১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬১
পুরুষের পোশাক
১. পোশাকের ব্যাপারে উল্লিখিত সাধারণ নীতিমালার প্রতি অবশ্যই দৃষ্টি রাখতে হবে।
২. পুরুষদের জন্য রেশকি, বুটিদার রেশমি, কারুকার্যখচিত রেশমি অথবা চার আঙ্গুলের বেশি রেশমি পাড়ের কাপড় পরা নিষিদ্ধ। তবে পুরুষদের বেলায় স্বাস্থ্যগত বা চিকিৎসাগত কারণে রেশমের কাপড় পরার অনুমতি রয়েছে।
৩. পুরুষদের জাফরান বা হলুদ রং বিশিষ্ট পোশাক পরতে নিষেধ করা হয়েছে। অবশ্য মহিলাদের এসব পোশাক পরার ব্যাপারে অসুবিধা নেই।
৪. যে ধরনের পোশাক পরা অন্য জাতির অনুকরণের নামান্তর, তা অনৈসিলামিক এবং নিষিদ্ধ।
৫. পুরুষদের পোশাক:
(ক) শার্টের নীপে পরতে হয় গেঞ্জিজাতীয় কাপড় যা প্রধানতঃ সূতা দিয়ে তৈরি।
(খ) শরীরের নিম্নাঙ্গ ঢেকে রাখার জন্য আণ্ডারওয়ার।
(গ) দু’খন্ড কাপড়ের স্যুট দেঞের নিম্নাংশ আবৃত করার জন্য একখণ্ড পোশাক এবং শরীরের ঊর্ধ্বাংশ ঢেকে রারখার জন্য আরেক খণ্ড। নিম্নাংশেল কোন কাপড় পায়ের গিরার নীচে যাবে না। গেঞ্জি অথবা উপরের পোশাকের আস্তিন প্রশস্ত হবেনা অথবা কব্জি ছাড়িয়ে যাবেনা। কারণ এ ধরনের জামা পরা হয় অহংকার প্রদর্শনের জন্য।
(ঘ) পাগড়ী অথবা টুপির আকারে মস্তকাবরণী।
৬. ক্রীড়া ও সাঁতারের পোশাক:
পুরুষদের খেলাধুলার পোশাক হবে নগ্নতা ঢেকেজ রাখার জন্য, সাধারণ নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ- নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত আবৃত রাখা, শরীরের এ অংশ যাতে অন্যের সৃষ্টি গোচর না হয়। সুতরাং খেলাধুলার পোশাক এমন হওয়া উচিত যাতে অতিরঞ্জনের বহিঃপ্রকাশ না ঘটে অথবা পুরুষের অবয়ব ধরা না পড়ে।
২. পুরুষদের জন্য রেশকি, বুটিদার রেশমি, কারুকার্যখচিত রেশমি অথবা চার আঙ্গুলের বেশি রেশমি পাড়ের কাপড় পরা নিষিদ্ধ। তবে পুরুষদের বেলায় স্বাস্থ্যগত বা চিকিৎসাগত কারণে রেশমের কাপড় পরার অনুমতি রয়েছে।
৩. পুরুষদের জাফরান বা হলুদ রং বিশিষ্ট পোশাক পরতে নিষেধ করা হয়েছে। অবশ্য মহিলাদের এসব পোশাক পরার ব্যাপারে অসুবিধা নেই।
৪. যে ধরনের পোশাক পরা অন্য জাতির অনুকরণের নামান্তর, তা অনৈসিলামিক এবং নিষিদ্ধ।
৫. পুরুষদের পোশাক:
(ক) শার্টের নীপে পরতে হয় গেঞ্জিজাতীয় কাপড় যা প্রধানতঃ সূতা দিয়ে তৈরি।
(খ) শরীরের নিম্নাঙ্গ ঢেকে রাখার জন্য আণ্ডারওয়ার।
(গ) দু’খন্ড কাপড়ের স্যুট দেঞের নিম্নাংশ আবৃত করার জন্য একখণ্ড পোশাক এবং শরীরের ঊর্ধ্বাংশ ঢেকে রারখার জন্য আরেক খণ্ড। নিম্নাংশেল কোন কাপড় পায়ের গিরার নীচে যাবে না। গেঞ্জি অথবা উপরের পোশাকের আস্তিন প্রশস্ত হবেনা অথবা কব্জি ছাড়িয়ে যাবেনা। কারণ এ ধরনের জামা পরা হয় অহংকার প্রদর্শনের জন্য।
(ঘ) পাগড়ী অথবা টুপির আকারে মস্তকাবরণী।
৬. ক্রীড়া ও সাঁতারের পোশাক:
পুরুষদের খেলাধুলার পোশাক হবে নগ্নতা ঢেকেজ রাখার জন্য, সাধারণ নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ- নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত আবৃত রাখা, শরীরের এ অংশ যাতে অন্যের সৃষ্টি গোচর না হয়। সুতরাং খেলাধুলার পোশাক এমন হওয়া উচিত যাতে অতিরঞ্জনের বহিঃপ্রকাশ না ঘটে অথবা পুরুষের অবয়ব ধরা না পড়ে।