১
সূরা ফাতিহা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
হেদায়াত এর সত্মরসমূহ
এখানে هِدَايَةْ (হেদায়াত) কথাটি নবী, অলী ও সাধারণ উম্মত এমনকি সকল মাখলূকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেননা প্রত্যেকের জন্য সরবিশেষে হেদায়াতের প্রয়োজন রয়েছে। যেমন-
প্রথম সত্মর :
এটি হচ্ছে আলস্নাহ তা‘আলার সাধারণ হেদায়াত। আলস্নাহ এটি সকল সৃষ্টির মাঝে প্রয়োজানুসারে ভাগ করে দিয়েছেন। মানবজাতি, জিন, জড়পদার্থ, উদ্ভিদ, প্রাণীজগত ইত্যাদি সবই এর অমত্মর্ভুক্ত। এরা সকলেই আলস্নাহর হেদায়াত অনুযায়ী চলাফেরা করে এবং স্ব স্ব নিয়মে আলস্নাহর গুণগান করে থাকে। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ يُسَبِّحُ لَهٗ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَالطَّيْرُ صَآفَّاتٍ ؕ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهٗ وَتَسْبِيْحَهٗؕ وَاللهُ عَلِيْمٌ ۢبِمَا يَفْعَلُوْنَ﴾
তুমি কি দেখ না যে, আকাশম-লী ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা এবং উড্ডীয়মান বিহঙ্গকুল আলস্নাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তাঁর ইবাদাত ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি সম্পর্কে জানে। আর তারা যা করে সে বিষয়ে আলস্নাহ সম্যক অবগত। (সূরা নূর- ৪১)
অন্য আয়াতে আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿الَّذِيْ أَعْطٰى كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدٰى﴾
যিনি প্রত্যেক বসুর বিশেষ আকৃতি দান করেছেন। অতঃপর তার উপযোগী হেদায়াত প্রদান করেছেন। (সূরা ত্বায়া-হা- ৫০)
দ্বিতীয় সত্মর: এ সত্মরে রয়েছে জিন ও ইনসান- এ দুটি জাতি, যারা অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে তীক্ষ্ণ ও উচ্চ জ্ঞানসম্পন্ন। আলস্নাহ তা‘আলা নবীগণের মাধ্যমে এদের নিকট বিশেষ হেদায়াত প্রেরণ করেছেন। সুতরাং তাদের মধ্যে যারাই এই হিদায়াতকে গ্রহণ করবে, তারাই প্রকৃত সফলতা লাভ করতে সক্ষম হবে। আর যারাই তা প্রত্যাখ্যান করবে, তারাই হবে সবচেয়ে বড় হতভাগা।
তৃতীয় সত্মর:
এটি হচ্ছে হেদায়াতের চূড়ামত্ম সত্মর। এটি আলস্নাহ তা‘আলা বিশেষভাবে কেবল মুমিন ও মুত্তাকী বান্দাদেরকেই দান করে থাকেন। যাতে তারা আলস্নাহ তা‘আলার অধিক নৈকট্য লাভ করতে পারে।
হেদায়াতের সত্মরসমূহের মধ্যে এই তৃতীয় সত্মরটিই হচ্ছে মানুষের প্রকৃত উন্নতির ক্ষেত্র। এই সত্মরের লোকেরা অধিকতর হেদায়াত লাভের জন্য সর্বদা আলস্নাহর রহমত ও তাওফীক লাভে সচেষ্ট থাকেন। প্রতিনিয়ত এই প্রচেষ্টাই মানুষকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছে।
প্রথম সত্মর :
এটি হচ্ছে আলস্নাহ তা‘আলার সাধারণ হেদায়াত। আলস্নাহ এটি সকল সৃষ্টির মাঝে প্রয়োজানুসারে ভাগ করে দিয়েছেন। মানবজাতি, জিন, জড়পদার্থ, উদ্ভিদ, প্রাণীজগত ইত্যাদি সবই এর অমত্মর্ভুক্ত। এরা সকলেই আলস্নাহর হেদায়াত অনুযায়ী চলাফেরা করে এবং স্ব স্ব নিয়মে আলস্নাহর গুণগান করে থাকে। আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿اَلَمْ تَرَ اَنَّ اللهَ يُسَبِّحُ لَهٗ مَنْ فِى السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَالطَّيْرُ صَآفَّاتٍ ؕ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهٗ وَتَسْبِيْحَهٗؕ وَاللهُ عَلِيْمٌ ۢبِمَا يَفْعَلُوْنَ﴾
তুমি কি দেখ না যে, আকাশম-লী ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা এবং উড্ডীয়মান বিহঙ্গকুল আলস্নাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তাঁর ইবাদাত ও পবিত্রতা ঘোষণার পদ্ধতি সম্পর্কে জানে। আর তারা যা করে সে বিষয়ে আলস্নাহ সম্যক অবগত। (সূরা নূর- ৪১)
অন্য আয়াতে আলস্নাহ তা‘আলা বলেন,
﴿الَّذِيْ أَعْطٰى كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدٰى﴾
যিনি প্রত্যেক বসুর বিশেষ আকৃতি দান করেছেন। অতঃপর তার উপযোগী হেদায়াত প্রদান করেছেন। (সূরা ত্বায়া-হা- ৫০)
দ্বিতীয় সত্মর: এ সত্মরে রয়েছে জিন ও ইনসান- এ দুটি জাতি, যারা অন্যান্য সৃষ্টির চেয়ে তীক্ষ্ণ ও উচ্চ জ্ঞানসম্পন্ন। আলস্নাহ তা‘আলা নবীগণের মাধ্যমে এদের নিকট বিশেষ হেদায়াত প্রেরণ করেছেন। সুতরাং তাদের মধ্যে যারাই এই হিদায়াতকে গ্রহণ করবে, তারাই প্রকৃত সফলতা লাভ করতে সক্ষম হবে। আর যারাই তা প্রত্যাখ্যান করবে, তারাই হবে সবচেয়ে বড় হতভাগা।
তৃতীয় সত্মর:
এটি হচ্ছে হেদায়াতের চূড়ামত্ম সত্মর। এটি আলস্নাহ তা‘আলা বিশেষভাবে কেবল মুমিন ও মুত্তাকী বান্দাদেরকেই দান করে থাকেন। যাতে তারা আলস্নাহ তা‘আলার অধিক নৈকট্য লাভ করতে পারে।
হেদায়াতের সত্মরসমূহের মধ্যে এই তৃতীয় সত্মরটিই হচ্ছে মানুষের প্রকৃত উন্নতির ক্ষেত্র। এই সত্মরের লোকেরা অধিকতর হেদায়াত লাভের জন্য সর্বদা আলস্নাহর রহমত ও তাওফীক লাভে সচেষ্ট থাকেন। প্রতিনিয়ত এই প্রচেষ্টাই মানুষকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছে।