১
কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত
লেখকঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
লেখকের কথা
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِحَمْدِهِ تَدُوْمُ النِّعَمُ، وَالشُّكْرُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِشُكْرِهِ تَزْدَادُ النِّعَمُ، وَالصَّلاَةُ وَالسَّلاَمُ عَلَى خَيْرِ خَلْقِهِ أَجْمَعِيْنَ، نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِهِ وَصَحْبِـهِ أَجْمَعِيْنَ، وَمَنْ تَبِعَهُمْ بِإِحْسَانٍ إِلَى يَوْمِ الدِّيْنِ .
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য যাঁর প্রশংসা করলে নি‘আমত স্থিতিশীল হয় এবং সকল কৃতজ্ঞতাও তাঁরই যাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে নি‘আমত ক্রমাগত বেড়ে যায়। সকল সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহ তা‘আলার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির উপর যিনি হচ্ছেন আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীয়ে কিরামের উপর। আরো বর্ষিত হোক ওঁদের উপর যারা কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের নিষ্ঠাবান অনুসারী।
যখন কাউকে ধর্মীয় কোনো কাজে দান বা সদকা করতে বলা হয় তখন সে মনে করে, আরে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে পয়সা-কড়ি আমি দীর্ঘ দিন যাবত অর্জন করেছি কারোর সামান্য কথায় এমনিতেই আমি তা দিয়ে দেবো তা কি করে হয়? এ কষ্টের পয়সা বিনিয়োগের আগে সর্বপ্রথম আমাকে যে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে তা হচ্ছে, এতে আমার কি লাভ? এর বিনিময়ে দুনিয়া বা আখিরাতে আমি কি পাবো? ইত্যাদি ইত্যাদি।
উক্ত মানসিকতার দ্বিধা নিরসনের জন্যই অত্র পুস্তিকাটির অবতারণা। পুস্তিকাটিতে সদকার কিছু ফযীলত ও বৈশিষ্ট্য উল্লিখিত হয়েছে।
অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হচ্ছে এই যে, এ পুস্তিকাটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পৃক্ত যতগুলো হাদীস উল্লিখিত হয়েছে সাধ্যমত তার বিশুদ্ধতার প্রতি সযত্ন দায়িত্বশীল দৃষ্টি রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিদেনপক্ষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ আল্লামা নাসেরুদ্দীন আলবানী রহ. এর হাদীস শুদ্ধাশুদ্ধ নির্ণয়ননীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এতদসত্ত্বেও সকল যোগ্য গবেষকদের পুনর্বিবেচনার সুবিধার্থে প্রতিটি হাদীসের সাথে তার প্রাপ্তিস্থাননির্দেশ সংযোজন করা হয়েছে। তবুও সম্পূর্ণরূপে নির্ভুল হওয়ার জোর দাবি করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছি না।
শব্দ ও ভাষাগত প্রচুর ভুল-ভ্রান্তি বিজ্ঞ পাঠকবর্গের চক্ষুগোচরে আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে ভুল যত সামান্যই হোক না কেন লেখকের দৃষ্টিগোচর করলে চরম কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ থাকবো। যে কোনো কল্যাণকর পরামর্শ দিয়ে দাওয়াতী স্পৃহাকে আরো বর্ধিতকরণে সর্বসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আল্লাহ তা‘আলা সবার সহায় হোন।
এ পুস্তিকা প্রকাশে যে কোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য সবার সমুচিত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ইহপরকালে আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেককে কামিয়াব করুন তাই হচ্ছে আমার সর্বোচ্চ আশা। আমীন, সুম্মা আমীন ইয়া রব্বাল ‘আলামীন।
সর্বশেষে জনাব শাইখ আব্দুল হামীদ ফায়যী সাহেবের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করে পারছি না যিনি অনেক ব্যস্ততার মাঝেও আমার আবেদনক্রমে পান্ডুলিপিটি আদ্যপান্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখেছেন এবং তাঁর অতীব মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে এর উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর জ্ঞান আরো বাড়িয়ে দিন এ আশা রেখে এখানেই শেষ করলাম।
লেখক
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য যাঁর প্রশংসা করলে নি‘আমত স্থিতিশীল হয় এবং সকল কৃতজ্ঞতাও তাঁরই যাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে নি‘আমত ক্রমাগত বেড়ে যায়। সকল সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহ তা‘আলার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টির উপর যিনি হচ্ছেন আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীয়ে কিরামের উপর। আরো বর্ষিত হোক ওঁদের উপর যারা কিয়ামত পর্যন্ত তাঁদের নিষ্ঠাবান অনুসারী।
যখন কাউকে ধর্মীয় কোনো কাজে দান বা সদকা করতে বলা হয় তখন সে মনে করে, আরে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে পয়সা-কড়ি আমি দীর্ঘ দিন যাবত অর্জন করেছি কারোর সামান্য কথায় এমনিতেই আমি তা দিয়ে দেবো তা কি করে হয়? এ কষ্টের পয়সা বিনিয়োগের আগে সর্বপ্রথম আমাকে যে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে তা হচ্ছে, এতে আমার কি লাভ? এর বিনিময়ে দুনিয়া বা আখিরাতে আমি কি পাবো? ইত্যাদি ইত্যাদি।
উক্ত মানসিকতার দ্বিধা নিরসনের জন্যই অত্র পুস্তিকাটির অবতারণা। পুস্তিকাটিতে সদকার কিছু ফযীলত ও বৈশিষ্ট্য উল্লিখিত হয়েছে।
অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হচ্ছে এই যে, এ পুস্তিকাটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পৃক্ত যতগুলো হাদীস উল্লিখিত হয়েছে সাধ্যমত তার বিশুদ্ধতার প্রতি সযত্ন দায়িত্বশীল দৃষ্টি রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিদেনপক্ষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ আল্লামা নাসেরুদ্দীন আলবানী রহ. এর হাদীস শুদ্ধাশুদ্ধ নির্ণয়ননীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এতদসত্ত্বেও সকল যোগ্য গবেষকদের পুনর্বিবেচনার সুবিধার্থে প্রতিটি হাদীসের সাথে তার প্রাপ্তিস্থাননির্দেশ সংযোজন করা হয়েছে। তবুও সম্পূর্ণরূপে নির্ভুল হওয়ার জোর দাবি করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছি না।
শব্দ ও ভাষাগত প্রচুর ভুল-ভ্রান্তি বিজ্ঞ পাঠকবর্গের চক্ষুগোচরে আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে ভুল যত সামান্যই হোক না কেন লেখকের দৃষ্টিগোচর করলে চরম কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ থাকবো। যে কোনো কল্যাণকর পরামর্শ দিয়ে দাওয়াতী স্পৃহাকে আরো বর্ধিতকরণে সর্বসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আল্লাহ তা‘আলা সবার সহায় হোন।
এ পুস্তিকা প্রকাশে যে কোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য সবার সমুচিত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ইহপরকালে আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেককে কামিয়াব করুন তাই হচ্ছে আমার সর্বোচ্চ আশা। আমীন, সুম্মা আমীন ইয়া রব্বাল ‘আলামীন।
সর্বশেষে জনাব শাইখ আব্দুল হামীদ ফায়যী সাহেবের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করে পারছি না যিনি অনেক ব্যস্ততার মাঝেও আমার আবেদনক্রমে পান্ডুলিপিটি আদ্যপান্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখেছেন এবং তাঁর অতীব মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে এর উত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁর জ্ঞান আরো বাড়িয়ে দিন এ আশা রেখে এখানেই শেষ করলাম।
লেখক