১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
পড়ালেখায় মন বসানোর পদ্ধতি
একজন মানুষের সর্বপ্রথম এবং সবচেয়ে বড় কাজ হল সঠিক জ্ঞান লাভ করা। এজন্য যে শব্দটি দিয়ে কুরআন নাযিল শুরু হয়েছে তা হল إِقْرَأْ ‘পড়ো’ অর্থাৎ সবকিছুর আগে তোমাকে পড়তে হবে, জানতে হবে। পড়ালেখা করা আল্লাহ তা‘আলারই আদেশ। কিন্তু অনেকেরই পড়ালেখায় মন বসতে চায় না। এর কারণ হল- শয়তান সবসময় সৃষ্টির সেরা জীব মানুষকে বিপথগামী করতে চায়। এজন্য মানুষের মন বিভিন্ন সময় খারাপের দিকে ধাবিত হয়। তেমনি ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। শয়তান তাদেরকে অন্যমনস্ক করে দেয়ার চেষ্টা করে। তাই ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ালেখার মত কল্যাণময় কাজ থেকে বঞ্চিত হয়ে জীবনে নানা ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে থাকে। এজন্য শয়তানের প্ররোচনায় না পড়ে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করাই হবে ছাত্র-ছাত্রীদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
পড়ালেখায় মন বসানোর কতিপয় পদ্ধতি এখানে উপস্থাপন করা হল :
১. সমাজে যারা উচ্চশিক্ষিত, আদর্শবান এবং ভালো ফলাফল অর্জনকারী তাদের থেকে প্রেরণা নেবে।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা ভালো হিসেবে পরিচিত তাদের চালচলন ও উত্তম কাজকে নিজেদের মধ্যে বাস্ত বায়ন করার চেষ্টা করবে।
৩. পাঠ্যবই পড়ার পাশাপাশি ইসলামিক বই, আদর্শ ব্যক্তিদের জীবনী ও ইতিহাস এসব পড়বে।
৪. ইসলাম ও মানবতা বিরোধী কোনো কাজের চিন্তা মনে আসলে ঘৃণাবোধ জাগ্রত করে মন থেকে তা দূর করে দেবে।
৫. কিছু চরিত্র ধ্বংসকারী, অশ্লীল পত্রিকা ও বই আছে, এগুলো পড়লে শয়তান মনে প্রভাব বিস্তার করে। তাই এসব পড়বে না।
৬. টিভি, কম্পিউটার এবং মোবাইলে অশ্লীল ছবি ও গান-বাজনা দেখা ও শোনা হতে বিরত থাকবে। এসবের মধ্যে শিক্ষণীয় অনুষ্ঠান, ইসলামী গান, কুরআন তেলায়াত এবং ভালো ওয়াজ-নসীহত উপভোগ করবে।
৭. সকল প্রকার দুশ্চিন্তা থেকে মনকে মুক্ত রাখবে। কোনোকিছু না পাওয়ার হতাশা থাকতে পারে; কিন্তু দুশ্চিন্তা না করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে চাইতে হবে। প্রত্যেক পিতা-মাতাই তাদের সন্তানদেরকে সবকিছু দিতে চায়; কিন্তু অনেকে তা পারে না।
মনে রাখবে, জগতে অনেকেই দারিদ্রতার মাঝে পড়ালেখা করে অনেক কিছু করেছেন। দারিদ্রতাই অনেককে মহান করেছে।
পড়ালেখায় মন বসানোর কতিপয় পদ্ধতি এখানে উপস্থাপন করা হল :
১. সমাজে যারা উচ্চশিক্ষিত, আদর্শবান এবং ভালো ফলাফল অর্জনকারী তাদের থেকে প্রেরণা নেবে।
২. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা ভালো হিসেবে পরিচিত তাদের চালচলন ও উত্তম কাজকে নিজেদের মধ্যে বাস্ত বায়ন করার চেষ্টা করবে।
৩. পাঠ্যবই পড়ার পাশাপাশি ইসলামিক বই, আদর্শ ব্যক্তিদের জীবনী ও ইতিহাস এসব পড়বে।
৪. ইসলাম ও মানবতা বিরোধী কোনো কাজের চিন্তা মনে আসলে ঘৃণাবোধ জাগ্রত করে মন থেকে তা দূর করে দেবে।
৫. কিছু চরিত্র ধ্বংসকারী, অশ্লীল পত্রিকা ও বই আছে, এগুলো পড়লে শয়তান মনে প্রভাব বিস্তার করে। তাই এসব পড়বে না।
৬. টিভি, কম্পিউটার এবং মোবাইলে অশ্লীল ছবি ও গান-বাজনা দেখা ও শোনা হতে বিরত থাকবে। এসবের মধ্যে শিক্ষণীয় অনুষ্ঠান, ইসলামী গান, কুরআন তেলায়াত এবং ভালো ওয়াজ-নসীহত উপভোগ করবে।
৭. সকল প্রকার দুশ্চিন্তা থেকে মনকে মুক্ত রাখবে। কোনোকিছু না পাওয়ার হতাশা থাকতে পারে; কিন্তু দুশ্চিন্তা না করে আল্লাহ তা‘আলার কাছে চাইতে হবে। প্রত্যেক পিতা-মাতাই তাদের সন্তানদেরকে সবকিছু দিতে চায়; কিন্তু অনেকে তা পারে না।
মনে রাখবে, জগতে অনেকেই দারিদ্রতার মাঝে পড়ালেখা করে অনেক কিছু করেছেন। দারিদ্রতাই অনেককে মহান করেছে।