১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
আখলাকে যামীমাহ বা অসচ্চরিত্রের সংক্ষিপ্ত তালিকা
(১) শির্ক করা।
(২) অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা।
(৩) নামায না পড়া।
(৪) যাকাত না দেয়া।
(৫) রমাযানের রোযা না রাখা।
(৬) সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ না করা।
(৭) জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা।
(৮) রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত করা।
(৯) তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
(১০) জ্যোতিষী ও গনকের কথা বিশ্বাস করা।
(১১) আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে প্রাণী যবাই করা।
(১২) সত্যের বিরোধিতা করা।
(১৩) আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যাচার করা।
(১৪) আল্লাহর আযাব ও গযব সম্পর্কে উদাসীন হওয়া।
(১৫) আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া।
(১৬) পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া।
(১৭) নিজের পিতা ব্যতীত অন্যকে পিতৃরূপে স্বীকৃতি দেয়া।
(১৮) আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।
(১৯) জাদু করা।
(২০) যিনা/ব্যভিচার করা।
(২১) সমকামিতা করা।
(২২) সতী নারীর প্রতি যিনার অপবাদ দেয়া।
(২৩) সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া।
(২৪) এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা।
(২৫) গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা।
(২৬) চুরি করা।
(২৭) ডাকাতি, রাহাজানি ও অপহরণ করা।
(২৮) চাঁদাবাজি করা।
(২৯) হারাম খাদ্য গ্রহণ করা।
(৩০) অহংকার করা।
(৩১) মদ্য পান করা।
(৩২) জুয়া খেলা।
(৩৩) মিথ্যা কথা বলা।
(৩৪) মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।
(৩৫) মিথ্যা শপথ করা।
(৩৬) গালি দেয়া।
(৩৭) কোনো মু’মিনকে লানত (অভিশাপ) দেয়া।
(৩৮) শাসক কর্তৃক জনগণকে প্রতারণা ও জুলুম করা।
(৩৯) জুলুম-অত্যাচার করা। পাওনাদারের প্রতি জুলুম করা। স্ত্রীর প্রতি জুলুম করা। শ্রমিক ও অধিনস্ত কর্মচারীদের প্রতি জুলুম করা।
(৪০) দাস-দাসী, দুর্বল শ্রেণীর মানুষ এবং জীব জন্তুর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা।
(৪১) স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের অধিকার খর্ব করা।
(৪২) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া।
(৪৩) দান করে খোটা দেয়া।
(৪৪) আমানতের খিয়ানত করা।
(৪৫) আত্মহত্যা করা।
(৪৬) অন্যায়ভাবে বিচার করা।
(৪৭) পুরুষ মহিলার এবং মহিলা পুরুষের আকৃতি/বেশ ধারণ করা।
(৪৮) পরিবার ও সমাজে অশ্লীল কাজকে প্রশ্রয় দেয়া।
(৪৯) প্রস্রাবের ছিটা থেকে পবিত্র না থাকা।
(৫০) দ্বীনি ইল্ম/জ্ঞান গোপন করা।
(৫১) কারো গোপন কথা শ্রবণ করার চেষ্টা করা।
(৫২) মুসলমানদের গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে দেয়া।
(৫৩) গীবত করা।
(৫৪) চোগলখোরী করা।
(৫৫) ওয়াদা ভঙ্গ করা।
(৫৬) প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা।
(৫৭) ঘরের দেয়ালে প্রাণীর ছবি ঝুলিয়ে রাখা।
(৫৮) কেউ মারা গেলে বিলাপ করে ক্রন্দন করা, শরীরে আঘাত করা।
(৫৯) পুরুষদের টাখনুর নিচে পোশাক পরা।
(৬০) পুরুষের স্বর্ণালঙ্কার ও রেশম ব্যবহার করা।
(৬১) মাপে ও ওজনে কম দেয়া।
(৬২) ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা করা।
(৬৩) বিনা ওযরে জুমু‘আ ও জামা‘আত ত্যাগ করা।
(কবীরা গুনাহ : ইমাম আয্যাহাবী)
এসব কদর্য ও নিন্দনীয় কাজ থেকে নিজেকে সর্বক্ষণ দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন। আমীন!
