১
হাফেয ইবন কাসীরের তাফসীর থেকে সংক্ষেপিত সূরা আল-আনফালের তাফসীর
লেখকঃ শাইখ আহমদ মুহাম্মাদ শাকের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করার সময় ঈমান বৃদ্ধি পাওয়া:
আল্লাহ তা‘আলার বাণী: وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا “আর তাদের কাছে যখন তাঁর আয়াত পঠিত হয়” তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে”। যেমন, তিনি বলেন, وَإِذَا مَا أُنزلَتْ سُورَةٌ فَمِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ أَيُّكُمْ زَادَتْهُ هَذِهِ إِيمَانًا فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا فَزَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَهُمْ يَسْتَبْشِرُونَ [ التوبة : ١٢٤ ] “যখনই কোনো সূরা নাযিল হয় তখন তাদের কতক লোক (বিদ্রূপ করে) বলে- “এতে তোমাদের কার ঈমান বৃদ্ধি হলো?” (কাফেররা জেনে রাখুক) যারাই ঈমান এনেছে তাদের ঈমান বৃদ্ধি হয় আর তারা এতে আনন্দিত হয়”। [সূরা আত-তাওবাহ:১২৪]
ইমাম বুখারী এবং অন্যান্য ইমামগণ এ আয়াত এবং এ জাতীয় আয়াত দ্বারা প্রমাণ করেন যে, ঈমান বাড়ে এবং অন্তরসমূহে ঈমান বিভিন্ন রকম হয়। এটি জামহুরে উম্মাতের মাযহাব। অধিকাংশ আলেম এ মত পোষণ করেন বরং একাধিক আলেম থেকে এ ব্যাপারে ইজমা বর্ণিত হয়েছে। যেমন, শাফে‘ঈ, আহমাদ ইবন হাম্বাল, আবু উবাইদ। আমরা এ বিষয় সম্পর্কে বুখারীর শারহের গোড়ার দিকে গবেষনামূলক আলোচনা করেছি। আল্লাহ তা‘আলার জন্য সকল প্রশংসা এবং তাঁরই অনুগ্রহ।
ইমাম বুখারী এবং অন্যান্য ইমামগণ এ আয়াত এবং এ জাতীয় আয়াত দ্বারা প্রমাণ করেন যে, ঈমান বাড়ে এবং অন্তরসমূহে ঈমান বিভিন্ন রকম হয়। এটি জামহুরে উম্মাতের মাযহাব। অধিকাংশ আলেম এ মত পোষণ করেন বরং একাধিক আলেম থেকে এ ব্যাপারে ইজমা বর্ণিত হয়েছে। যেমন, শাফে‘ঈ, আহমাদ ইবন হাম্বাল, আবু উবাইদ। আমরা এ বিষয় সম্পর্কে বুখারীর শারহের গোড়ার দিকে গবেষনামূলক আলোচনা করেছি। আল্লাহ তা‘আলার জন্য সকল প্রশংসা এবং তাঁরই অনুগ্রহ।