১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪২
কবরের বাইরের ডিজাইন
১. ইসলামে কবর ও কবরস্থান নির্মাণে এমন এক অনন্য স্টাইলে রয়েছে, যা বিনয়, মিতব্যয়িতা ও বাহুল্যবর্জনের বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এতে সৌধ তৈরি করে মৃতকে গৌরবান্বিত করার অবকাশ নেই।
২. কবরের উচ্চতা হবে ভূমিস্তর থেকে এক হাতের মত উঁচু। এর ফলে কবর চিহ্নিত রাখা ও সংরক্ষণ করার মত পার্থক্য হয়।
৩. লাশ দাফনের পর উত্তোলিত মাটির চেয়ে কবরকে বেশি উঁচু করা যাবেনা।
৪. কবরের উপর কোন ধরনের নির্মাণ কাজ চলবে না। তবে কাদামাটির সাহায্যে বরগাহকে অনুমোদিত সীমার মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উঁচু করা যেতে পারে, যাতে করে বায়ু বা বৃষ্টির ফলে তার ক্ষতি না হয়; নিঃসন্দেহে এ কাজটি অনুমোদনযোগ্য; কারণ এতে একটি লক্ষ্য রূপায়ণের জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। অনুমোদিত সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া অথবা কারুকার্য খচিত করার বা অন্য কোন প্রকার গর্ব প্রকাশের লক্ষ্য কাম্য নয়।
৫. কবরের উপর বৈশিষ্ট্যময় নামফলক বসানো নিষিদ্ধ।
৬. জিপসাম, পেইন্ট দ্বারা কবর প্লাস্টার করা অথবা এধরনের ডেকোরেশন বড়ই বেমানান; কেননা মৃতদেগ মাটিতে মিশে যাবে।
৭. মৃতের নাম ছাড়া কবরের উপর আর কোনকিছুই লেখা যাবেনা এবং এটাও হবে চিহ্নিতকরণের জন্য, কারুকার্যময়তার জন্যে নয়।
২. কবরের উচ্চতা হবে ভূমিস্তর থেকে এক হাতের মত উঁচু। এর ফলে কবর চিহ্নিত রাখা ও সংরক্ষণ করার মত পার্থক্য হয়।
৩. লাশ দাফনের পর উত্তোলিত মাটির চেয়ে কবরকে বেশি উঁচু করা যাবেনা।
৪. কবরের উপর কোন ধরনের নির্মাণ কাজ চলবে না। তবে কাদামাটির সাহায্যে বরগাহকে অনুমোদিত সীমার মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উঁচু করা যেতে পারে, যাতে করে বায়ু বা বৃষ্টির ফলে তার ক্ষতি না হয়; নিঃসন্দেহে এ কাজটি অনুমোদনযোগ্য; কারণ এতে একটি লক্ষ্য রূপায়ণের জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। অনুমোদিত সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া অথবা কারুকার্য খচিত করার বা অন্য কোন প্রকার গর্ব প্রকাশের লক্ষ্য কাম্য নয়।
৫. কবরের উপর বৈশিষ্ট্যময় নামফলক বসানো নিষিদ্ধ।
৬. জিপসাম, পেইন্ট দ্বারা কবর প্লাস্টার করা অথবা এধরনের ডেকোরেশন বড়ই বেমানান; কেননা মৃতদেগ মাটিতে মিশে যাবে।
৭. মৃতের নাম ছাড়া কবরের উপর আর কোনকিছুই লেখা যাবেনা এবং এটাও হবে চিহ্নিতকরণের জন্য, কারুকার্যময়তার জন্যে নয়।