১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
চতুর্থ অধ্যায়ঃ খানাপিনার আদব
উত্তম খানা তৈরির জন্য খাবারের পরিমাণ এবং কত প্রকারে খানা হবে, সে ব্যাপারে পরিষ্কারা ধারণা, পারিপাট্য এবং পরিমিতিবোধের প্রতি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
১. বৈধ বস্তু থেকে খাবার প্রস্তুত করতে হবে। শূকরের মাংস, মদ, শূকর ছানা থেকে তৈরি জেলী, মদের সাহায্যে মিষ্টিপণ্য, রক্ত, সাপ ও ব্যাঙ ইসলামে নিষিদ্ধ। অনৈসলামি পন্থায় জবাই করা জন্তুর মাংস ভক্ষণও সিদ্ধ নয়।
২. অমুসলমানদের হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহারের আগে সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্যের ব্যাপারে মুসলমানদের জন্য বিশেষ নির্দেশ রয়েছে, যা অন্যেরা অনুসরণ করবে বলে আশা করা যায় না।
৩. কিছু অতিরিক্ত সালুন রান্না করা দরকার, যাতে আরো বেশি পরিমাণ লোকদের আপ্যায়ন করা যায়। এছাড়া স্কোয়াশের ন্যায় সব্জি তৈরি করা যেতে পারে; এটা খাবারে পদ বৃদ্ধির একটি মিতব্যয়ী নীতি এং অধিক সংখ্যক লোককে এভাবে আপ্যায়ন করা যায়।
৪. পিঁয়াজ বা রসুন খেতে হলে রান্না করে খেতে হবে। কাঁচা পিঁয়াজ রসুন খেলে মুখ থেকে সৃষ্ট গন্ধ অন্যের জন্য কষ্টদায়ক হয়। স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাসন কোসন বা ছুড়ি কাঁটা ব্যবাহর নিষিদ্ধ।
৬. দুধ ও মধু হচ্ছে সর্বোত্তম খাদ্য। পশুর সিনার গোশত সর্বোত্তম।
৭. মেঝেতে বসে খাবার খাওয়া অগ্রাধিকার দেয়া যথাযথ। এটা বিনয়ের প্রতীক।
৮. গরুর গোশতসহ অন্যান্য হালল গোশত খাওয়াকে নিষিদ্ধ মনে করা অন্যায়।
৯. ইসলামের খাবারের পরিবেশ অন্যান্য সংস্কৃতির চাইতে ভিন্ন। এক্ষেত্রে পরিবেশের বৈশিষ্ট্য হচ্ছেঃ পরিচ্ছন্নতা, অনাড়ম্বরতা ও মিতব্যয়ীতা; অহেতুক সময় ও প্রচেষ্টার অপচয় করা যাবে না, পাশ্চাত্য রীতিতে যেমনটি হয়ে থাকে,সৌন্দর্যবিধানও এক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়। খাবার গ্রহণকে পুষ্টি বর্ধন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
১. বৈধ বস্তু থেকে খাবার প্রস্তুত করতে হবে। শূকরের মাংস, মদ, শূকর ছানা থেকে তৈরি জেলী, মদের সাহায্যে মিষ্টিপণ্য, রক্ত, সাপ ও ব্যাঙ ইসলামে নিষিদ্ধ। অনৈসলামি পন্থায় জবাই করা জন্তুর মাংস ভক্ষণও সিদ্ধ নয়।
২. অমুসলমানদের হাঁড়ি-পাতিল ব্যবহারের আগে সেগুলো পরিষ্কার করতে হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতা ও খাদ্যের ব্যাপারে মুসলমানদের জন্য বিশেষ নির্দেশ রয়েছে, যা অন্যেরা অনুসরণ করবে বলে আশা করা যায় না।
৩. কিছু অতিরিক্ত সালুন রান্না করা দরকার, যাতে আরো বেশি পরিমাণ লোকদের আপ্যায়ন করা যায়। এছাড়া স্কোয়াশের ন্যায় সব্জি তৈরি করা যেতে পারে; এটা খাবারে পদ বৃদ্ধির একটি মিতব্যয়ী নীতি এং অধিক সংখ্যক লোককে এভাবে আপ্যায়ন করা যায়।
৪. পিঁয়াজ বা রসুন খেতে হলে রান্না করে খেতে হবে। কাঁচা পিঁয়াজ রসুন খেলে মুখ থেকে সৃষ্ট গন্ধ অন্যের জন্য কষ্টদায়ক হয়। স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাসন কোসন বা ছুড়ি কাঁটা ব্যবাহর নিষিদ্ধ।
৬. দুধ ও মধু হচ্ছে সর্বোত্তম খাদ্য। পশুর সিনার গোশত সর্বোত্তম।
৭. মেঝেতে বসে খাবার খাওয়া অগ্রাধিকার দেয়া যথাযথ। এটা বিনয়ের প্রতীক।
৮. গরুর গোশতসহ অন্যান্য হালল গোশত খাওয়াকে নিষিদ্ধ মনে করা অন্যায়।
৯. ইসলামের খাবারের পরিবেশ অন্যান্য সংস্কৃতির চাইতে ভিন্ন। এক্ষেত্রে পরিবেশের বৈশিষ্ট্য হচ্ছেঃ পরিচ্ছন্নতা, অনাড়ম্বরতা ও মিতব্যয়ীতা; অহেতুক সময় ও প্রচেষ্টার অপচয় করা যাবে না, পাশ্চাত্য রীতিতে যেমনটি হয়ে থাকে,সৌন্দর্যবিধানও এক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়। খাবার গ্রহণকে পুষ্টি বর্ধন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।