১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৫
ত্রয়োদশ অধ্যায়ঃ জন্ম ঘোষণা
১. যদি এমন ব্যাপার হয় যে, কোন শিশুর জন্মের খবর বন্ধুর কাছে প্রথম নিয়ে যাবার সে-ই মাধ্যম হয়, তাহলে তাকে উদ্যোগ নিয়ে খবরটি তার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
২. মেয়ে শিশুর জন্মের খবর ছেলে সন্তানের জন্মের খবরের ন্যায় স্বাগত জানাতে হবে এবং খোদার শুকরিয়া আদায় করতে হবে।
৩. শিশুর জন্মের পর প্রথম করণীয় হলোঃ তার কানে আজান পৌঁছে দেয়া।
৪. দ্বিতীয় বিষয়টি (ফরজ না হলেও) হচ্ছেঃ একটি খেজুর চিবিয়ে চিবিয়ে নরম রস তৈরি করে শিশুর মুখে দেয়া এবং শিশুর জন্য দোয়া করা। এটা ‘তাহনিক’ নামে পরিচিত এবং রাসূল (ﷺ) কখনও কখনও এরূপ করেছেন।
৫. শিশুর জন্মের পরপরেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নামকরণ করতে হবে। নামকরণ সম্পর্কে ১৪ নং অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে।
৬. শিশুটি যদি উভয় লিঙ্গের হয়, তাহলে এমন নামকরণ করা উচিত, যা ছেলেমেয়ে উভয়ের বেলায় প্রয়োজ্য।
৭. মৃত সন্তান প্রসব হলে তার নাম দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
২. মেয়ে শিশুর জন্মের খবর ছেলে সন্তানের জন্মের খবরের ন্যায় স্বাগত জানাতে হবে এবং খোদার শুকরিয়া আদায় করতে হবে।
৩. শিশুর জন্মের পর প্রথম করণীয় হলোঃ তার কানে আজান পৌঁছে দেয়া।
৪. দ্বিতীয় বিষয়টি (ফরজ না হলেও) হচ্ছেঃ একটি খেজুর চিবিয়ে চিবিয়ে নরম রস তৈরি করে শিশুর মুখে দেয়া এবং শিশুর জন্য দোয়া করা। এটা ‘তাহনিক’ নামে পরিচিত এবং রাসূল (ﷺ) কখনও কখনও এরূপ করেছেন।
৫. শিশুর জন্মের পরপরেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নামকরণ করতে হবে। নামকরণ সম্পর্কে ১৪ নং অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে।
৬. শিশুটি যদি উভয় লিঙ্গের হয়, তাহলে এমন নামকরণ করা উচিত, যা ছেলেমেয়ে উভয়ের বেলায় প্রয়োজ্য।
৭. মৃত সন্তান প্রসব হলে তার নাম দেওয়ার প্রয়োজন নেই।