১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
বিদআতী কাজে সূরা ফাতিহা ব্যবহার
সূরা ফাতিহাকে অনেকে কাজে ব্যবহার করে থাকে, যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। য়েমন,
১. কবর যিয়ারতের সময় সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
২.বিভিন্ন মিলাদ-মাহফিলে বরকত হাসিলের উদ্দেশ্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
৩. নির্দিষ্ট সংখ্যক বার সূরা ফাতিহা পাঠ করে দুআ করা।
৪. সম্মিলিত জিকির">দু’আর জন্য হাত উঠানোর পূর্বে সকলকে ফাতিহা পাঠ করতে বলা।
৫. মৃতের পাশে বসে সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
৬. কবওে মাথার দিকে সূরা ফাতিহা ও পায়ের দিকে দাঁড়িয়ে সূরা বাকারা এর শুরম্ন অংশ পাঠ করা।
৭. লাশ দাফনের সময় সূরা ফাতিহা, কদর, কাফিরম্নন, নাসর, ইখলাছ,ফালাক,ও নাস এই সাতটি সূরা বিশেষভাবে পাঠ করা।
৮. কবরের সামনে হাতজোর করে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা ১ বার ও ইখরাস ১১ বার অথবা সূরা ইয়াসিন ১ বার পাঠ করা ইত্যাদি।
যারা এই সমসত্ম বিদআত চালু করবে তারা অবশ্যই গুনাহগার হবে। এ সর্ম্পকে হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هٰذَا مَا لَيْسَ فِيْهِ فَهُوَ رَدٌّ
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলvহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীনে নতুন কিছু সংযোজন করবে, যা মূলত তাতে নেই- সেটি পরিত্যাজ্য। [সহীহ বুখারী হা/২৬৯৭; সহীহ মুসলিম হা/৪৫৭৯; সুনানে আবু দাউদ হা/৪৬০৭।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ... وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُوْرِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ
ইরবায ইবনে সারিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলvহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের উপর আবশ্যক হচ্ছে প্রত্যেক নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ হতে বেঁচে থাকা। কেননা প্রত্যেক নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহই হচ্ছে বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই হচ্ছে গোমরাহী। [মুসনাদে আহমদ হা/১৭১৪৪; সুনানে ইবনে মাজাহ হা/৪২।]
১. কবর যিয়ারতের সময় সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
২.বিভিন্ন মিলাদ-মাহফিলে বরকত হাসিলের উদ্দেশ্য সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
৩. নির্দিষ্ট সংখ্যক বার সূরা ফাতিহা পাঠ করে দুআ করা।
৪. সম্মিলিত জিকির">দু’আর জন্য হাত উঠানোর পূর্বে সকলকে ফাতিহা পাঠ করতে বলা।
৫. মৃতের পাশে বসে সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
৬. কবওে মাথার দিকে সূরা ফাতিহা ও পায়ের দিকে দাঁড়িয়ে সূরা বাকারা এর শুরম্ন অংশ পাঠ করা।
৭. লাশ দাফনের সময় সূরা ফাতিহা, কদর, কাফিরম্নন, নাসর, ইখলাছ,ফালাক,ও নাস এই সাতটি সূরা বিশেষভাবে পাঠ করা।
৮. কবরের সামনে হাতজোর করে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা ১ বার ও ইখরাস ১১ বার অথবা সূরা ইয়াসিন ১ বার পাঠ করা ইত্যাদি।
যারা এই সমসত্ম বিদআত চালু করবে তারা অবশ্যই গুনাহগার হবে। এ সর্ম্পকে হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هٰذَا مَا لَيْسَ فِيْهِ فَهُوَ رَدٌّ
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলvহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীনে নতুন কিছু সংযোজন করবে, যা মূলত তাতে নেই- সেটি পরিত্যাজ্য। [সহীহ বুখারী হা/২৬৯৭; সহীহ মুসলিম হা/৪৫৭৯; সুনানে আবু দাউদ হা/৪৬০৭।]
অপর হাদীসে এসেছে,
عَنْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ... وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُوْرِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ
ইরবায ইবনে সারিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুলvহ ﷺ বলেছেন, তোমাদের উপর আবশ্যক হচ্ছে প্রত্যেক নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ হতে বেঁচে থাকা। কেননা প্রত্যেক নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহই হচ্ছে বিদআত। আর প্রত্যেক বিদআতই হচ্ছে গোমরাহী। [মুসনাদে আহমদ হা/১৭১৪৪; সুনানে ইবনে মাজাহ হা/৪২।]