববুল মাল) তথা সম্পদের মালিক।
আলস্নাহর সকল গুণের মধ্যে এ গুণটিই সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ। কেননা ‘সৃষ্টিকর্তা’ হিসেবে তাঁকে প্রায় সকল মানুষ স্বীকার করলেও ‘পালনকর্তা’ হিসাবে অনেকে স্বীকার করতে চায় না। তাই মুমিন হওয়ার আবশ্যিক শর্ত হলো আলস্নাহকে رَبٌّ (রবব) হিসাবে স্বীকার করা।
বর্তমানে رَبٌّ (রবব) শব্দটিকে বিভিন্ন ভাবে অনুবাদ করা হয়। যেমন- পালনকর্তা, সৃষ্টিকর্তা, প্রভু ইত্যাদি। তবে প্রকৃতপক্ষে رَبٌّ (রবব) শব্দটি এত ব্যাপক অর্থবোধক যে, কোন একটি অথবা দুটি শব্দ দ্বারা এর প্রকৃত তাৎপর্য বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ এর অর্থ একই সাথে মালিক, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, সযত্নে পালনকর্তা, অনুগ্রহদাতা, রক্ষক, পথ প্রদর্শক ইত্যাদিও হয়। সুতরাং رَبٌّ (রবব) এর প্রকৃত অর্থ বুঝতে হলে উপরোক্ত সবকটি অর্থের দিকে নযর দিতে হবে। কেননা আলস্নাহ তা‘আলা উলেস্নখিত সকল অর্থেই তিনি আমাদের রব। তিনি আমাদেরকে কেবল সৃষ্টি করে এবং লালন-পালন করেই ক্ষামত্ম হননি। বরং তিনি আমাদেরকে পথ প্রদর্শনও করেন।
رَبٌّ (রবব) শব্দটির حَقِيْقِىْ (হাকীকী) তথা মূল অর্থের দিকে লক্ষ্য করলে رَبٌّ (রবব) বলতে কেবল আলস্নাহকেই বুঝানো হয়। কেননা তিনিই হচ্ছে সারা পৃথিবীর একমাত্র রব এবং এটি হচ্ছে তার একটি গুণবাচক নাম। আর رَبٌّ (রবব) শব্দটির مَجَازِ অর্থের দিকে লক্ষ্য করলে বান্দার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যেমন - رَبُّ الْمَالِ (রাববুল মাল) তথা সম্পদের মালিক।
আলস্নাহর সকল গুণের মধ্যে এ গুণটিই সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ। কেননা ‘সৃষ্টিকর্তা’ হিসেবে তাঁকে প্রায় সকল মানুষ স্বীকার করলেও ‘পালনকর্তা’ হিসাবে অনেকে স্বীকার করতে চায় না। তাই মুমিন হওয়ার আবশ্যিক শর্ত হলো আলস্নাহকে رَبٌّ (রবব) হিসাবে স্বীকার করা।
বর্তমানে رَبٌّ (রবব) শব্দটিকে বিভিন্ন ভাবে অনুবাদ করা হয়। যেমন- পালনকর্তা, সৃষ্টিকর্তা, প্রভু ইত্যাদি। তবে প্রকৃতপক্ষে رَبٌّ (রবব) শব্দটি এত ব্যাপক অর্থবোধক যে, কোন একটি অথবা দুটি শব্দ দ্বারা এর প্রকৃত তাৎপর্য বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ এর অর্থ একই সাথে মালিক, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, সযত্নে পালনকর্তা, অনুগ্রহদাতা, রক্ষক, পথ প্রদর্শক ইত্যাদিও হয়। সুতরাং رَبٌّ (রবব) এর প্রকৃত অর্থ বুঝতে হলে উপরোক্ত সবকটি অর্থের দিকে নযর দিতে হবে। কেননা আলস্নাহ তা‘আলা উলেস্নখিত সকল অর্থেই তিনি আমাদের রব। তিনি আমাদেরকে কেবল সৃষ্টি করে এবং লালন-পালন করেই ক্ষামত্ম হননি। বরং তিনি আমাদেরকে পথ প্রদর্শনও করেন।