১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪১
মুমিনদের হেদায়ত প্রার্থনা করার মর্মার্থ
মুমিনদের হেদায়ত প্রার্থনা করার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমানিত। রাসূলুলস্নাহ নিজেও হেদায়াতপ্রার্থনা করতেন, অথচ আলস্নাহ তা’আলা তার সামনের ও পিছনের সকল গুনাহ মাফ করে দিয়েছিলেন। মুমিনদের হেদায়ত প্রার্থনা করার তাvপর্য হচ্ছে-
হেদায়াতের উপর প্রতিষ্টিত থাকা:
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, মুমিনগণ হেদায়াতের উপর রয়েছে। সুতরাং মুমিনদের ক্ষেত্রে হেদায়াত প্রার্থনার অর্থ হচ্ছে আলস্নাহর তা‘আলার কাছে হেদায়াতের উপর দৃঢ় থাকার জন্য জিকির">দু’আ করা যাতে তিনি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে না দেন এবং এ অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করার তাওফীক দান করেন। এ কারণেই আলস্নাহ তা’আলা দু’আ শিক্ষা দিয়েছেন যে,
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ
র্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! হেদায়াত দানের পর আপনি আমাদের অমত্মরগুলোকে বাঁকা করে দেবেন না, আমাদেরকে আপনার নিকট হতে রহমত দান করম্নন, অবশ্যই আপনি মহান দাতা। (সূরা আলে ইমরান- ৮)
পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া:
সব মুমিনই সমপরিমাণ ঈমানের অধিকারী নয়। তাদেও কারো কারো ঈমান পাহাড়ের মতো দৃঢ়, আবার কারো কারো ঈমান একেবারেই দূর্বল। সুতরাং যাদের ঈমান দুর্বল তাদেও হেদায়াত প্রার্থনা করার মর্মার্থ হলো, আলস্নাহ তা’আলা যেন তাদেরকে পরিপূর্ণ ঈমান দান করেন।
আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
ياأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ ادْخُلُواْ فِي السِّلْمِ كَآفَّةً وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদেও প্রকাশ্য শত্রম্ন। (সূরা বাকারা-২০৮)
হেদায়াত বৃদ্ধি পাওয়া :
আলস্নাহ তা‘আলা মুমিনদের ঈমান ও হেদায়ত বৃদ্ধি করেন। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
وَلَمَّا رَأى الْمُؤْمِنُونَ الْأَحْزَابَ قَالُوا هَذَا مَا وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَصَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَمَا زَادَهُمْ إِلَّا إِيمَاناً وَتَسْلِيماً
যখন মুমিনরা সম্মিলিত শত্রম্নবাহিনীকে দেখতে পেল তখন তারা বলে উঠল, আলস্নাহ ও তাঁর রাসূল তো আমাদেরকে এরই প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছিলেন এবং তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন। এতে তাদের ঈমান ও আনুগত্য আরো বৃদ্ধি পেল। (সূরা আহযাব-২২)
وَالَّذِينَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًى وَآتَاهُمْ تَقْواهُمْ
আর যারা হেদায়াত লাভ করেছে, আলস্নাহ তাদেরকে আরো বেশি হেদায়াত দেন এবং তাদের উপযোগী তাকওয়া দান করেন।(সূরা মুহাম্মাদ-১৭)
হেদায়াতের উপর প্রতিষ্টিত থাকা:
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, মুমিনগণ হেদায়াতের উপর রয়েছে। সুতরাং মুমিনদের ক্ষেত্রে হেদায়াত প্রার্থনার অর্থ হচ্ছে আলস্নাহর তা‘আলার কাছে হেদায়াতের উপর দৃঢ় থাকার জন্য জিকির">দু’আ করা যাতে তিনি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে না দেন এবং এ অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করার তাওফীক দান করেন। এ কারণেই আলস্নাহ তা’আলা দু’আ শিক্ষা দিয়েছেন যে,
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ
র্থ : হে আমাদের প্রতিপালক! হেদায়াত দানের পর আপনি আমাদের অমত্মরগুলোকে বাঁকা করে দেবেন না, আমাদেরকে আপনার নিকট হতে রহমত দান করম্নন, অবশ্যই আপনি মহান দাতা। (সূরা আলে ইমরান- ৮)
পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া:
সব মুমিনই সমপরিমাণ ঈমানের অধিকারী নয়। তাদেও কারো কারো ঈমান পাহাড়ের মতো দৃঢ়, আবার কারো কারো ঈমান একেবারেই দূর্বল। সুতরাং যাদের ঈমান দুর্বল তাদেও হেদায়াত প্রার্থনা করার মর্মার্থ হলো, আলস্নাহ তা’আলা যেন তাদেরকে পরিপূর্ণ ঈমান দান করেন।
আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
ياأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ ادْخُلُواْ فِي السِّلْمِ كَآفَّةً وَلاَ تَتَّبِعُواْ خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদেও প্রকাশ্য শত্রম্ন। (সূরা বাকারা-২০৮)
হেদায়াত বৃদ্ধি পাওয়া :
আলস্নাহ তা‘আলা মুমিনদের ঈমান ও হেদায়ত বৃদ্ধি করেন। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
وَلَمَّا رَأى الْمُؤْمِنُونَ الْأَحْزَابَ قَالُوا هَذَا مَا وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَصَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَمَا زَادَهُمْ إِلَّا إِيمَاناً وَتَسْلِيماً
যখন মুমিনরা সম্মিলিত শত্রম্নবাহিনীকে দেখতে পেল তখন তারা বলে উঠল, আলস্নাহ ও তাঁর রাসূল তো আমাদেরকে এরই প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছিলেন এবং তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন। এতে তাদের ঈমান ও আনুগত্য আরো বৃদ্ধি পেল। (সূরা আহযাব-২২)
وَالَّذِينَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًى وَآتَاهُمْ تَقْواهُمْ
আর যারা হেদায়াত লাভ করেছে, আলস্নাহ তাদেরকে আরো বেশি হেদায়াত দেন এবং তাদের উপযোগী তাকওয়া দান করেন।(সূরা মুহাম্মাদ-১৭)