১
কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
১১. আল্লাহ তা‘আলার পথে সর্বদা সদকা-খয়রাত সদকাকারীর সঠিক বিচার-বুদ্ধির পরিচয় বহন করে:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ۞أَفَمَن يَعۡلَمُ أَنَّمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ كَمَنۡ هُوَ أَعۡمَىٰٓۚ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ١٩ ٱلَّذِينَ يُوفُونَ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ وَلَا يَنقُضُونَ ٱلۡمِيثَٰقَ ٢٠ وَٱلَّذِينَ يَصِلُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيَخۡشَوۡنَ رَبَّهُمۡ وَيَخَافُونَ سُوٓءَ ٱلۡحِسَابِ ٢١ وَٱلَّذِينَ صَبَرُواْ ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِمۡ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنفَقُواْ مِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ سِرّٗا وَعَلَانِيَةٗ وَيَدۡرَءُونَ بِٱلۡحَسَنَةِ ٱلسَّيِّئَةَ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عُقۡبَى ٱلدَّارِ ٢٢ جَنَّٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا وَمَن صَلَحَ مِنۡ ءَابَآئِهِمۡ وَأَزۡوَٰجِهِمۡ وَذُرِّيَّٰتِهِمۡۖ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَدۡخُلُونَ عَلَيۡهِم مِّن كُلِّ بَابٖ ٢٣ سَلَٰمٌ عَلَيۡكُم بِمَا صَبَرۡتُمۡۚ فَنِعۡمَ عُقۡبَى ٱلدَّارِ ٢٤ ﴾ [ الرعد : ١٩، ٢٤ ]
“তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা যে ব্যক্তি সত্য বলে বিশ্বাস করে সে আর অন্ধ কি সমান? বস্তুতঃ সত্যিকার বিবেকবানরাই উপদেশ গ্রহণ করে থাকে। যারা আল্লাহ তা‘আলাকে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষা করে এবং কোনো প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না। যারা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশিত সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখে এবং তাঁকে ভয় পায়। আরো ভয় পায় কিয়ামতের কঠিন হিসাবকে। যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধৈর্য ধারণ করে, সালাত কায়েম করে, তাঁর দেওয়া সম্পদ তাঁরই পথে গোপনে ও প্রকাশ্যে অকাতরে ব্যয় করে এবং ভালো দ্বারা মন্দ দূরীভূত করে। তাদের জন্যই রয়েছে শুভ পরিণাম স্থায়ী জান্নাত। যাতে তারা, তাদের সৎকর্মশীল পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততি প্রবেশ করবে। ফিরিশতাগণ হাজির হবে তাদের সম্মানার্থে প্রত্যেক দরজা দিয়ে। তারা বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। কারণ, তোমরা (দুনিয়াতে বহু) ধৈর্য ধারণ করেছিলে। কতোই না চমৎকার এ শুভ পরিণাম”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ১৯-২৪]
﴿ ۞أَفَمَن يَعۡلَمُ أَنَّمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ كَمَنۡ هُوَ أَعۡمَىٰٓۚ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ١٩ ٱلَّذِينَ يُوفُونَ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ وَلَا يَنقُضُونَ ٱلۡمِيثَٰقَ ٢٠ وَٱلَّذِينَ يَصِلُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيَخۡشَوۡنَ رَبَّهُمۡ وَيَخَافُونَ سُوٓءَ ٱلۡحِسَابِ ٢١ وَٱلَّذِينَ صَبَرُواْ ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِمۡ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنفَقُواْ مِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ سِرّٗا وَعَلَانِيَةٗ وَيَدۡرَءُونَ بِٱلۡحَسَنَةِ ٱلسَّيِّئَةَ أُوْلَٰٓئِكَ لَهُمۡ عُقۡبَى ٱلدَّارِ ٢٢ جَنَّٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا وَمَن صَلَحَ مِنۡ ءَابَآئِهِمۡ وَأَزۡوَٰجِهِمۡ وَذُرِّيَّٰتِهِمۡۖ وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَدۡخُلُونَ عَلَيۡهِم مِّن كُلِّ بَابٖ ٢٣ سَلَٰمٌ عَلَيۡكُم بِمَا صَبَرۡتُمۡۚ فَنِعۡمَ عُقۡبَى ٱلدَّارِ ٢٤ ﴾ [ الرعد : ١٩، ٢٤ ]
“তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা যে ব্যক্তি সত্য বলে বিশ্বাস করে সে আর অন্ধ কি সমান? বস্তুতঃ সত্যিকার বিবেকবানরাই উপদেশ গ্রহণ করে থাকে। যারা আল্লাহ তা‘আলাকে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষা করে এবং কোনো প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না। যারা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশিত সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখে এবং তাঁকে ভয় পায়। আরো ভয় পায় কিয়ামতের কঠিন হিসাবকে। যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ধৈর্য ধারণ করে, সালাত কায়েম করে, তাঁর দেওয়া সম্পদ তাঁরই পথে গোপনে ও প্রকাশ্যে অকাতরে ব্যয় করে এবং ভালো দ্বারা মন্দ দূরীভূত করে। তাদের জন্যই রয়েছে শুভ পরিণাম স্থায়ী জান্নাত। যাতে তারা, তাদের সৎকর্মশীল পিতা-মাতা, পতি-পত্নী ও সন্তান-সন্ততি প্রবেশ করবে। ফিরিশতাগণ হাজির হবে তাদের সম্মানার্থে প্রত্যেক দরজা দিয়ে। তারা বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। কারণ, তোমরা (দুনিয়াতে বহু) ধৈর্য ধারণ করেছিলে। কতোই না চমৎকার এ শুভ পরিণাম”। [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ১৯-২৪]