১
ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ
লেখকঃ ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬২
মহিলাদের পোশাক
মহিলাদের পোশাকের সাধারণ রূপরেখা নিম্নে বর্ণিত হলো:
১. মহিলাদের পোশাক একই সঙ্গে বেশ ক’টি শর্তপূরণ করতে হবে, মেযন:
(ক) মুখমণ্ডল ও হাত ব্যতীত সমগ্র শরীর কাপড়ে ঢেকে রাখতে হবে।
(খ) পোশাক এত পাতলা বা স্বচ্ছ হওয়া চলবেনা, যাতে তার শরীর প্রকাশিত হয়ে পড়ে।
(গ) মূল পোশাকটি হবে ঝুলন্ত বা প্রলম্তিত। এর অর্থ হচ্ছে নারীদেরকে অবশ্য ‘টাইট’ পোশাক পরিহার করতে হবে যাতে তার বক্ষ, পা বা হাত এবং শরীরের আকৃতি বুঝা না যায়।
(ঘ) নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তা সংরক্ষণের তাগিতে অমুসলিম নারীতের পোশাক অনুকরণ করতে মানা করা হয়েছে।
(ঙ) নারীসত্তা বজায় রাখতে পুরুষদের পোশাকের অনুকরণ করতে মানা করা হয়েছে।
(চ) যে পোমাক অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তা পরিহার করতে বলা হয়েছে।
(ছ) ঘরের বাইরে অথবা অভ্যন্তরে বহিরাগতদের সাথে সাক্ষাৎকালে পোশাকে সুগন্ধি ব্যবহার করতে মানা করা হয়েছে।
২. মুসলিম নারীদের পোশাক তিনখণ্ডে বিভক্তঃ কামিজ, নেকাব এবং আলখেল্লা।
(ক) কামিজ: এটা মাথা, মুখমণ্ডল ও হাত ব্যতীত সারা দেহ ঢেকে রাখার জন্য একটি পোশাক। এটা অবশ্যই লম্বা হতে হবে, যাতে করে মহিলাদের পা পর্যন্ত ঢেকে যায়। এরূপ পোশাক যা সারা শরীর ঢেকে ফেলে। সুতরাং হাঁটু পর্যন্ত তা সীমিত রাখা এবং লম্বা মোজার সাহায্যে পা ঢাকা উচি নয়। কামিজের আস্তিন প্রশস্ত হবেনা।
(খ) নেতাক: এটা একটি মুখাবরণ যা মহিলাদের মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়; এটা সূক্ষ্ম জালের মত হবেনা; তবে যে কোন সামগ্র দিয়ে তৈরি হতে পারে। তবে এটা স্বচ্ছ সামগ্রী হওয়া উচিত নয়।
(গ) আলখেল্লা: এমন একটি পোশাক যা সারাদেগ ঢেকে রাখে এবং মাথা থেকে কাঁধ পর্যন্ত নেমে আসে। ফলে মহিলারেদ মাথা ও কাঁধের আকার গোপন থাকে।
১. মহিলাদের পোশাক একই সঙ্গে বেশ ক’টি শর্তপূরণ করতে হবে, মেযন:
(ক) মুখমণ্ডল ও হাত ব্যতীত সমগ্র শরীর কাপড়ে ঢেকে রাখতে হবে।
(খ) পোশাক এত পাতলা বা স্বচ্ছ হওয়া চলবেনা, যাতে তার শরীর প্রকাশিত হয়ে পড়ে।
(গ) মূল পোশাকটি হবে ঝুলন্ত বা প্রলম্তিত। এর অর্থ হচ্ছে নারীদেরকে অবশ্য ‘টাইট’ পোশাক পরিহার করতে হবে যাতে তার বক্ষ, পা বা হাত এবং শরীরের আকৃতি বুঝা না যায়।
(ঘ) নিজস্ব সাংস্কৃতিক সত্তা সংরক্ষণের তাগিতে অমুসলিম নারীতের পোশাক অনুকরণ করতে মানা করা হয়েছে।
(ঙ) নারীসত্তা বজায় রাখতে পুরুষদের পোশাকের অনুকরণ করতে মানা করা হয়েছে।
(চ) যে পোমাক অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তা পরিহার করতে বলা হয়েছে।
(ছ) ঘরের বাইরে অথবা অভ্যন্তরে বহিরাগতদের সাথে সাক্ষাৎকালে পোশাকে সুগন্ধি ব্যবহার করতে মানা করা হয়েছে।
২. মুসলিম নারীদের পোশাক তিনখণ্ডে বিভক্তঃ কামিজ, নেকাব এবং আলখেল্লা।
(ক) কামিজ: এটা মাথা, মুখমণ্ডল ও হাত ব্যতীত সারা দেহ ঢেকে রাখার জন্য একটি পোশাক। এটা অবশ্যই লম্বা হতে হবে, যাতে করে মহিলাদের পা পর্যন্ত ঢেকে যায়। এরূপ পোশাক যা সারা শরীর ঢেকে ফেলে। সুতরাং হাঁটু পর্যন্ত তা সীমিত রাখা এবং লম্বা মোজার সাহায্যে পা ঢাকা উচি নয়। কামিজের আস্তিন প্রশস্ত হবেনা।
(খ) নেতাক: এটা একটি মুখাবরণ যা মহিলাদের মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়; এটা সূক্ষ্ম জালের মত হবেনা; তবে যে কোন সামগ্র দিয়ে তৈরি হতে পারে। তবে এটা স্বচ্ছ সামগ্রী হওয়া উচিত নয়।
(গ) আলখেল্লা: এমন একটি পোশাক যা সারাদেগ ঢেকে রাখে এবং মাথা থেকে কাঁধ পর্যন্ত নেমে আসে। ফলে মহিলারেদ মাথা ও কাঁধের আকার গোপন থাকে।