১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
সাধারণ নীতি
১. অন্যান্য সম্প্রদায় থেকে মুসলমানদের পোশাকের পার্থক্য থাকা উচিত। পোশাকের বা অন্য কোন ক্ষেত্রে অমুসলমানদের অনুকরণ করা চলবেনা।
২. নর ও নারীর পোশাকের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখতে হবে। কোন পুরুষের নারীর পোশাক পরিধান করা অথবা নারীর পুরুষের পোশকা পরিধান করা নিষিদ্ধ।
৩. ঔদ্ধত্য এবং অহংকার প্রকাশ পায়- এমন কাপড় পড় নিষিদ্ধ। মূলতঃ যে কোন প্রকার ঔদ্ধত্য ও অহংকার প্রকাশের অনুমতি নেই। অবশ্য, চাল-চলনে সৌন্দর্যবোধ ও স্মার্টনেস ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ নয়। চাল-চলনের মাধ্যমে কেউ খোদাকে সন্তুষ্ট করতে চাইলে এবং শুকরিয়া আদায় কারতে চাইলে তা মেনে নেয়া যায়।
৪. পুরুষের কমপক্ষে তার নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখা উচিত। আর মহিলাদের হাত ও মুখমণ্ডল ছাড়া সমগ্র দেহ পোশাকেঢেকে রাখতে হবে।
৫. নারী ও পুরুষের উল্লিখিত পোশাক স্বচ্ছ (সূক্ষ্ম) কাপড়ের হবে না।
৬. ইউনিফরম নিষিদ্ধ নয়। পেশাদার লোক (সৈনিক, পুলিশ) পেশাগত কারণে পোশাক পরতে পারে। তবে আলেম বা ইসলামি পণ্ডিতদের উচিত নয় বিশেষ ধরনের পোশাক পরে নিজেদের আলাদা বৈশিষ্ট নিরূপণ করা। ‘মোল্লা’ বা ‘পুরোহিত’ সৃষ্টি করার এমন পদ্ধতি ইসলাম অনুমোদন করে না।
৭. নতুন পোশাক পরা জরুরি নয়, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরলেই চলে। কাপড় সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ময়লা পোশাক পরা চলবে না।
৮. বিশেষ কোন রঙ্গের পোশাক পরা জরুরি নয়। সাদা কাপড় মুসলমানদের আদর্শ পোশাক।
৯. সহজে পরা ও খলে রাখা যায়, এমন পোশাক উত্তম।
১০. মুসলমানরা যখন নতুন পোশাক কিনবে, তখন এই পোশাক কেনার তওফিক দেওয়ার জন্য খোদার শুকরিয়া আদায় করবে।
১১. কাপড় পরিধান শুরু করতে হবে ডান দিক থেকে এবং খুলতে হবে বাম দিক থেকে। উভয়ক্ষেত্রে খোদাকে স্মরণ করতে হবে। তারপর পোশাক ঝুলিয়ে বা ভাজ করে রাখতে হবে।
২. নর ও নারীর পোশাকের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখতে হবে। কোন পুরুষের নারীর পোশাক পরিধান করা অথবা নারীর পুরুষের পোশকা পরিধান করা নিষিদ্ধ।
৩. ঔদ্ধত্য এবং অহংকার প্রকাশ পায়- এমন কাপড় পড় নিষিদ্ধ। মূলতঃ যে কোন প্রকার ঔদ্ধত্য ও অহংকার প্রকাশের অনুমতি নেই। অবশ্য, চাল-চলনে সৌন্দর্যবোধ ও স্মার্টনেস ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ নয়। চাল-চলনের মাধ্যমে কেউ খোদাকে সন্তুষ্ট করতে চাইলে এবং শুকরিয়া আদায় কারতে চাইলে তা মেনে নেয়া যায়।
৪. পুরুষের কমপক্ষে তার নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখা উচিত। আর মহিলাদের হাত ও মুখমণ্ডল ছাড়া সমগ্র দেহ পোশাকেঢেকে রাখতে হবে।
৫. নারী ও পুরুষের উল্লিখিত পোশাক স্বচ্ছ (সূক্ষ্ম) কাপড়ের হবে না।
৬. ইউনিফরম নিষিদ্ধ নয়। পেশাদার লোক (সৈনিক, পুলিশ) পেশাগত কারণে পোশাক পরতে পারে। তবে আলেম বা ইসলামি পণ্ডিতদের উচিত নয় বিশেষ ধরনের পোশাক পরে নিজেদের আলাদা বৈশিষ্ট নিরূপণ করা। ‘মোল্লা’ বা ‘পুরোহিত’ সৃষ্টি করার এমন পদ্ধতি ইসলাম অনুমোদন করে না।
৭. নতুন পোশাক পরা জরুরি নয়, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরলেই চলে। কাপড় সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ময়লা পোশাক পরা চলবে না।
৮. বিশেষ কোন রঙ্গের পোশাক পরা জরুরি নয়। সাদা কাপড় মুসলমানদের আদর্শ পোশাক।
৯. সহজে পরা ও খলে রাখা যায়, এমন পোশাক উত্তম।
১০. মুসলমানরা যখন নতুন পোশাক কিনবে, তখন এই পোশাক কেনার তওফিক দেওয়ার জন্য খোদার শুকরিয়া আদায় করবে।
১১. কাপড় পরিধান শুরু করতে হবে ডান দিক থেকে এবং খুলতে হবে বাম দিক থেকে। উভয়ক্ষেত্রে খোদাকে স্মরণ করতে হবে। তারপর পোশাক ঝুলিয়ে বা ভাজ করে রাখতে হবে।