১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮১
উৎসব পালন
১. দু’ঈদ উপলক্ষে গোসল করা প্রয়োজন। উৎসবের আগের দিন রাতেও; এই গোসল করা যেতে পারে।
২. ঈদের নামাজের জন্য রওয়ানা হওয়ার আগে উত্তম পোশাক এবং প্রসাধনী ব্যবহার উত্তম।
৩. ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার আগে খেজুর বা মিষ্টি খাওয়া প্রয়োজন। ***১
৪. ঈদুল আজহার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত কোন কিছু না খাওয়া মোস্তাহাব। নামাজের বাড়ি ফিরে কুরবানী করার পর সেই গোশত থেকে তৈরি খাবার খাওয়া উত্তম।
৫. খুব বেশি দূরে না হলে ঈদের জামাতে হেঁটে যাওয়া উত্তম।
৬. বাদল-বৃষ্টি ছাড়া ঈদের নামাজ সাধারণতঃ মসজিদে পড়া হয়না। ঈদের নামাজ খোলা মাঠে পড়াই উত্তম।
৭. পঙ্গু ও প্রতিবন্ধী ছাড়া অন্যন্য মুসলমানদের খোলা ময়দানে সমবেত হতে হবে। এর মধ্যে ঋতুবতী মহিলারা অন্তর্ভুক্ত। তারা ময়দানে হাজির থাকতে পারেন, তবে তাদের নামাজে শরিক না হলেও চলবে। [বাংলাদেশে সাধারণতঃ প্রথাগতভাবে মহিলারা ঈদের জামাতে অংশ নেয় না। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও মহিলাদের ঈদের নামাজ হয়ে থাকে।– অনুবাদক]
[***১ আমাদের দেশে সাধারণতঃ ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে সেমাই, পায়েস ইত্যাদি মিষ্টি খাওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে – অনুবাদক।]
৮. ধীরস্থিরভাবে ইমামের খুতবা শুনা প্রয়োজন।
৯. ঈদের নামাজে যে পথ দিয়ে যাবে, ফেরার সময় সেই পথ ছেড়ে ভিন্ন পথ দিয়ে আসা প্রয়োজন। এর ফলে বহুসংখ্যক মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়া যায়।
১০. এ উপলক্ষে ‘তাকাবাল্লাহ মিন্না ওয়া মিনকুম’ (খোদা, তোমার জন্য যে এবাদত আমরা করেছি, তা তুমি কবুল কর) বলে মুসলমানদের অভিনন্দন জানানো যেতে পারে।
১১. ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আজহার তিনদিন রোজা রাখা হারাম।
১২. এ উপলক্ষে মুসলমানদের উচিত তাদের সন্তানদের উত্তম পোশাক পরানো, তাদের মিষ্টি তৈরি করা অথব কিনে আনা। এই উৎসব পালনের মাধ্যমে তাদের পারদর্শী করে তোলা। ইসলামি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে তোলার জন্য এসব কাজে উৎসাহ দান আবশ্যক।
১৩. এ উপলক্ষে কোন মুসলমানের উচিত নয় এমন কাজ করা, যাতে তার পরিবার বিরক্ত হয় বাতাদের উত্তম ধ্যান-ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের নির্দোষ আমোদ আহলাদ বিনষ্ট হয়।
১৪. পিতা এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এসময় ইসলামি আইন যাতে পালিত হয়, তার প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। কেননা, এসব উৎসবের উদ্দ্যে হচ্ছে খোদার শুকরিয়া আদায় এবং তার বিরোধিতা করা নয়। এজন্য ঈদের সময় ছেলে মেয়েদের অবাধ মেলামেশাকে প্রশ্রয়। দেওয়া উচিত নয়, যদিও এ ধরনের উৎসবের সময় এগুলো স্বাভাবিক ব্যাপার হও যায়।
২. ঈদের নামাজের জন্য রওয়ানা হওয়ার আগে উত্তম পোশাক এবং প্রসাধনী ব্যবহার উত্তম।
৩. ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়ার আগে খেজুর বা মিষ্টি খাওয়া প্রয়োজন। ***১
৪. ঈদুল আজহার নামাজের পূর্ব পর্যন্ত কোন কিছু না খাওয়া মোস্তাহাব। নামাজের বাড়ি ফিরে কুরবানী করার পর সেই গোশত থেকে তৈরি খাবার খাওয়া উত্তম।
৫. খুব বেশি দূরে না হলে ঈদের জামাতে হেঁটে যাওয়া উত্তম।
৬. বাদল-বৃষ্টি ছাড়া ঈদের নামাজ সাধারণতঃ মসজিদে পড়া হয়না। ঈদের নামাজ খোলা মাঠে পড়াই উত্তম।
৭. পঙ্গু ও প্রতিবন্ধী ছাড়া অন্যন্য মুসলমানদের খোলা ময়দানে সমবেত হতে হবে। এর মধ্যে ঋতুবতী মহিলারা অন্তর্ভুক্ত। তারা ময়দানে হাজির থাকতে পারেন, তবে তাদের নামাজে শরিক না হলেও চলবে। [বাংলাদেশে সাধারণতঃ প্রথাগতভাবে মহিলারা ঈদের জামাতে অংশ নেয় না। তবে বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও মহিলাদের ঈদের নামাজ হয়ে থাকে।– অনুবাদক]
[***১ আমাদের দেশে সাধারণতঃ ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে সেমাই, পায়েস ইত্যাদি মিষ্টি খাওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে – অনুবাদক।]
৮. ধীরস্থিরভাবে ইমামের খুতবা শুনা প্রয়োজন।
৯. ঈদের নামাজে যে পথ দিয়ে যাবে, ফেরার সময় সেই পথ ছেড়ে ভিন্ন পথ দিয়ে আসা প্রয়োজন। এর ফলে বহুসংখ্যক মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়া যায়।
১০. এ উপলক্ষে ‘তাকাবাল্লাহ মিন্না ওয়া মিনকুম’ (খোদা, তোমার জন্য যে এবাদত আমরা করেছি, তা তুমি কবুল কর) বলে মুসলমানদের অভিনন্দন জানানো যেতে পারে।
১১. ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আজহার তিনদিন রোজা রাখা হারাম।
১২. এ উপলক্ষে মুসলমানদের উচিত তাদের সন্তানদের উত্তম পোশাক পরানো, তাদের মিষ্টি তৈরি করা অথব কিনে আনা। এই উৎসব পালনের মাধ্যমে তাদের পারদর্শী করে তোলা। ইসলামি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে তোলার জন্য এসব কাজে উৎসাহ দান আবশ্যক।
১৩. এ উপলক্ষে কোন মুসলমানের উচিত নয় এমন কাজ করা, যাতে তার পরিবার বিরক্ত হয় বাতাদের উত্তম ধ্যান-ধারণা ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের নির্দোষ আমোদ আহলাদ বিনষ্ট হয়।
১৪. পিতা এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এসময় ইসলামি আইন যাতে পালিত হয়, তার প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত। কেননা, এসব উৎসবের উদ্দ্যে হচ্ছে খোদার শুকরিয়া আদায় এবং তার বিরোধিতা করা নয়। এজন্য ঈদের সময় ছেলে মেয়েদের অবাধ মেলামেশাকে প্রশ্রয়। দেওয়া উচিত নয়, যদিও এ ধরনের উৎসবের সময় এগুলো স্বাভাবিক ব্যাপার হও যায়।