১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
হেদায়াত লাভের উপায়
নিম্নে হেদায়াত লাভের কয়েকটি উপায় তুলে ধরা হলো :
আলস্নাহকে শক্তভাবে ধারণ করা :
হেদায়াতের মূল উৎসই হচ্ছেন মহান আলস্নাহ তা‘আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করে থাকে। সুতরাং যারা আলস্নাহকে শক্তভাবে ধারণ করবে তথা আলস্নাহর উপর ঈমান আনয়ন করবে, একমাত্র তাঁরই উপর নির্ভরশীল হবে, তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে, তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করবে না, আলস্নাহ তাদেরকেই হেদয়াত প্রদান করবেন। কুরআন মাজীদে তিনি বলেন,
وَمَنْ يَّعْتَصِمْ بِاللهِ فَقَدْ هُدِيَ اِلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
আর যে ব্যক্তি শক্তভাবে আলস্নাহকে ধারণ করবে, সে সৎপথে পরিচালিত হবে। (সূরা আলে ইমরান- ১০১)
আলস্নাহর ইবাদাত করা :
হেদায়াত লাভের প্রধান নিদর্শন হচ্ছে, আলস্নাহর ইবাদত করা। কেননা আলস্নাহর ইবাদত করা ছাড়া কোন ব্যক্তি হেদায়ত লাভ করতে পারেনা। আর আলস্নাহ তা’আলা তাকেই সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, যে ব্যক্তি একনিষ্ঠভাবে আলস্নাহর প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান আনয়ন করে এবং তার ইবাদতে ব্যসত্ম থাকে। হাদীসে কুদসীতে এসেছে.
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : يَقُولُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ : أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِيْ بِيْ، وَأَنَا مَعَهٗ حِيْنَ يَذْكُرُنِيْ، إِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ نَفْسِه ، ذَكَرْتُهٗ فِيْ نَفْسِيْ، وَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ مَلَإٍ، ذَكَرْتُهٗ فِيْ مَلَإٍ هُمْ خَيْرٌ مِنْهُمْ، وَإِنْ تَقَرَّبَ مِنِّيْ شِبْرًا، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا، وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا، تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا، وَإِنْ أَتَانِيْ يَمْشِي أَتَيْتُهٗ هَرْوَلَةً -
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ বলেছেন, আলস্নাহ তা’আলা বলেন, আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী নিকটে আছি। যখন সে আমার যিক্র (স্মরণ) করে, সে সময় আমি তার সাথে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে কোন সভায় আমার কথা স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, তাহলে আমি তার দিকে দৌঁড়ে আসি। [সহীহ বুখারী, হা/৭৪০৫, সহীহ মুসলিম, হা/৬৯৮১,৭০০৮,৭১২৮; তিরমিযী হা/৩৬০৩; ইবনে মাযাহ, হা/৩৮৩২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৪১৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৪; মিশকাত, হা/২২৬৪]
অতএব হেদায়াত লাভ করতে প্রথমে নিজে আলস্নাহর দিকে অগ্রসর হতে হবে, তাহলে আলস্নাহ তা‘আলা তার দিকে অগ্রসর হবেন এবং তাকে সঠিক পথে হেদায়াত প্রদান করবেন।
রাসূলুলস্নাহ ﷺ Gi Av`k© AbymiY Kiv :
হোদয়াত লাভের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় আদর্শ হচ্ছে রাসূলুলস্নাহ ﷺ Gi RxebPwiÎ| †Kbbv wZwb wQ‡jb m‡ev©”P †n`vqv‡Zi Dci cÖwZwôZ| আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظاً
যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল সে তো আলস্নাহর আনুগত্য করল এবং যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিল তবে মনে রেখো তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রেরণ করিনি।(সূরা নিসা- ৮০)
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيهِمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ .....
