১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৯
শুক্রবারের জুমার খুতবা
১. শুক্রবার সবসময় কালো কাপড় পড়ার রেওয়াজ ইমামকে পরিহার করতে হবে।
২. মিম্বরে আরোহণ করার পূর্বে বা পরপরই ইমামকে নামাজিদের উদ্দেশ্যে সালাম দিতে হবে।
৩. খুতবা দানের সময় ইমামকে নামাজিদের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে।
৪. খুতবার আলোচ্য বিষয় প্রাসঙ্গিক হতে হবে, চলতি সমস্যা এবং সমাধারে সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে।
৫. জুমার খুতবা দু’ভাগে বিভক্ত। প্রতিভঅগে ইমামকে মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে হবে। মাঝখানে বিরতির সময় তাকে অল্প কিছুক্ষণেল জন্য বসতে হবে।
৬. ইমাম সাহেবের কণ্ঠস্বর হবে সুস্পষ্ট তবে বক্তব্য শোনানোর জন্য তার চিৎকার করা উচিত নয়। তার ভাষা হবে সহজ, সরল এবং সহজবোধ।
৭. খুতবার সময় কাউকে স্বাগত জানানো অথবা কোন ঘোষণা দেওয়ার জন্য ইমামের খুতবার ব্যাঘাত ঘটানো উচিত নয়।
৮. ইমাম খুতবা বা নামাজ দীর্ঘায়িত করবেনা। মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তা সারতে হবে। কার্যতঃ খুতবার সংক্ষিপ্ততা ইসলাম সম্পর্কে ইমামের জ্ঞান ও উপলব্ধির পরিচয়বাহী।
৯. সানি খুতবা তথ্যশূন্য হওয়া উচিত নয়।
১০. খুতবা হচ্ছে একটি বাণী এব তা কোন কর্ম সম্পাদন নয়। ইমাম বাকপটুতা অথবা কাব্যিক ছন্দ পরিহার করবেন। তিনি এমন সুরে বা আওয়াজে বলবেন না, যাতে সংগীতের সুরমুর্ছনার রেশ থাকে।
১১. খুতবার মধ্যে জিকির">দোয়া করার সময় ইমামের হাত উঠানো উচিত নয়। আঙ্গুল প্রসারিত করে মুনাজাত করাই শ্রেয়।
১২. ইমাম পূর্বাহ্নেই তার খুতবা তৈরি করে রাখবেন। তার দোয়াও হবে স্বতঃস্ফুর্ত এবং তা মুখস্থ হবে না। [বাংলাদেশে অধিকাংশ ইমাম সাধারণতঃ কোন বই থেকে খুতবা পাঠ করে থাকেন। অবশ্য কোন কোন বিজ্ঞ ইমমা আছেন, যারা খুতবা নিজেরা তৈরি করে আনেন- অনুবাদক]
১৩. নামাজের লাইন সোজা না হওয়া পর্যন্ত ইমাম তার নামাজ শুরু করবেন না।
২. মিম্বরে আরোহণ করার পূর্বে বা পরপরই ইমামকে নামাজিদের উদ্দেশ্যে সালাম দিতে হবে।
৩. খুতবা দানের সময় ইমামকে নামাজিদের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে।
৪. খুতবার আলোচ্য বিষয় প্রাসঙ্গিক হতে হবে, চলতি সমস্যা এবং সমাধারে সাথে সংশ্লিষ্ট হতে হবে।
৫. জুমার খুতবা দু’ভাগে বিভক্ত। প্রতিভঅগে ইমামকে মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবা দিতে হবে। মাঝখানে বিরতির সময় তাকে অল্প কিছুক্ষণেল জন্য বসতে হবে।
৬. ইমাম সাহেবের কণ্ঠস্বর হবে সুস্পষ্ট তবে বক্তব্য শোনানোর জন্য তার চিৎকার করা উচিত নয়। তার ভাষা হবে সহজ, সরল এবং সহজবোধ।
৭. খুতবার সময় কাউকে স্বাগত জানানো অথবা কোন ঘোষণা দেওয়ার জন্য ইমামের খুতবার ব্যাঘাত ঘটানো উচিত নয়।
৮. ইমাম খুতবা বা নামাজ দীর্ঘায়িত করবেনা। মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তা সারতে হবে। কার্যতঃ খুতবার সংক্ষিপ্ততা ইসলাম সম্পর্কে ইমামের জ্ঞান ও উপলব্ধির পরিচয়বাহী।
৯. সানি খুতবা তথ্যশূন্য হওয়া উচিত নয়।
১০. খুতবা হচ্ছে একটি বাণী এব তা কোন কর্ম সম্পাদন নয়। ইমাম বাকপটুতা অথবা কাব্যিক ছন্দ পরিহার করবেন। তিনি এমন সুরে বা আওয়াজে বলবেন না, যাতে সংগীতের সুরমুর্ছনার রেশ থাকে।
১১. খুতবার মধ্যে জিকির">দোয়া করার সময় ইমামের হাত উঠানো উচিত নয়। আঙ্গুল প্রসারিত করে মুনাজাত করাই শ্রেয়।
১২. ইমাম পূর্বাহ্নেই তার খুতবা তৈরি করে রাখবেন। তার দোয়াও হবে স্বতঃস্ফুর্ত এবং তা মুখস্থ হবে না। [বাংলাদেশে অধিকাংশ ইমাম সাধারণতঃ কোন বই থেকে খুতবা পাঠ করে থাকেন। অবশ্য কোন কোন বিজ্ঞ ইমমা আছেন, যারা খুতবা নিজেরা তৈরি করে আনেন- অনুবাদক]
১৩. নামাজের লাইন সোজা না হওয়া পর্যন্ত ইমাম তার নামাজ শুরু করবেন না।