১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ বিভিন্ন দৈহিক কার্যক্রম হাঁচি
ইসলামের মতে, হাঁচি **১ হচ্ছে আল্লাহর রহমত বিশেষ। এ সংক্রান্ত পালনীয় হচ্ছেঃ
১. কোন মুসলমানের হাঁচি প্রতিরোধ বা ঠেকানো উচিত নয়। এটা একটা স্বাস্থগত প্রক্রিয়া। যেভাবেই হোক হাঁচি স্বেচ্ছায় দেয়া যায়ন বা এটা সহজেই দমিয়ে দেওয়া যায়না। **২
২. হাঁচির সময় প্রত্যেক মুসলমানের উডিচত তার মুখ সরিয়ে নেয়া অথবা তার মুখ ও নাক হাত বা রুমাল দিয়ে ঢেকে দেয়া। এর ফলে আওয়াজ কম হবে এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনের বিড়ম্বনা এড়ানো যাবে।
৩. হাঁচি যেহেতু আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত স্বরূপ, সেজন্য মুসলমনদের একথা বলে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবেঃ আলহামদুলিল্লা (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর)।
৪. কোন মুসলমান হাঁচি দেওয়ার পর আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে, নিকটবর্তী যারা এটি শুনবে তাদের বলতে হবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন)। এর সুষ্ঠু প্রত্যোত্তর হলো: ইয়দিকুমুল্লা ওয়া ইয়ুসলিহ বালাকুম (আল্লাহ তোমাকে হেদায়াত দিন এবং তোমার মঙ্গল করুন)
[ ** ১ বক্ষ ও মুখমন্ডলের মাংসপেশী দিয়ে নাক দিয়ে অনৈচ্ছিক যে বায়ু নির্গত হয় তাই হাঁচি। কাফেরেরর ন্যায় হাঁচি হচ্ছে শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম। নাকের ভেতর দিয়ে ফুসফুসের উপযোগী সহনশীল অবস্থা সৃষ্টির জন্য বাতাস বের করে দেওয়া হয়। শরীরের উপযোগী বাতাস উত্তপ্ত হয়ে সম্পৃক্তির কাছাকাছি আর্দ্র হয় এবং ধূলিকণা ও জীবাণূযুক্ত হওয়ার পর তা শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে। Encylopedia American Vol. 25. p. 107. ]
[ **২ প্রগুক্ত।]
৫. কোন ব্যক্তি সর্বাধিক তিনবার হাঁচি দিলে এই জিকির">দোয়া পড়া উত্তম। এর বেশি হলে সম্ভবতঃ এর অর্থ দাঁড়ায় তার সর্দি লেগেছে।
৬. কোন মুসলমান হাঁচি দেওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ না বললে তার জবাব দেওয়ার কান প্রয়োজন নেই।
৭. কেউ হাঁচি দেওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে, তাহলে তার কাছের মুসলমানদের উচিত তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
৮. কোন অমুসলমান হাঁচি দিলে তার মঙ্গল কামনায় বলতে হবে ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহ’ (খোদা তোমাকে হেদায়াতের পথে চালিত করুন)।
১. কোন মুসলমানের হাঁচি প্রতিরোধ বা ঠেকানো উচিত নয়। এটা একটা স্বাস্থগত প্রক্রিয়া। যেভাবেই হোক হাঁচি স্বেচ্ছায় দেয়া যায়ন বা এটা সহজেই দমিয়ে দেওয়া যায়না। **২
২. হাঁচির সময় প্রত্যেক মুসলমানের উডিচত তার মুখ সরিয়ে নেয়া অথবা তার মুখ ও নাক হাত বা রুমাল দিয়ে ঢেকে দেয়া। এর ফলে আওয়াজ কম হবে এবং পার্শ্ববর্তী লোকজনের বিড়ম্বনা এড়ানো যাবে।
৩. হাঁচি যেহেতু আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত স্বরূপ, সেজন্য মুসলমনদের একথা বলে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবেঃ আলহামদুলিল্লা (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর)।
৪. কোন মুসলমান হাঁচি দেওয়ার পর আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে, নিকটবর্তী যারা এটি শুনবে তাদের বলতে হবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন)। এর সুষ্ঠু প্রত্যোত্তর হলো: ইয়দিকুমুল্লা ওয়া ইয়ুসলিহ বালাকুম (আল্লাহ তোমাকে হেদায়াত দিন এবং তোমার মঙ্গল করুন)
[ ** ১ বক্ষ ও মুখমন্ডলের মাংসপেশী দিয়ে নাক দিয়ে অনৈচ্ছিক যে বায়ু নির্গত হয় তাই হাঁচি। কাফেরেরর ন্যায় হাঁচি হচ্ছে শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম। নাকের ভেতর দিয়ে ফুসফুসের উপযোগী সহনশীল অবস্থা সৃষ্টির জন্য বাতাস বের করে দেওয়া হয়। শরীরের উপযোগী বাতাস উত্তপ্ত হয়ে সম্পৃক্তির কাছাকাছি আর্দ্র হয় এবং ধূলিকণা ও জীবাণূযুক্ত হওয়ার পর তা শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে। Encylopedia American Vol. 25. p. 107. ]
[ **২ প্রগুক্ত।]
৫. কোন ব্যক্তি সর্বাধিক তিনবার হাঁচি দিলে এই জিকির">দোয়া পড়া উত্তম। এর বেশি হলে সম্ভবতঃ এর অর্থ দাঁড়ায় তার সর্দি লেগেছে।
৬. কোন মুসলমান হাঁচি দেওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ না বললে তার জবাব দেওয়ার কান প্রয়োজন নেই।
৭. কেউ হাঁচি দেওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে, তাহলে তার কাছের মুসলমানদের উচিত তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
৮. কোন অমুসলমান হাঁচি দিলে তার মঙ্গল কামনায় বলতে হবে ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহ’ (খোদা তোমাকে হেদায়াতের পথে চালিত করুন)।