তোমাদের মধ্যে যারা আলস্নাহ ও পরকালের দিনকে ভয় করে এবং আলস্নাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে, তাদের জন্য আলস্নাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।(সূরা আহযাব-২১)
অতএব হেদায়ত পেতে হলে অবশ্যই পরিপূর্ণভাবে রাসূলুলস্নাহ ﷺ এর অনুসরণ করতে হবে।
মুত্তাকী হওয়া :
হোদয়াত লাভের প্রধান হকদার হচ্ছেন মুত্তাকীগণ। কেননা তারাই হচ্ছেন আলস্নাহ তা‘আলার প্রকৃত বান্দা। আলস্নাহ তা‘আলা তাদের হেদায়াতের জন্যই কুরআন নাযিল করেছেন। তিনি বলেন,
ذٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَۚ فِيْهِۚ هُدًى لِّلْمُتَّقِيْنَ
এটা ঐ গ্রন্থ যার মধ্যে কোনরূপ সন্দেহ নেই; আর মুত্তাক্বীদের জন্য এটা হেদায়াতস্বরূপ। (সূরা বাক্বারা- ২)
সুতরাং যে ব্যক্তি যত বেশি মুত্তাকী হতে সক্ষম হবে, সে ব্যক্তি আলস্নাহর পক্ষ থেকে তত বেশি হেদায়াত লাভ করতে সক্ষম হবে।
সৎকর্ম করা :
হেদায়াত লাভ করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ঈমান। যারা যথাযথভাবে ঈমান আনয়ন করে এবং সৎকর্ম করে আলস্নাহ তা‘আলা তাদেরকে হেদায়াত দান করেন। তিনি বলেন,
﴿إِنَّ الَّذِيْنَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ يَهْدِيْهِمْ رَبُّهُمْ بِإِيْمَانِهِمْ﴾
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের পালনকর্তা তাদের ঈমানের মাধ্যমে তাদের পথ প্রদর্শন করেন। (সূরা ইউনুস- ৯)
অহির জ্ঞান অর্জন করা :
পৃথিবীতে সবচেয়ে উত্তম জ্ঞান হচ্ছে অহির জ্ঞান। এটি মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই উপকৃত করে থাকে। অপরদিকে অহীই হচ্ছে আলস্নাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য হেদায়াতস্বরূপ। সুতরাং হেদায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই অধিক হারে অহির জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
قُلْ اِنْ ضَلَلْتُ فَاِنَّمَاۤ اَضِلُّ عَلٰى نَفْسِيْۚ وَاِنِ اهْتَدَيْتُ فَبِمَا يُوْحِيْۤ اِلَيَّ رَبِّيْؕ اِنَّهٗ سَمِيْعٌ قَرِيْبٌ
বলো, যদি আমি পথভ্রষ্ট হই, তবে তো নিজেরই ক্ষতি করব; আর যদি আমি সরল সঠিক পথের ওপর থাকি, তবে তা এজন্য সম্ভব হচ্ছে যে, আমার প্রতিপালক আমার প্রতি ওহী অবতীর্ণ করেন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন এবং তিনি অতি নিকটবর্তী। (সূরা সাবা- ৫০)
সর্বাত্মক চেষ্টা করা :
যারা হেদায়াত পাওয়ার জন্য সর্বদা আলস্নাহর রাসত্মায় সর্বাত্মক সংগ্রাম চালাবে, আলস্নাহ তা‘আলা তাদেরকে হেদায়াতের রাসত্মাসমূহ খুলে দেবেন। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِيْنَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا﴾
যারা আমার রাসায় সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার রাসাসমূহ দেখিয়ে থাকি। (সূরা আনকাবূত- ৬৯)
আলস্নাহকে শক্তভাবে ধারণ করা :
হেদায়াতের মূল উৎসই হচ্ছেন মহান আলস্নাহ তা‘আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করে থাকে। সুতরাং যারা আলস্নাহকে শক্তভাবে ধারণ করবে তথা আলস্নাহর উপর ঈমান আনয়ন করবে, একমাত্র তাঁরই উপর নির্ভরশীল হবে, তার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে, তাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করবে না, আলস্নাহ তাদেরকেই হেদয়াত প্রদান করবেন। কুরআন মাজীদে তিনি বলেন,
وَمَنْ يَّعْتَصِمْ بِاللهِ فَقَدْ هُدِيَ اِلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
আর যে ব্যক্তি শক্তভাবে আলস্নাহকে ধারণ করবে, সে সৎপথে পরিচালিত হবে। (সূরা আলে ইমরান- ১০১)
আলস্নাহর ইবাদাত করা :
হেদায়াত লাভের প্রধান নিদর্শন হচ্ছে, আলস্নাহর ইবাদত করা। কেননা আলস্নাহর ইবাদত করা ছাড়া কোন ব্যক্তি হেদায়ত লাভ করতে পারেনা। আর আলস্নাহ তা’আলা তাকেই সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, যে ব্যক্তি একনিষ্ঠভাবে আলস্নাহর প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান আনয়ন করে এবং তার ইবাদতে ব্যসত্ম থাকে। হাদীসে কুদসীতে এসেছে.
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : يَقُولُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ : أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِيْ بِيْ، وَأَنَا مَعَهٗ حِيْنَ يَذْكُرُنِيْ، إِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ نَفْسِه ، ذَكَرْتُهٗ فِيْ نَفْسِيْ، وَإِنْ ذَكَرَنِيْ فِيْ مَلَإٍ، ذَكَرْتُهٗ فِيْ مَلَإٍ هُمْ خَيْرٌ مِنْهُمْ، وَإِنْ تَقَرَّبَ مِنِّيْ شِبْرًا، تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا، وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَيَّ ذِرَاعًا، تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا، وَإِنْ أَتَانِيْ يَمْشِي أَتَيْتُهٗ هَرْوَلَةً -
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলস্নাহ ﷺ বলেছেন, আলস্নাহ তা’আলা বলেন, আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী নিকটে আছি। যখন সে আমার যিক্র (স্মরণ) করে, সে সময় আমি তার সাথে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে কোন সভায় আমার কথা স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, তাহলে আমি তার দিকে দৌঁড়ে আসি। [সহীহ বুখারী, হা/৭৪০৫, সহীহ মুসলিম, হা/৬৯৮১,৭০০৮,৭১২৮; তিরমিযী হা/৩৬০৩; ইবনে মাযাহ, হা/৩৮৩২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৪১৬; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৫১৪; মিশকাত, হা/২২৬৪]
অতএব হেদায়াত লাভ করতে প্রথমে নিজে আলস্নাহর দিকে অগ্রসর হতে হবে, তাহলে আলস্নাহ তা‘আলা তার দিকে অগ্রসর হবেন এবং তাকে সঠিক পথে হেদায়াত প্রদান করবেন।
রাসূলুলস্নাহ ﷺ Gi Av`k© AbymiY Kiv :
হোদয়াত লাভের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় আদর্শ হচ্ছে রাসূলুলস্নাহ ﷺ Gi RxebPwiÎ| †Kbbv wZwb wQ‡jb m‡ev©”P †n`vqv‡Zi Dci cÖwZwôZ| আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
مَنْ يُطِعِ الرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ وَمَنْ تَوَلَّى فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظاً
যে ব্যক্তি রাসূলের আনুগত্য করল সে তো আলস্নাহর আনুগত্য করল এবং যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নিল তবে মনে রেখো তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে প্রেরণ করিনি।(সূরা নিসা- ৮০)
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيهِمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِمَنْ كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ .....
