১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩৫
দাফন কাজে অনুগমন
১. কোন মুসলমানের দাফনে অবশ্যই অন্যান্য মুসলমানের যোগ দেয়া উচিত। সুতরাং মৃত ব্যক্তি বা তার আত্মীয়-স্বজন সরাসরি পরিচিত হোক বা না হোক দাফন কাফনের মিছিলে যোগ দিতে কোন মুসলমানের বিলম্ব করা উচিত নয়।
২. দাফন কাজে যোগদানের বিষয়টি দু’টি পর্যায়ে বিভিক্তঃ প্রথম পর্যায় জানাজার নামাজ পড়া এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে মৃত ব্যক্তির দাফন পর্যন্ত। যারা প্রথম পর্যায়ে গো দেবেন তারা দ্বিতীয় পর্যায় সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উত্তম।
[***মালিকি ও হানাফি মতে ইহরাম অবস্থায় মৃত ব্যক্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা সমর্থন করেনা।]
৩. শিশুসহ মৃত্যবরণকারী প্রত্যেক মুসলমানের জানাজা পড়তে হবে। জানাজার জন্য লাশ মসজিদে নিয়ে যাবার প্রয়োজন নেই। মসজিদের বাইরে মসজিদের প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ পড়তে হবে।
৪. জানাজায় কেউ কেউ বিশেষতঃ মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনরা অন্যদের আসার জন্য প্রতীক্ষা না করে জানাজায় অংশ নেয়া উচিত।
৫. দাফন যাত্রার গতি খুব দ্রুত হওয়া উচিত নয়।
৬. দাফন কাজে যারা পদব্রজে অনুগমন করবে তারা কফিনের সামনে বা পিছনে অথবা ডানে বা বামে থেকে হাঁটবে। যারা ঘোড়ায় চড়ে বা গাড়িতে যাবে তারা পিছনে চলবে।
৭. লাশের অনুগমনকালে ধুপ-ধুন বা মোমবাতি নেয়া, জোরে বা উচ্চস্বরে ‘আল্লাহ’ বলা, সশব্দে কাঁদা বা জোরে শোরে কোরআন পড়া নিষিদ্ধ।
৮. দাফনের মিছিলের বক্তৃতা সংক্ষিপ্ত হওয়া উচিত।
৯. লাশের কোন মিছিল দেখলে মুসলমানদের উচিত দাঁড়িয়ে যাওয়া।
১০. কবরস্থান দূরে না হলে লাশের কফিন গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহনে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
১১. যারা লাশ বহন করবে তাদের অজু করা উচিত। এর ফলে তারা শারীরিকভাবে এবং আবেগপ্রবণতার দিক থেকে সতেজ থাকবে।
১২. দাফন মিছিলে অনুগমনকা কবরস্থান দূরে না হলে গাড়িতে যাওয়ার চাইতে হেঁটে যাওয়াই ভাল। দাফনের পর ফিরে আসার সময় গাড়িতে আসা যেতে পারে।
২. দাফন কাজে যোগদানের বিষয়টি দু’টি পর্যায়ে বিভিক্তঃ প্রথম পর্যায় জানাজার নামাজ পড়া এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে মৃত ব্যক্তির দাফন পর্যন্ত। যারা প্রথম পর্যায়ে গো দেবেন তারা দ্বিতীয় পর্যায় সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উত্তম।
[***মালিকি ও হানাফি মতে ইহরাম অবস্থায় মৃত ব্যক্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা সমর্থন করেনা।]
৩. শিশুসহ মৃত্যবরণকারী প্রত্যেক মুসলমানের জানাজা পড়তে হবে। জানাজার জন্য লাশ মসজিদে নিয়ে যাবার প্রয়োজন নেই। মসজিদের বাইরে মসজিদের প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ পড়তে হবে।
৪. জানাজায় কেউ কেউ বিশেষতঃ মৃত ব্যক্তির আত্মীয়-স্বজনরা অন্যদের আসার জন্য প্রতীক্ষা না করে জানাজায় অংশ নেয়া উচিত।
৫. দাফন যাত্রার গতি খুব দ্রুত হওয়া উচিত নয়।
৬. দাফন কাজে যারা পদব্রজে অনুগমন করবে তারা কফিনের সামনে বা পিছনে অথবা ডানে বা বামে থেকে হাঁটবে। যারা ঘোড়ায় চড়ে বা গাড়িতে যাবে তারা পিছনে চলবে।
৭. লাশের অনুগমনকালে ধুপ-ধুন বা মোমবাতি নেয়া, জোরে বা উচ্চস্বরে ‘আল্লাহ’ বলা, সশব্দে কাঁদা বা জোরে শোরে কোরআন পড়া নিষিদ্ধ।
৮. দাফনের মিছিলের বক্তৃতা সংক্ষিপ্ত হওয়া উচিত।
৯. লাশের কোন মিছিল দেখলে মুসলমানদের উচিত দাঁড়িয়ে যাওয়া।
১০. কবরস্থান দূরে না হলে লাশের কফিন গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহনে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়।
১১. যারা লাশ বহন করবে তাদের অজু করা উচিত। এর ফলে তারা শারীরিকভাবে এবং আবেগপ্রবণতার দিক থেকে সতেজ থাকবে।
১২. দাফন মিছিলে অনুগমনকা কবরস্থান দূরে না হলে গাড়িতে যাওয়ার চাইতে হেঁটে যাওয়াই ভাল। দাফনের পর ফিরে আসার সময় গাড়িতে আসা যেতে পারে।