১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
পরীক্ষার হলে করণীয়
১. পরীক্ষার দিন কলম, স্কেল, প্রবেশপত্রসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়ে যথাসময়ে বাসা থেকে বের হতে হবে- যাতে কোন তাড়াহুড়া ছাড়া সময়মত পরীক্ষার হলে পৌঁছা যায়।
২. উত্তরপত্র বা কাগজ পাওয়ার পর তাতে পরীক্ষার্থীর যেসব তথ্য লেখা প্রয়োজন তা সচেতনভাবে লিখতে হবে এবং উত্তরপত্রে প্রয়োজনীয় মার্জিন ও পৃষ্ঠার নম্বর বসাতে হবে।
৩. প্রশ্নপত্র হাতে পেলেই সম্পূর্ণটা একনজর পড়ে নিতে হবে। তারপর বেশি কমন পড়া প্রশ্নগুলো পর্যায়ক্রমে লিখতে হবে। উত্তর লেখার পূর্বে প্রশ্নের নম্বর সঠিকভাবে বসাতে হবে।
৪. কোন্ প্রশ্নে কত নম্বর আছে তা বুঝে সে অনুপাতে উত্তর লিখতে হবে।
৫. কয়টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে তা জেনে সে অনুযায়ী সময় ভাগ করে নিতে হবে- যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল প্রশ্নের উত্তর লেখা যায়।
৬. প্রশ্ন যদি ভেঙ্গে ভেঙ্গে করা হয়, তাহলে উত্তরও আলাদা আলাদা প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদে লিখতে হবে।
৭. সন, তারিখ ও উদ্ধৃতি এসব যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সঠিক উত্তর বাছাই করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে।
৮. কোটেশন ও পয়েন্টগুলো ভিন্ন কালিতে লিখলে অথবা আন্ডার লাইন করে দিলে ভাল হয়, তাহলে সহজেই তা পরীক্ষকের দৃষ্টিগোচর হবে।
৯. উত্তরপত্র পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোন লেখা ভুল হয়ে গেলে ঘষামাজা না করে একটানে কেটে দিতে হবে।
১০. পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ৫/৭ মিনিট আগেই লেখা শেষ করে খাতা জমা দেয়ার পূর্বে একনজর দেখে নিতে হবে, কোন ভুল ধরা পড়লে সংশোধন করে দিতে হবে।
এসব নিয়মাবলী অনুসরণ করলে যেকোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাবে- ইনশা-আল্লাহ!
২. উত্তরপত্র বা কাগজ পাওয়ার পর তাতে পরীক্ষার্থীর যেসব তথ্য লেখা প্রয়োজন তা সচেতনভাবে লিখতে হবে এবং উত্তরপত্রে প্রয়োজনীয় মার্জিন ও পৃষ্ঠার নম্বর বসাতে হবে।
৩. প্রশ্নপত্র হাতে পেলেই সম্পূর্ণটা একনজর পড়ে নিতে হবে। তারপর বেশি কমন পড়া প্রশ্নগুলো পর্যায়ক্রমে লিখতে হবে। উত্তর লেখার পূর্বে প্রশ্নের নম্বর সঠিকভাবে বসাতে হবে।
৪. কোন্ প্রশ্নে কত নম্বর আছে তা বুঝে সে অনুপাতে উত্তর লিখতে হবে।
৫. কয়টি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে তা জেনে সে অনুযায়ী সময় ভাগ করে নিতে হবে- যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল প্রশ্নের উত্তর লেখা যায়।
৬. প্রশ্ন যদি ভেঙ্গে ভেঙ্গে করা হয়, তাহলে উত্তরও আলাদা আলাদা প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদে লিখতে হবে।
৭. সন, তারিখ ও উদ্ধৃতি এসব যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সঠিক উত্তর বাছাই করার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে।
৮. কোটেশন ও পয়েন্টগুলো ভিন্ন কালিতে লিখলে অথবা আন্ডার লাইন করে দিলে ভাল হয়, তাহলে সহজেই তা পরীক্ষকের দৃষ্টিগোচর হবে।
৯. উত্তরপত্র পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোন লেখা ভুল হয়ে গেলে ঘষামাজা না করে একটানে কেটে দিতে হবে।
১০. পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার ৫/৭ মিনিট আগেই লেখা শেষ করে খাতা জমা দেয়ার পূর্বে একনজর দেখে নিতে হবে, কোন ভুল ধরা পড়লে সংশোধন করে দিতে হবে।
এসব নিয়মাবলী অনুসরণ করলে যেকোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাবে- ইনশা-আল্লাহ!