(২) অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা।
(৩) নামায না পড়া।
(৪) যাকাত না দেয়া।
(৫) রমাযানের রোযা না রাখা।
(৬) সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ না করা।
(৭) জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করা।
(৮) রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত করা।
(৯) তাকদীরের প্রতি বিশ্বাস না রাখা।
(১০) জ্যোতিষী ও গনকের কথা বিশ্বাস করা।
(১১) আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে প্রাণী যবাই করা।
(১২) সত্যের বিরোধিতা করা।
(১৩) আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যাচার করা।
(১৪) আল্লাহর আযাব ও গযব সম্পর্কে উদাসীন হওয়া।
(১৫) আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া।
(১৬) পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া।
(১৭) নিজের পিতা ব্যতীত অন্যকে পিতৃরূপে স্বীকৃতি দেয়া।
(১৮) আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।
(১৯) জাদু করা।
(২০) যিনা/ব্যভিচার করা।
(২১) সমকামিতা করা।
(২২) সতী নারীর প্রতি যিনার অপবাদ দেয়া।
(২৩) সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া।
(২৪) এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা।
(২৫) গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা।
(২৬) চুরি করা।
(২৭) ডাকাতি, রাহাজানি ও অপহরণ করা।
(২৮) চাঁদাবাজি করা।
(২৯) হারাম খাদ্য গ্রহণ করা।
(৩০) অহংকার করা।
(৩১) মদ্য পান করা।
(৩২) জুয়া খেলা।
(৩৩) মিথ্যা কথা বলা।
(৩৪) মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।
(৩৫) মিথ্যা শপথ করা।
(৩৬) গালি দেয়া।
(৩৭) কোনো মু’মিনকে লানত (অভিশাপ) দেয়া।
(৩৮) শাসক কর্তৃক জনগণকে প্রতারণা ও জুলুম করা।
(৩৯) জুলুম-অত্যাচার করা। পাওনাদারের প্রতি জুলুম করা। স্ত্রীর প্রতি জুলুম করা। শ্রমিক ও অধিনস্ত কর্মচারীদের প্রতি জুলুম করা।
(৪০) দাস-দাসী, দুর্বল শ্রেণীর মানুষ এবং জীব জন্তুর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা।
(৪১) স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের অধিকার খর্ব করা।
(৪২) প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া।
(৪৩) দান করে খোটা দেয়া।
(৪৪) আমানতের খিয়ানত করা।
(৪৫) আত্মহত্যা করা।
(৪৬) অন্যায়ভাবে বিচার করা।
(৪৭) পুরুষ মহিলার এবং মহিলা পুরুষের আকৃতি/বেশ ধারণ করা।
(৪৮) পরিবার ও সমাজে অশ্লীল কাজকে প্রশ্রয় দেয়া।
(৪৯) প্রস্রাবের ছিটা থেকে পবিত্র না থাকা।
(৫০) দ্বীনি ইল্ম/জ্ঞান গোপন করা।
(৫১) কারো গোপন কথা শ্রবণ করার চেষ্টা করা।
(৫২) মুসলমানদের গোপনীয় বিষয় প্রকাশ করে দেয়া।
(৫৩) গীবত করা।
(৫৪) চোগলখোরী করা।
(৫৫) ওয়াদা ভঙ্গ করা।
(৫৬) প্রাণীর মূর্তি তৈরি করা।
(৫৭) ঘরের দেয়ালে প্রাণীর ছবি ঝুলিয়ে রাখা।
(৫৮) কেউ মারা গেলে বিলাপ করে ক্রন্দন করা, শরীরে আঘাত করা।
(৫৯) পুরুষদের টাখনুর নিচে পোশাক পরা।
(৬০) পুরুষের স্বর্ণালঙ্কার ও রেশম ব্যবহার করা।
(৬১) মাপে ও ওজনে কম দেয়া।
(৬২) ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা করা।
(৬৩) বিনা ওযরে জুমু‘আ ও জামা‘আত ত্যাগ করা।
(কবীরা গুনাহ : ইমাম আয্যাহাবী)
এসব কদর্য ও নিন্দনীয় কাজ থেকে নিজেকে সর্বক্ষণ দূরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন। আমীন!