১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
প্রস্রাব-পায়খানার নিয়মাবলী
১. প্রস্রাব-পায়খানার বেগ যখন হবে তখনই তা করা উচিত। প্রস্রাব-পায়খানার বেগ থামানোর চেষ্টা করা ক্ষতিকর।
২. প্রস্রাব-পায়খানায় যাওয়ার সময় পবিত্রতার উপকরণ যেমন- ঢিলা, টিসু বা পানি সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। টয়লেটে পানি আছে কি না আগে চেক করা।
৩. প্রস্রাব-পায়খানায় প্রবেশের পূর্বে দু‘আ পাঠ করা।
৪. প্রস্রাব-পায়খানায় ঢোকার সময় প্রথমে বাম পা দিয়ে ঢোকা এবং বের হওয়ার সময় প্রথমে ডান পা দিয়ে বের হওয়া।
৫. হাঁটু ঢেকে বসা এবং প্রস্রাবের ছিটা যাতে কাপড়ে ও শরীরে না লাগে সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখা।
৬. আল্লাহর নাম সম্বলিত আংটি বা কুরআনের আয়াত খোলা অবস্থায় সঙ্গে নিয়ে প্রস্রাব-পায়খানায় প্রবেশ না করা।
৭. পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে প্রস্রাব-পায়খানা না করা।
৮. একান্ত প্রয়োজন ছাড়া দাঁড়িয়ে প্রস্রাব-পায়খানা না করা।
৯. দাঁড়ানো অবস্থায় কাপড় না উঠায়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে কাপড় উঠানো।
১০. প্রস্রাব-পায়খানা করা অবস্থায় কথাবার্তা না বলা।
১১. প্রস্রাব-পায়খানায় বসে সালামের উত্তর না দেয়া। এ অবস্থায় কেউ সালাম দিয়ে ফেললে পবিত্র হয়ে উত্তর দেয়া।
১২. প্রস্রাব-পায়খানা করা অবস্থায় হাঁচি দিলে মুখে উচ্চারণ না করে মনে মনে ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বলা।
১৩. হাড্ডি, কয়লা, কাগজ, কাঁচ, গোবর, খাদ্যদ্রব্য, এবং ডান হাত দ্বারা শৌচকার্য না করা।
১৪. প্রস্রাবের শেষ ফুটা ভালোভাবে নিষ্কাশন হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নেয়া। তবে ঢিলা ব্যবহারের সময় লজ্জা বজায় রাখা উচিত।
১৫. প্রস্রাব-পায়খানা হতে উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করা ফরয। প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জন না করা কবিরা গুনাহ। এ পাপ করলে মৃত্যুর পর কবর থেকেই আযাব শুরু হয়ে যাবে। (বুখারী-হাঃ নং ২১৮)
২. প্রস্রাব-পায়খানায় যাওয়ার সময় পবিত্রতার উপকরণ যেমন- ঢিলা, টিসু বা পানি সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। টয়লেটে পানি আছে কি না আগে চেক করা।
৩. প্রস্রাব-পায়খানায় প্রবেশের পূর্বে দু‘আ পাঠ করা।
৪. প্রস্রাব-পায়খানায় ঢোকার সময় প্রথমে বাম পা দিয়ে ঢোকা এবং বের হওয়ার সময় প্রথমে ডান পা দিয়ে বের হওয়া।
৫. হাঁটু ঢেকে বসা এবং প্রস্রাবের ছিটা যাতে কাপড়ে ও শরীরে না লাগে সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখা।
৬. আল্লাহর নাম সম্বলিত আংটি বা কুরআনের আয়াত খোলা অবস্থায় সঙ্গে নিয়ে প্রস্রাব-পায়খানায় প্রবেশ না করা।
৭. পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে প্রস্রাব-পায়খানা না করা।
৮. একান্ত প্রয়োজন ছাড়া দাঁড়িয়ে প্রস্রাব-পায়খানা না করা।
৯. দাঁড়ানো অবস্থায় কাপড় না উঠায়ে বসার সঙ্গে সঙ্গে কাপড় উঠানো।
১০. প্রস্রাব-পায়খানা করা অবস্থায় কথাবার্তা না বলা।
১১. প্রস্রাব-পায়খানায় বসে সালামের উত্তর না দেয়া। এ অবস্থায় কেউ সালাম দিয়ে ফেললে পবিত্র হয়ে উত্তর দেয়া।
১২. প্রস্রাব-পায়খানা করা অবস্থায় হাঁচি দিলে মুখে উচ্চারণ না করে মনে মনে ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বলা।
১৩. হাড্ডি, কয়লা, কাগজ, কাঁচ, গোবর, খাদ্যদ্রব্য, এবং ডান হাত দ্বারা শৌচকার্য না করা।
১৪. প্রস্রাবের শেষ ফুটা ভালোভাবে নিষ্কাশন হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নেয়া। তবে ঢিলা ব্যবহারের সময় লজ্জা বজায় রাখা উচিত।
১৫. প্রস্রাব-পায়খানা হতে উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করা ফরয। প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জন না করা কবিরা গুনাহ। এ পাপ করলে মৃত্যুর পর কবর থেকেই আযাব শুরু হয়ে যাবে। (বুখারী-হাঃ নং ২১৮)