১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
স্মরণশক্তি বাড়ানোর পদ্ধতি
যার স্মৃতিশক্তি যত বেশি কর্মক্ষেত্রে তার সফল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। তাই স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ অনুসরণ করলে অবশ্যই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন নিয়মিত অনুশীলন স্মৃতিশক্তির উন্নয়ন ঘটিয়ে থাকে।
স্মৃতিশক্তির উন্নয়নে নিম্নের পদক্ষেপগুলো তোমাকে সহযোগিতা করবে :
ধরে নাও তোমার একটি ভালো স্মৃতিশক্তি আছে :
অনেকেই ধারণা করে থাকে তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল। তোমার মাঝে এ ধারণা থাকলে তা দূর করো এবং নিজের প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠ, তাহলে তুমি নিজেই নিজের স্মৃতিশক্তির উন্নতি বুঝতে পারবে।
নিজের মস্তিষ্ককে সচল রাখো :
ব্যয়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, এতে স্মৃতিশক্তির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নতুন কোনো কাজ করার চেষ্টা তোমার বুদ্ধিমত্তাকে সচল রাখতে সহায়তা করবে। যেমন- নতুন কোনো ভাষা শেখা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করা।
মানসিক চাপ কমিয়ে নাও :
মানসিক চাপ কমাতে হবে। কারণ দীর্ঘস্থায়ী চাপ স্মৃতিশক্তিকে দুর্বল করে দেয়। আর সাময়িক চাপের কারণে অনেক সময় মনোযোগ ব্যাহত হয়।
ভালো খাবারের অভ্যাস করো :
ভিটামিন ‘ই’, ভিটামিন ‘বি-৬’ এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খাবার গ্রহণ করলে মস্তিষ্কসহ মানসিক উন্নয়ন ঘটবে।
যা মনে রাখা প্রয়োজন তা পুনরাবৃত্তি করো :
তুমি অধিক সময় যা দেখবে, শুনবে এবং চিন্তা করবে তা-ই অধিক মনে রাখতে সক্ষম হবে। তাই পুনরাবৃত্তি করো এবং ভাবতে থাক।
যা কিছু মনে রাখা প্রয়োজন তা সুবিন্যস্ত করো :
উদ্দেশ্যহীন বা খেয়ালখুশিমত কোনোকিছু সাজানো হলে তা মনে রাখা কঠিন। একে সহজ করার জন্য শ্রেণীবদ্ধভাবে অথবা পৃথক পৃথকভাবে তালিকা তৈরি করে নাও।
তোমার জীবনকে সংগঠিত করো :
তোমার অতি প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন- চাবি, চশমা, টুপি, মিসওয়াক, মোবাইল এবং ঘড়ি এগুলো সবসময় কোনো নির্দিষ্ট ও নিরাপদ জায়গায় রাখো। ফোন নম্বর এবং ঠিকানা একটি নির্দিষ্ট রেজিস্টার খাতায় অথবা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে বা মোবাইল ফোনে লিখে নাও।
গভীর ধ্যানে অনুশীলন করো :
গবেষণায় দেখা যায়, যারা নিয়মিত গভীরভাবে ধ্যান করে তারা অধিক বিষয় স্মৃতিতে রাখতে পারে। নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনকে ঘনীভূত করে। অনেক গবেষক বিশ্বাস করেন যে, ধ্যান সচেতনতা এবং বুদ্ধিমত্তা সম্প্রসারণ করে থাকে।
পরিমাণমত ঘুমাও :
পরিমিত ঘুম মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং স্মৃতিশক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি করে।
এ কৌশলগুলো স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহায়ক। এগুলো বাস্তবায়ন করলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটবে। এছাড়াও সকল প্রকার গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, নীরব পরিবেশ বজায় রাখা এবং কম কথা বলার অভ্যাস করা স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধির সহায়ক।
স্মৃতিশক্তির উন্নয়নে নিম্নের পদক্ষেপগুলো তোমাকে সহযোগিতা করবে :
ধরে নাও তোমার একটি ভালো স্মৃতিশক্তি আছে :
অনেকেই ধারণা করে থাকে তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল। তোমার মাঝে এ ধারণা থাকলে তা দূর করো এবং নিজের প্রতি আস্থাশীল হয়ে উঠ, তাহলে তুমি নিজেই নিজের স্মৃতিশক্তির উন্নতি বুঝতে পারবে।
নিজের মস্তিষ্ককে সচল রাখো :
ব্যয়াম রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, এতে স্মৃতিশক্তির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নতুন কোনো কাজ করার চেষ্টা তোমার বুদ্ধিমত্তাকে সচল রাখতে সহায়তা করবে। যেমন- নতুন কোনো ভাষা শেখা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করা।
মানসিক চাপ কমিয়ে নাও :
মানসিক চাপ কমাতে হবে। কারণ দীর্ঘস্থায়ী চাপ স্মৃতিশক্তিকে দুর্বল করে দেয়। আর সাময়িক চাপের কারণে অনেক সময় মনোযোগ ব্যাহত হয়।
ভালো খাবারের অভ্যাস করো :
ভিটামিন ‘ই’, ভিটামিন ‘বি-৬’ এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেতে হবে। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খাবার গ্রহণ করলে মস্তিষ্কসহ মানসিক উন্নয়ন ঘটবে।
যা মনে রাখা প্রয়োজন তা পুনরাবৃত্তি করো :
তুমি অধিক সময় যা দেখবে, শুনবে এবং চিন্তা করবে তা-ই অধিক মনে রাখতে সক্ষম হবে। তাই পুনরাবৃত্তি করো এবং ভাবতে থাক।
যা কিছু মনে রাখা প্রয়োজন তা সুবিন্যস্ত করো :
উদ্দেশ্যহীন বা খেয়ালখুশিমত কোনোকিছু সাজানো হলে তা মনে রাখা কঠিন। একে সহজ করার জন্য শ্রেণীবদ্ধভাবে অথবা পৃথক পৃথকভাবে তালিকা তৈরি করে নাও।
তোমার জীবনকে সংগঠিত করো :
তোমার অতি প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন- চাবি, চশমা, টুপি, মিসওয়াক, মোবাইল এবং ঘড়ি এগুলো সবসময় কোনো নির্দিষ্ট ও নিরাপদ জায়গায় রাখো। ফোন নম্বর এবং ঠিকানা একটি নির্দিষ্ট রেজিস্টার খাতায় অথবা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে বা মোবাইল ফোনে লিখে নাও।
গভীর ধ্যানে অনুশীলন করো :
গবেষণায় দেখা যায়, যারা নিয়মিত গভীরভাবে ধ্যান করে তারা অধিক বিষয় স্মৃতিতে রাখতে পারে। নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনকে ঘনীভূত করে। অনেক গবেষক বিশ্বাস করেন যে, ধ্যান সচেতনতা এবং বুদ্ধিমত্তা সম্প্রসারণ করে থাকে।
পরিমাণমত ঘুমাও :
পরিমিত ঘুম মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে এবং স্মৃতিশক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি করে।
এ কৌশলগুলো স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির সহায়ক। এগুলো বাস্তবায়ন করলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটবে। এছাড়াও সকল প্রকার গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, নীরব পরিবেশ বজায় রাখা এবং কম কথা বলার অভ্যাস করা স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধির সহায়ক।