১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
হিজাব ব্যবহার
ছাত্রীরা ছোটবেলা থেকেই শালীন পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যবহার করবে। মাথায় স্কার্ফ ও ওড়না ব্যবহার করে আল্লাহ তা‘আলার বিধান মেনে চলাকে অভ্যাসে পরিণত করবে। এ ক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মায়েরা যদি পোশাক ব্যবহারে শালীন হয় এবং হিজাব পরে তবে তাদের মেয়েরাও সহজেই তাদের অনুসরণ করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
يَاۤ اَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَآءِ الْمُؤْمِنِيْنَ يُدْنِيْنَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيْبِهِنَّ ذٰلِكَ اَدْنٰى اَنْ يُّعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ
‘‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রী, মেয়ে ও সাধারণ মু’মিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের (মাথার) উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে (যে, তারা সম্মানিত মহিলা)। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।’’ (সূরা আহযাব- ৫৯)
বর্তমানে অনেক ছাত্রী বখাটে ছেলেদের দ্বারা অপমানিত হচ্ছে। তারা যদি আল্লাহর বিধান মেনে চলত তবে এমনটা হত না।
ছাত্রীরা এমনভাবে সাজসজ্জা করবে না যাতে তাদের পড়ালেখা ব্যহত হয় এবং দুস্কৃতিকারীদের কবলে পড়তে হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِيْنَ مِنْ زِيْنَتِهِنَّ
‘‘তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে- যাতে (চলার আওয়াজে) তাদের গোপন সাজসজ্জা লোকদের কাছে প্রকাশ পেয়ে যায়।’’ (সূরা নূর- ৩১)
মেয়েদের সুগন্ধি ব্যবহার করার প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিরুৎসাহিত করেছেন। আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যদি কোনো মহিলা সুগন্ধি লাগিয়ে পুরুষদের মাঝে যায়- যাতে তারা তার সুগন্ধির ঘ্রাণ গ্রহণ করে তবে সে এরূপ এরূপ। অর্থাৎ সে যেন ব্যভিচারিণী।’’ (আবূ দাউদ হা/৪১৭৫)
হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
اَلْمَرْاَةُ عَوْرَةٌ فَإِذَا خَرَجَتْ اِسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ
‘‘মহিলাদের পর্দা করা কর্তব্য। কোনো মেয়েলোক যখন বেপর্দা হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে তখন শয়তান তাকে কাবু করে নেয়।’’ (তিরমিযী হা/১১৭৩)
اَ لَا لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاِمْرَاَةٍ اِلَّا كَانَ ثَالِثُهُمَا الشَّيْطَانُ
‘‘একজন বেগানা পুরুষ ও একজন বেগানা মহিলা যখন একত্রে অবস্থান করে তখন শয়তান সেখানে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয়।’’ (তিরমিযী হা/২১৬৫)
জেনে রাখা প্রয়োজন যে, পর্দার বিধান কেবল মহিলাদের জন্য নয়। পর্দা রক্ষায় নারী-পুরুষ সকলের সদিচ্ছা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য। মহান আল্লাহ প্রথমে মু’মিন পুরুষদের সম্পর্কে বলেন-
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ يَغُضُّوْا مِنْ اَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْ ذٰلِكَ أَزْكٰى لَهُمْ
‘‘মু’মিন পুরুষদেরকে বলো! তারা যেন তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী করে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে; এটা তাদের জন্য অধিক উত্তম।’’ (সূরা নূর- ৩০)
অতঃপর মু’মিন নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ اَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ
‘‘আর মু’মিন নারীদেরকে বলো! তারা যেন তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী করে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে।’’ (সূরা নূর- ৩১)
يَاۤ اَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَآءِ الْمُؤْمِنِيْنَ يُدْنِيْنَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيْبِهِنَّ ذٰلِكَ اَدْنٰى اَنْ يُّعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ
‘‘হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রী, মেয়ে ও সাধারণ মু’মিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের (মাথার) উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে (যে, তারা সম্মানিত মহিলা)। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।’’ (সূরা আহযাব- ৫৯)
বর্তমানে অনেক ছাত্রী বখাটে ছেলেদের দ্বারা অপমানিত হচ্ছে। তারা যদি আল্লাহর বিধান মেনে চলত তবে এমনটা হত না।
ছাত্রীরা এমনভাবে সাজসজ্জা করবে না যাতে তাদের পড়ালেখা ব্যহত হয় এবং দুস্কৃতিকারীদের কবলে পড়তে হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِيْنَ مِنْ زِيْنَتِهِنَّ
‘‘তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে- যাতে (চলার আওয়াজে) তাদের গোপন সাজসজ্জা লোকদের কাছে প্রকাশ পেয়ে যায়।’’ (সূরা নূর- ৩১)
মেয়েদের সুগন্ধি ব্যবহার করার প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিরুৎসাহিত করেছেন। আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যদি কোনো মহিলা সুগন্ধি লাগিয়ে পুরুষদের মাঝে যায়- যাতে তারা তার সুগন্ধির ঘ্রাণ গ্রহণ করে তবে সে এরূপ এরূপ। অর্থাৎ সে যেন ব্যভিচারিণী।’’ (আবূ দাউদ হা/৪১৭৫)
হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
اَلْمَرْاَةُ عَوْرَةٌ فَإِذَا خَرَجَتْ اِسْتَشْرَفَهَا الشَّيْطَانُ
‘‘মহিলাদের পর্দা করা কর্তব্য। কোনো মেয়েলোক যখন বেপর্দা হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে তখন শয়তান তাকে কাবু করে নেয়।’’ (তিরমিযী হা/১১৭৩)
اَ لَا لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاِمْرَاَةٍ اِلَّا كَانَ ثَالِثُهُمَا الشَّيْطَانُ
‘‘একজন বেগানা পুরুষ ও একজন বেগানা মহিলা যখন একত্রে অবস্থান করে তখন শয়তান সেখানে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয়।’’ (তিরমিযী হা/২১৬৫)
জেনে রাখা প্রয়োজন যে, পর্দার বিধান কেবল মহিলাদের জন্য নয়। পর্দা রক্ষায় নারী-পুরুষ সকলের সদিচ্ছা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য। মহান আল্লাহ প্রথমে মু’মিন পুরুষদের সম্পর্কে বলেন-
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ يَغُضُّوْا مِنْ اَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْ ذٰلِكَ أَزْكٰى لَهُمْ
‘‘মু’মিন পুরুষদেরকে বলো! তারা যেন তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী করে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে; এটা তাদের জন্য অধিক উত্তম।’’ (সূরা নূর- ৩০)
অতঃপর মু’মিন নারীদের সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ اَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ
‘‘আর মু’মিন নারীদেরকে বলো! তারা যেন তাদের দৃষ্টি নিম্নগামী করে এবং নিজ নিজ যৌনাঙ্গের হেফাযত করে।’’ (সূরা নূর- ৩১)