hadith book logo

ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ

লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৩২

কবরস্থান

১. কবরস্থান জিয়ারত করার ব্যাপারে মুসলমানদের দু’টি প্রধান উদ্দেশ্য থাকে। একটি হল মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা, অপরটি কেয়ামতের ব্যাপারে নিজেকে স্মরণ করিয়ে দেয়া।

২. কবর জিয়ারতকে উৎসাহিত করা হয়েছে। মহিলারাও করব জিয়ারত করতে পারে। তবে তারা হরহামেশা কবর জিয়ারত করুক- এটা কাঙ্ক্ষিত নয়।

৩. কবর জিয়ারত কালে বলতে হবে “ আসসালামু আলা আহলিদ দিয়ারী মিনাল মুমিনিনা ওয়া মুসলিমিন ওয়া ইয়ারহামুল্লাহ আল মুস্তাকদিমিনা ইনশাআল্লাহ্‌ বিকুম লা-লাহিকুন” (কবরস্থানের মুসলমান ও ঈমানদার বান্দাদের উপর সালাম যারা আমাদের আগে ইহধাম ত্যাগ করেছেন এবং যারা পরে যাবেন তাদের উপর খোদার রহমত বর্ষিত হোক। খোদার শপথ, আমরা অবশ্যই তোমাদের সাথে মিলিত হব।

৪. কবরস্থানে ইসলামি বিধান লংঘন নিষিদ্ধ।

৫.৩নম্বরে বর্ণিত মৃতের জন্য দোয়া করা ছাড়া কবরের উপরের কোন কিছু বলা যাবেনা।

৬. কবর থেকে কোন প্রকার বরকত পাবর প্রত্যাশায় সেটা স্পর্শ করা বা ছোঁয়া নিষিদ্ধ।

৭. কবরের উপর ফুল, পুষ্পমাল্য অর্পণ করা বিদেশী সংস্কৃতির অনুকরণ।

৮. কবরে মোমবাতি জ্বালানো বা লন্ঠনবাতি স্থাপন গর্হিত কাজ।

৯. কবর জিয়ারত কালে মহিলাদের ইসলামি বিধান লংঘণ করে অইসলামি পোশাক পরিধান অথবা বিলাপ করা নিষিদ্ধ।

১০. বছরের কোন নির্দিষ্ট সময়ে সম্মিলিতভাবে উপাসনার জন্য কবর কোন স্থান নয়। কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্য হচ্ছে: মৃত্যুর কথা স্মরণ করা, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন ও আচরণে। কবরকে উপাসনার অথবা উৎসবের স্থান করা ইসলামে হারাম।

১১. কবরে বসা নিষিদ্ধ।

১২. কবর জিয়ারতের কোন নির্দিষ্ট দিন বা সময় নেই।