১
ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
লেখাপড়ায় অগ্রগতির আমল
পড়ার বই, লেখার খাতা-কলম হাতে নিয়ে শুরুতেই শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করবে। কারণ শয়তান ছাত্র-ছাত্রীদেরকে অন্যমনস্ক করে দেয়ার চেষ্টা করে। কুরআন মাজীদ পড়তে বসলে অবশ্যই প্রথমে - اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইতা-নির রাজীম) পড়তে হবে। এর অর্থ : ‘‘আমি বিতাড়িত শয়তান হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।’’ আল্লাহ তা‘আলা বলেন- ‘‘তুমি যখন কুরআন পড়বে, তখন অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করে পাঠ শুরু করবে।’’ (সূরা নাহল- ৯৮)
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য চেয়ে - بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ (বিসমিল্লা-হির রাহ্মা-নির রাহীম) বলে পড়া শুরু করবে। এর অর্থ : ‘‘পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।’’
পড়া আরম্ভের সময় নিচের দু‘আ দু’টি অর্থ বুঝে পড়বে :
رَبِّ زِدْنِيْ عِلْمًا রাবিব যিদ্নী ‘ইলমা।
অর্থ : ‘‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দিন।’’ (সূরা ত্বাহা- ১১৪)
رَبِّ اشْرَحْ لِيْ صَدْرِيْ - وَيَسِّرْ لِيْ اَمْرِيْ - وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِّسَانِيْ - يَفْقَهُوْا قَوْلِيْ
রাবিবশ্ রাহ্লী সাদ্রী, ওয়া ইয়াস্সির লী আম্রী, ওয়াহ্লুল্ ‘উক্বদাতাম মিল্লিসা-নী, ইয়াফ্ক্বাহু ক্বওলী।
অর্থ : ‘‘হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ উন্মুক্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আর আমার জিহবার জড়তা দূর করে দাও- যাতে লোকেরা আমার কথা বুঝতে পারে।’’ (সূরা ত্বাহা ২৫-২৮)
ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর নিচের দু‘আ দু’টি পড়বে :
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আন ওয়া ‘আমালান মুতাকাববালান ওয়া রিয্কান তায়্যিবা।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র রিযিক চাচ্ছি।’’ (আহমাদ, ইবনে মাজাহ)
اَللّٰهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَ عَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ
আল্লা-হুম্মান ফা‘নী বিমা ‘আল্লাম্তানী ওয়া ‘আল্লিম্নী মা ইয়ানফা‘উনী।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে যা শিখিয়েছ তা দ্বারা উপকৃত করো এবং আমাকে এমন জ্ঞান শিক্ষা দাও যা আমার উপকারে আসে।
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য চেয়ে - بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ (বিসমিল্লা-হির রাহ্মা-নির রাহীম) বলে পড়া শুরু করবে। এর অর্থ : ‘‘পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।’’
পড়া আরম্ভের সময় নিচের দু‘আ দু’টি অর্থ বুঝে পড়বে :
رَبِّ زِدْنِيْ عِلْمًا রাবিব যিদ্নী ‘ইলমা।
অর্থ : ‘‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দিন।’’ (সূরা ত্বাহা- ১১৪)
رَبِّ اشْرَحْ لِيْ صَدْرِيْ - وَيَسِّرْ لِيْ اَمْرِيْ - وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِّسَانِيْ - يَفْقَهُوْا قَوْلِيْ
রাবিবশ্ রাহ্লী সাদ্রী, ওয়া ইয়াস্সির লী আম্রী, ওয়াহ্লুল্ ‘উক্বদাতাম মিল্লিসা-নী, ইয়াফ্ক্বাহু ক্বওলী।
অর্থ : ‘‘হে আমার প্রতিপালক! আমার বক্ষ উন্মুক্ত করে দাও, আমার কাজ সহজ করে দাও, আর আমার জিহবার জড়তা দূর করে দাও- যাতে লোকেরা আমার কথা বুঝতে পারে।’’ (সূরা ত্বাহা ২৫-২৮)
ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর নিচের দু‘আ দু’টি পড়বে :
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا وَرِزْقًا طَيِّبًا
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আন ওয়া ‘আমালান মুতাকাববালান ওয়া রিয্কান তায়্যিবা।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, গ্রহণযোগ্য আমল এবং পবিত্র রিযিক চাচ্ছি।’’ (আহমাদ, ইবনে মাজাহ)
اَللّٰهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَ عَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ
আল্লা-হুম্মান ফা‘নী বিমা ‘আল্লাম্তানী ওয়া ‘আল্লিম্নী মা ইয়ানফা‘উনী।
অর্থ : ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে যা শিখিয়েছ তা দ্বারা উপকৃত করো এবং আমাকে এমন জ্ঞান শিক্ষা দাও যা আমার উপকারে আসে।