তোমাদের মধ্যে যারা আলস্নাহ ও পরকালের দিনকে ভয় করে এবং আলস্নাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে, তাদের জন্য আলস্নাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।(সূরা আহযাব-২১)
অতএব হেদায়ত পেতে হলে অবশ্যই পরিপূর্ণভাবে রাসূলুলস্নাহ ﷺ এর অনুসরণ করতে হবে।
মুত্তাকী হওয়া :
হোদয়াত লাভের প্রধান হকদার হচ্ছেন মুত্তাকীগণ। কেননা তারাই হচ্ছেন আলস্নাহ তা‘আলার প্রকৃত বান্দা। আলস্নাহ তা‘আলা তাদের হেদায়াতের জন্যই কুরআন নাযিল করেছেন। তিনি বলেন,
ذٰلِكَ الْكِتَابُ لَا رَيْبَۚ فِيْهِۚ هُدًى لِّلْمُتَّقِيْنَ
এটা ঐ গ্রন্থ যার মধ্যে কোনরূপ সন্দেহ নেই; আর মুত্তাক্বীদের জন্য এটা হেদায়াতস্বরূপ। (সূরা বাক্বারা- ২)
সুতরাং যে ব্যক্তি যত বেশি মুত্তাকী হতে সক্ষম হবে, সে ব্যক্তি আলস্নাহর পক্ষ থেকে তত বেশি হেদায়াত লাভ করতে সক্ষম হবে।
সৎকর্ম করা :
হেদায়াত লাভ করার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ঈমান। যারা যথাযথভাবে ঈমান আনয়ন করে এবং সৎকর্ম করে আলস্নাহ তা‘আলা তাদেরকে হেদায়াত দান করেন। তিনি বলেন,
﴿إِنَّ الَّذِيْنَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ يَهْدِيْهِمْ رَبُّهُمْ بِإِيْمَانِهِمْ﴾
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের পালনকর্তা তাদের ঈমানের মাধ্যমে তাদের পথ প্রদর্শন করেন। (সূরা ইউনুস- ৯)
অহির জ্ঞান অর্জন করা :
পৃথিবীতে সবচেয়ে উত্তম জ্ঞান হচ্ছে অহির জ্ঞান। এটি মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতেই উপকৃত করে থাকে। অপরদিকে অহীই হচ্ছে আলস্নাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির জন্য হেদায়াতস্বরূপ। সুতরাং হেদায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই অধিক হারে অহির জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
قُلْ اِنْ ضَلَلْتُ فَاِنَّمَاۤ اَضِلُّ عَلٰى نَفْسِيْۚ وَاِنِ اهْتَدَيْتُ فَبِمَا يُوْحِيْۤ اِلَيَّ رَبِّيْؕ اِنَّهٗ سَمِيْعٌ قَرِيْبٌ
বলো, যদি আমি পথভ্রষ্ট হই, তবে তো নিজেরই ক্ষতি করব; আর যদি আমি সরল সঠিক পথের ওপর থাকি, তবে তা এজন্য সম্ভব হচ্ছে যে, আমার প্রতিপালক আমার প্রতি ওহী অবতীর্ণ করেন। নিশ্চয় তিনি সবকিছু শুনেন এবং তিনি অতি নিকটবর্তী। (সূরা সাবা- ৫০)
সর্বাত্মক চেষ্টা করা :
যারা হেদায়াত পাওয়ার জন্য সর্বদা আলস্নাহর রাসত্মায় সর্বাত্মক সংগ্রাম চালাবে, আলস্নাহ তা‘আলা তাদেরকে হেদায়াতের রাসত্মাসমূহ খুলে দেবেন। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿وَالَّذِيْنَ جَاهَدُوْا فِيْنَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا﴾
যারা আমার রাসায় সংগ্রাম করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার রাসাসমূহ দেখিয়ে থাকি। (সূরা আনকাবূত- ৬৯)